শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

৩ অক্টোবরের ঐতিহাসিক মুহূর্ত: স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

বহুল পঠিত

৩ অক্টোবরের ঐতিহাসিক মুহূর্ত ইতিহাসের পাতায় জেগে ওঠে বহু ঘটনার স্মৃতি।
একেক বছর এই তারিখে রচিত হয়েছে রাষ্ট্রের ভাগ্য, আর মানুষ পেয়েছে নতুন কিছু উপলব্ধির আলো।
এই দিন যেন ইতিহাসের আয়নায় এক স্বচ্ছ প্রতিবিম্ব-যেখানে আছে সংগ্রাম, অর্জন, এবং স্মরণীয় মুহূর্তের মিশেল।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা : এক ঐতিহাসিক অধ্যায়

১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার সরকারিভাবে ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও সংগ্রামের গৌরবকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে, যা পরবর্তীতে জাতীয় ঐক্য ও মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সংরক্ষণ ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তা পৌঁছানোর জন্য ২৬ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার উদ্যোগ ছিল সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮০ সালের এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বাধীনতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রকাশ।

এর প্রভাব ও গুরুত্ব

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস ঘোষণার ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মর্যাদা আরও দৃঢ় হয়। প্রতিবছর ২৬ মার্চ পালিত হয় নানা ধরনের সাংস্কৃতিক ও সরকারি অনুষ্ঠান মাধ্যমে, যা দেশের ইতিহাসকে জীবন্ত রাখে।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের এই সিদ্ধান্তটি ছিল বাংলাদেশের জাতীয় গৌরবের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। এই ঘোষণা আজকের প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অফুরন্ত উৎস।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ