কথায় আছে, 'এক দুয়ার বন্ধ হলে শত দুয়ার খুলে যায়'। বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে এটিই এখন ধ্রুব সত্য। রাজনৈতিক টানাপোড়েন আর বিসিসিআইয়ের কড়াকড়িতে আইপিএল থেকে বাদ পড়লেও বিশ্বমঞ্চে ফিজের চাহিদা যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তার প্রমাণ মিলল পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল)।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) ২০২৬-এর প্রতিটি মুহূর্তকে ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএলের নতুন আসর, যেখানে দেশি এবং বিদেশি তারকারা একত্রিত হয়ে ক্রিকেটের উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবেন।
কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) যখন আইপিএল নিলামে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয়, তখন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি সেই মুহূর্তকে উদযাপন করে এক চেনা চিত্র দিয়ে: বাঙালি ফাস্ট বোলার হাসিমুখে বিরিয়ানির প্লেটের পাশে বসে।
ক্রিকেট এমন এক খেলা যেখানে শেষ পর্যন্ত অনুমান করা কঠিন-পরিস্থিতি মুহূর্তেই বদলে যেতে পারে। ঠিক তেমনই সিনেমার মতো নাটকীয়তায় ভরপুর ছিল শুক্রবারের বাংলাদেশ ভারত ম্যাচ, এসিসি রাইজিং স্টার্স টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল। ভারত ‘এ’–এর বিপক্ষে অবিশ্বাস্য ওঠানামা, রোমাঞ্চ, ভুল, প্রতিরোধ আর শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে অর্জিত দুর্দান্ত জয়ে ফাইনালের টিকিট পেল বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার মুশফিকুর রহিম আবারও ইতিহাস গড়লেন। মাত্র ১ রানের অপেক্ষা নিয়ে দ্বিতীয় দিনের সকাল শুরু করলেও প্রথম ওভার দর্শকদের অপেক্ষায় রাখেন তিনি। তবে দ্বিতীয় ওভারে জর্ডান নেইলের বলে লেগ স্টাম্পে ঠেলে দুই হাত তুলে ধরা সেই মুহূর্ত—এটাই মুশফিকের শততম টেস্টের সেঞ্চুরি।
নিউজিল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ মানেই টানটান উত্তেজনা, আর সেই ধারাবাহিকতাই দেখা গেল ক্রাইস্টচার্চে প্রথম ওয়ানডেতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয়ের খুব কাছাকাছি চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৭ রানে জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ক্রিকেটপ্রেমীরা দেখল এক অবিশ্বাস্য নাটকীয় দিনের জন্ম। মাত্র ৪৭ রান দরকার ছিল ভারতের, আর হাতে ছিল ৩ উইকেট। কিন্তু স্কোরকার্ডে দেখা গেল, শুবমান গিল চোট পেয়ে হাসপাতালে-মানে কার্যত ভারতের হাতে ছিল মাত্র ২ উইকেট।