রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য চীনা ভাষা শেখার নতুন ও বিস্তৃত সুযোগ তৈরি করেছে। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এই কেন্দ্র দেশের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলসহ সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত চীনা ভাষা শিক্ষা গ্রহণের পথ সুগম করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ, চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, হোংহ্য ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ছেন চি ইয়াং, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলম।
চীনা ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, চীনা ভাষা শেখার মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে শিক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও শিল্প খাতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা বিবেচনা করলে দক্ষ চীনা ভাষাভাষী জনশক্তির চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উপস্থিত অতিথিরা আরও বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট শুধুমাত্র একটি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র নয়। এটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে যুক্ত হওয়ার একটি কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা:
- সরাসরি চীনের ভাষা, সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন
- উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ প্রাপ্তির সম্ভাবনা বাড়াবে
- পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও চীনভিত্তিক চাকরি ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চীনা ভাষা শেখার এই সুযোগ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা অর্জনে সহায়ক হবে।