প্রতিশ্রুতি এক নতুন বাংলাদেশের
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ — দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে এসে তারেক রহমান দেশের লাখো জনতার সামনে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন। রাজধানী ঢাকা থেকে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনা মঞ্চে তিনি তার বক্তব্য শুরু করেন, যেখানে জনতা তাকে উচ্ছ্বাস ও সমর্থনে অভ্যর্থনা জানান। তার ভাষণে তিনি একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন এবং ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন ও প্রণোদনা তুলে ধরেন।
ঐতিহাসিক মুহূর্ত: দেশের জন্য অদম্য সংগ্রাম
তারেক রহমান তার ভাষণে ইতিহাসের গৌরবময় মুহূর্তগুলো স্মরণ করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সাধারণ মানুষ সবসময় মাঠে নেমেছে।” ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, “এবারেও জনগণ, ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিকরা দেশের অধিকার রক্ষার জন্য একত্রিত হয়েছে।”
নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় সংকল্প
তারেক রহমান একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেন, যেখানে মানুষের সুরক্ষা ও সমান অধিকার থাকবে। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী, পুরুষ, শিশু কিংবা প্রতিবন্ধী সবাই নিরাপদে জীবন কাটাতে পারবে।” তিনি দেশের সকল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সামাজিক সমতা এবং ঐক্যবদ্ধতা
তারেক রহমান বাংলাদেশে বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলেন, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবে। তিনি একযোগে সকলের সমর্থন কামনা করেন এবং বলেন, “আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে, দেশের লক্ষ-কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে পারব।”
শহীদদের শ্রদ্ধা ও মহান সংগ্রামের স্মরণ
তারেক রহমান শহীদদের আত্মত্যাগ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের স্মরণ করে বলেন, “তাদের অবদান অমূল্য এবং তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম চলবেই।” তিনি গুম ও খুনের শিকার হওয়া হাজার হাজার মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।