জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হতেই নতুন সরকারের রূপরেখা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকেই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাঠানো শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে করে দেশজুড়ে নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে আগ্রহ ও আশার আবহ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এদিন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–নেত্রীদের ফোন ও বার্তার মাধ্যমে মন্ত্রিসভায় যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো হয়। নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি যে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে, এই আমন্ত্রণই তার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছে
নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–র অভিজ্ঞ ও আলোচিত অনেক নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন-
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ড. খলিলুর রহমান, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আফরোজা খানম (রিতা), মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ
প্রতিমন্ত্রী পদে আমন্ত্রণ পাওয়া নেতাদের তালিকাও বেশ দীর্ঘ। এতে রয়েছেন-
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এমএ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে সরকার প্রশাসনিক গতি ও স্থিতিশীলতা- দুই দিকেই জোর দিতে চাইছে। শপথের পরপরই আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়াকে তারা দেখছেন কার্যকর ও সংগঠিত সরকার গঠনের ইতিবাচক বার্তা হিসেবে।





