রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬

ডেনমার্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ড. নিয়াজ: ঢাবি ভিসি’র নতুন দায়িত্ব

বহুল পঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি ড. নিয়াজ আহমেদ খান ১৫ মাসের ভিসি পদে থাকার পর নতুন সুখবর পেয়েছেন। তিনি শিগগিরই ডেনমার্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেতে চলেছেন।

সরকার ইতোমধ্যেই তার নিয়োগের জন্য কোপেনহেগেনে চিঠি পাঠিয়েছে। এখন শুধু ক্লিয়ারেন্স বাকি, যা পেতে সাধারণত ১ থেকে ৩ মাস সময় লাগতে পারে। ক্লিয়ারেন্স মিললেই তিনি ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এতে এসডিজি বিষয়ক দূত লামিয়া মোর্শেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী ও তার বোন হুসনা সিদ্দিকীর নাম আলোচনায় রয়েছে।

কোপেনহেগেন ছাড়াও শিগগিরই শূন্য হতে চলেছে বাংলাদেশি দূতাবাসের পদগুলো সিঙ্গাপুর, হেগ, থিম্পু, ইয়াঙ্গুন এবং তেহরান। তবে এখনও কোনো ফাইলওয়ার্ক শুরু হয়নি।

এই নিয়োগ নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। বিশেষ করে লুতফে ও হুসনা সিদ্দিকীর বাবা শৈশবেই পুলিশের আইজি ছিলেন। অনেক পেশাদার কূটনীতিক এখনও ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অপেক্ষমাণ, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে কূটনীতিতে অভিজ্ঞ না থাকা ব্যক্তিরাই রাষ্ট্রদূত হওয়ার সম্ভাবনা পাচ্ছেন।

ড. নিয়াজ আহমেদ খানের রাষ্ট্রদূত হওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের কূটনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন

ঢাকায় ফিরছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন (Brent Christensen)। গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি, ২০২৬) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটনস্থ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে এক অনাড়ম্বর কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ