জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ফেলানী দিবসে আগ্রাসন বিরোধী সংকল্প
গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ জনের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও চেক বিতরণ করা হয়। বিশেষ করে, জুলাই আন্দোলনের খবর সাহসিকতার সাথে তুলে ধরার স্বীকৃতিস্বরূপ ১০২ জন সাংবাদিককে প্রদান করা হয় ‘বার্তাবীর সম্মাননা’।
ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী বলেন, “শহীদ আবু সাঈদসহ সকল বীরদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা মুক্ত। যারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে।”
অন্যদিকে, ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ সরকারকে কড়া বার্তায় করে বলেন, “জুলাই শহীদদের বিচার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণাম হবে দ্বিতীয় জুলাই। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ আর চলতে দেওয়া হবে না।”
আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ডাক
সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন, “৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যার মাধ্যমে আমাদের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়েছিল। দিল্লি বা লন্ডনের আধিপত্য নয়, জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে পাড়ায় পাড়ায় শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।” তিনি আরও জানান, জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
সোর্স: ঢাকা মেইল