দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, দুর্নীতি ও মাদক নির্মূল এবং কৃষি ও কর্মসংস্থান খাতে মৌলিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের...
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অবাধ নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের পথে আরেকটি ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ...
দেশের মানুষ আর শুধু প্রতিশ্রুতি নয়—চায় বাস্তব রাজনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও দৃশ্যমান পরিবর্তন। এমন প্রত্যাশার কথাই তুলে ধরেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পোলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় তিনি ঘোষণা দেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই বিএনপি ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা তৈরি করছে।
বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের রূপকার, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন প্রভাবশালী নাম, তেমনি এখন বৈশ্বিক ডিজিটাল দুনিয়াতেও আলোচিত এক পরিচয়- বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা ও সক্রিয়তার সুবাদে তিনি এবার জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বসেরা ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নিজের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পথে বড় অগ্রগতি এলো। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়েছেন, যেখানে পারস্পরিক শুল্কহার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ২০২৪ সাল এক নতুন মাইলফলক—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম।”
নীল নদের পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাবকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মিসর ও সুদান। আলোচনায় বিতর্কিত গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ ড্যাম (GERD) ইস্যুকেও অন্তর্ভুক্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশ দুটি।