শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য নিরাপদ ফল ও জামের উপকারিতা

বহুল পঠিত

ডায়াবেটিস রোগীরা সঠিক নিয়ম মেনে ফল খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সহজেই পূরণ করা সম্ভব। তবে ফল বাছাই ও খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ ভুল ফল বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

ডায়াবেটিসে ফল খাওয়ার সঠিক নিয়ম

  • পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন: অল্প পরিমাণে ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ।
  • পুরো ফল খান: ফলের রস নয়, পুরো ফল খাওয়া উত্তম, কারণ এতে আঁশ বজায় থাকে।
  • কম মিষ্টি ফল বেছে নিন: আপেল, পেয়ারা, পেয়ারা, জাম, কমলালেবু ইত্যাদি ভালো বিকল্প।
  • খাওয়ার সময়: দুপুরে বা খাবারের ২ ঘণ্টা পর ফল খাওয়া উত্তম।
  • অন্য খাবারের সাথে না মেশানো: ফল খাওয়ার সময় ভাত, রুটি বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন: নতুন কোনো ফল খাওয়ার পর শর্করার মাত্রা মাপুন।
  • তাজা ফল বেছে নিন: প্রক্রিয়াজাত বা ক্যানজাত ফল এড়িয়ে চলা উচিত।

জাম: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক উপায়

জাম এমন একটি ফল যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম, ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

  • রক্তে শর্করা কমায়: জামে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: জামের আঁশ হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা কমায়।
  • আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে: নিয়মিত জাম খেলে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • জামের বীজ ও পাতা উপকারী: জামের বীজ গুঁড়ো করেও খাওয়া যায়, এটি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিন সামান্য পরিমাণে জাম খেলে প্রাকৃতিকভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

আরো পড়ুন

ভাজাপোড়া খাবার খেলে কী হয়? মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বাঁচার উপায়

বিকেলে চায়ের সাথে একটু সিঙ্গারা, পুরি কিংবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই—আমাদের অনেকেরই নিত্যদিনের অভ্যাস। ভাজাপোড়া খাবার বা Fried Food খেতে সুস্বাদু হলেও নিয়মিত এটি গ্রহণ করা শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত ভাজা খাবার হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ক্যানসারের মতো মারণব্যাধী ডেকে আনতে পারে।

জাপানের স্মার্ট টয়লেট মল স্ক্যান করে জানাবে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা

প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রতিনিয়ত সহজ ও বুদ্ধিমান করে তুলছে। স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচের পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো- স্মার্ট টয়লেট। অবাক লাগলেও সত্য, জাপানের বিশ্বখ্যাত স্যানিটেশন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টোটো (Toto Ltd.) এমন এক টয়লেট তৈরি করেছে, যা ব্যবহারকারীর মল বিশ্লেষণ করে তার স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতে সক্ষম।

এক হাতেই দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন: মানবসেবাকে ইবাদত বানানো ডা. কামরুল

একজন চিকিৎসক যখন পেশাকে শুধু জীবিকা নয়, বরং ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করেন, তখন তার কাজ হয়ে ওঠে হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার গল্প। ঠিক তেমনই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম- যিনি একাই সম্পন্ন করেছেন দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন, অথচ বিনিময়ে নেননি কোনো সার্জন ফি। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ কমপক্ষে ২০ কোটি টাকা।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ