রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬

৩ অক্টোবরের ঐতিহাসিক মুহূর্ত: স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

বহুল পঠিত

৩ অক্টোবরের ঐতিহাসিক মুহূর্ত ইতিহাসের পাতায় জেগে ওঠে বহু ঘটনার স্মৃতি।
একেক বছর এই তারিখে রচিত হয়েছে রাষ্ট্রের ভাগ্য, আর মানুষ পেয়েছে নতুন কিছু উপলব্ধির আলো।
এই দিন যেন ইতিহাসের আয়নায় এক স্বচ্ছ প্রতিবিম্ব-যেখানে আছে সংগ্রাম, অর্জন, এবং স্মরণীয় মুহূর্তের মিশেল।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা : এক ঐতিহাসিক অধ্যায়

১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার সরকারিভাবে ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও সংগ্রামের গৌরবকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে, যা পরবর্তীতে জাতীয় ঐক্য ও মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সংরক্ষণ ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তা পৌঁছানোর জন্য ২৬ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার উদ্যোগ ছিল সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮০ সালের এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বাধীনতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রকাশ।

এর প্রভাব ও গুরুত্ব

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ঘোষণার ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মর্যাদা আরও দৃঢ় হয়। প্রতিবছর ২৬ মার্চ পালিত হয় নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও সরকারি অনুষ্ঠান মাধ্যমে, যা দেশের ইতিহাসকে জীবন্ত রাখে।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের এই সিদ্ধান্তটি ছিল বাংলাদেশের জাতীয় গৌরবের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। এই ঘোষণা আজকের প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অফুরন্ত উৎস।

আরো পড়ুন

আন্তর্জাতিক গবেষণার মঞ্চে আবারও বাংলাদেশের গর্ব: বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ড. সাইদুর রহমান

আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিশ্বমঞ্চে আবারও উজ্জ্বলভাবে উচ্চারিত হলো বাংলাদেশের নাম। মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখে লাল-সবুজের পতাকাকে আরও একবার গর্বের সঙ্গে উঁচিয়ে ধরেছেন।

‘আগের অবস্থায় ফেরার কোনো প্রয়োজন নেই’ – সাংবাদিকদের সামনে বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময়ের নির্বাসন শেষে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করলেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাজনীতির নতুন দিগন্ত: গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তারেক রহমানের হৃদ্যতাপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়

দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময়ের নির্বাসন কাটিয়ে স্বদেশে ফেরার পর এক নতুন রাজনৈতিক আবহে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হলেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক জমকালো শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ