বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আস্থার বার্তা নিয়ে নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য এই শপথ অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল্লাহ খালিল। সফরের অংশ হিসেবে শপথ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের এই সফরকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে “এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে।”
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থানকালে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এ অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় নেতা বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্কের সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ ও স্মরণীয় বিজয়ের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। অভিনন্দন বার্তায় তিনি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর ও সৌজন্য সাক্ষাৎ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। শপথ অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।





