ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছেন প্রযুক্তি বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক। যারা অনলাইনে কনটেন্ট তৈরি করে আয় করতে চান, তাদের জন্য একটি বড় বার্তা দিয়েছেন তিনি। ইউটিউব বনাম এক্স আয় মাস্ক ইঙ্গিত দিয়েছেন, জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) থেকে শিগগিরই ইউটিউবের চেয়েও বেশি আয় করা সম্ভব হবে।
সম্প্রতি এক্স-এ এক ব্যবহারকারীর পোস্টের জবাবে এই আশাজাগানিয়া মন্তব্য করেন তিনি।
স্বচ্ছতা এবং গুণমানে জোর ইলন মাস্ক অকপটে স্বীকার করেছেন যে, এক্স-এর বর্তমান মনিটাইজেশন ব্যবস্থা এখনো কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের যথাযথ পারিশ্রমিক দেওয়ার মতো শক্তিশালী নয়। এ ক্ষেত্রে ইউটিউবের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক বেশি সুসংগঠিত ও কার্যকর।
তবে এই চিত্র পাল্টাতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাস্ক স্পষ্ট জানিয়েছেন, এক্স-এর রেভিনিউ শেয়ারিং মডেলে বড় পরিবর্তন আসছে। নতুন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতাই হবে মূল চাবিকাঠি। কোনো ধরনের ভুয়া এনগেজমেন্ট বা সিস্টেমের অপব্যবহার বরদাস্ত করা হবে না। শুধুমাত্র প্রকৃত দর্শক (Real audience), আসল ভিউ এবং মানসম্মত কনটেন্টের ওপর ভিত্তি করেই আয় নির্ধারিত হবে।
মাস্কের দাবি, এই স্বচ্ছ শর্তগুলো পূরণ করা গেলে এক্স-এ ক্রিয়েটরদের আয় ইউটিউবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন সম্ভাবনা মাস্কের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কনটেন্ট নির্মাতাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে:
- শক্তিশালী বিকল্প: ইউটিউবের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আয়ের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী বিকল্প প্ল্যাটফর্ম পাবে ক্রিয়েটররা।
- সবার জন্য সুযোগ: কেবল বড় তারকা নয়, ছোট ও মাঝারি মানের ক্রিয়েটররাও দ্রুত আয় শুরুর সুযোগ পাবেন।
- কনটেন্টের বৈচিত্র্য: শুধু ভিডিও নয়; টেক্সট, ছবিসহ সব ধরনের মানসম্মত কনটেন্ট থেকেই আয়ের পথ আরও প্রশস্ত হবে।
ইলন মাস্কের এই ঘোষণা ডিজিটাল কনটেন্ট দুনিয়ায় এক নতুন ও সুস্থ প্রতিযোগিতার আভাস দিচ্ছে। এক্স-এর এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিলে তা নিঃসন্দেহে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
সোর্স: বাংলাদেশ টাইম্স