রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬

৭ নভেম্বর সিপাহি–জনতার অভ্যুত্থান: গণতন্ত্রের নতুন যাত্রার ইতিহাস

বহুল পঠিত

আজ ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন, সিপাহি–জনতার অভ্যুত্থান দিবস
১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর সৈনিক ও সাধারণ জনগণের অভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তি পান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, ভেঙে যায় শাসকের শৃঙ্খল।
আর সেই মুক্তিই সূচনা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নতুন পথচলা, যা পরে জন্ম দেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি

৭ নভেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ?

১৫ আগস্ট শেখ মুজিব হত্যা (বাকশাল বিলুপ্ত) ও পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে দেশ এগোচ্ছিল অজানা গন্তব্যের দিকে।
‘৭৪ এর দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর দমন–পীড়ন এবং ৩ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের পর দেশজুড়ে অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করে।

ঠিক সেই সময়,
সিপাহি–জনতার যৌথ অভ্যুত্থান সৃষ্টি করে ইতিহাসের মোড় ঘোরানো অধ্যায়-
যা সাধারন মানুষের ভাষায় “জাতির গতিপথ বদলে দেওয়ার আলো”

সৈনিক-জনতার মিলিত নেতৃত্বে জিয়ার মুক্তি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু বলেন-

“মানুষের আশা-ভরসার নাম ছিলেন শহীদ জিয়া।
সৈনিক-জনতা সম্মিলিতভাবে তাকেই বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আনে।”

এই মুক্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়-
১. সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা
২. আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন নীতি
৩. বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা

দেশকে গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা করা বিদ্রোহ

বিএনপি নেতা হাফিজ উদ্দীন আহমদের মতে- “৭ নভেম্বরের বিপ্লব দেশকে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছে।”

তিনি আরও বলেন-
জিয়াউর রহমান ছিলেন একমাত্র নেতা যিনি
বিশৃঙ্খল সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে এনে দেশকে স্থিতিশীল করেন।

৭ নভেম্বরের মূল শিক্ষা

এই দিনটি শুধু মুক্তির ইতিহাস নয়,
এটি-
১. ঐক্য ও শৃঙ্খলার শিক্ষা
২. গণতন্ত্র চর্চার অনুপ্রেরণা
৩. জাতীয় স্বার্থে মিলিত সংগ্রামের প্রতীক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আহ্বান- বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রেখে ৭ নভেম্বরের সংহতিকে ধরে রাখা।

আরো পড়ুন

ঢাকায় ফিরছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন (Brent Christensen)। গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি, ২০২৬) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটনস্থ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে এক অনাড়ম্বর কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ