বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অবাধ নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের পথে আরেকটি ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
রোববার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার উপায়, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।
জামায়াত সূত্র জানায়, উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভিত আরও মজবুত হবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, হেড অব পলিটিক্যাল টিম টিমোথি ডাকেট এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মিস কেট ওয়ার্ড।
অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয় পক্ষই মত প্রকাশ করেন, পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ নেবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন কূটনৈতিক যোগাযোগ বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়াতে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আগ্রহ ও সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুত্রঃ আমার দেশ





