ঢাকায় পা রেখেই দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত কোচ মিকি আর্থার। তার আগমনের মধ্য দিয়ে নতুন করে আত্মবিশ্বাসে ভর করেছে রংপুর রাইডার্স শিবির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফলতার প্রতীক এই কোচের হাত ধরেই বিপিএল ২০২৬-এ শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এগোচ্ছে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
গ্লোবাল টি-২০ সুপার লিগে আর্থারের কোচিংয়ে টানা দুই মৌসুম ফাইনাল খেলেছে রংপুর রাইডার্স-
২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়ন এবং পরের আসরে রানার্সআপ হয়েছিল দলটি।
এই ধারাবাহিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও তার ওপরই ভরসা রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সহকারী কোচ হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, যা দলের অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
প্রস্তুতি ম্যাচেই মিলল আত্মবিশ্বাসের বার্তা
২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া বিপিএলের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে একটি অনুশীলন ম্যাচ খেলেছে রংপুর। যদিও ম্যাচের ফল রংপুরের পক্ষে যায়নি, তবে এই ম্যাচ ছিল দলের কম্বিনেশন যাচাই ও ম্যাচ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
তারকা ক্রিকেটার লিটন দাস, মুস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদদের বিশ্রাম দিয়ে স্থানীয় ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়া হয়- যা দলের গভীরতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্পষ্ট বার্তা দেয়।
ব্যাট হাতে ওপেনার ইফতেখার ইফতি খেলেন দায়িত্বশীল ৫৮ রানের ইনিংস। তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ব্যাটিং পারফরম্যান্সও কোচিং স্টাফকে আশাবাদী করেছে।
তারকায় ভরা, ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড
দেশি-বিদেশি তারকাদের সমন্বয়ে রংপুর রাইডার্স এবারের বিপিএলে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দলগুলোর একটি-
দেশি শক্তি:
লিটন দাস, নুরুল হাসান সোহান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাঈম হাসান, নাহিদ রানা
বিদেশি তারকা:
ডেভিড মালান, কাইলি মায়ার্স, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, ইফতেখার আহমেদ
হেড কোচ মিকি আর্থার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন-
“ব্যাটিং ও বোলিং- প্রতিটি বিভাগেই আমাদের শক্তিশালী ক্রিকেটার আছে। দলটি খুবই ব্যালান্সড।”
চোখ ফাইনালের মঞ্চে
গত মৌসুমে এলিমিনেটর পর্যন্ত গিয়ে থেমে গিয়েছিল রংপুর। এবার আর থামতে চায় না দলটি। প্রথম ম্যাচ ২৯ ডিসেম্বর, প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস। শিরোপার মঞ্চে ফেরার জন্য প্রস্তুত রংপুর রাইডার্স—অভিজ্ঞ কোচ, তারকা স্কোয়াড আর আত্মবিশ্বাসী পরিকল্পনায়।