শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

সূরা আসর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত| Surah Asr Bangla

বহুল পঠিত

সূরা আসর পরিচিতি

পবিত্র কুরআনের ১০৩ নম্বর এই সূরাটি মাত্র তিনটি আয়াত সমন্বিত। এর শব্দ সংখ্যা ১৪টি এবং অক্ষর সংখ্যা ৭০টি।

পরিচিতির তথ্যবিবরণ
সূরার নামআল-আসর (العصر)
নামের অর্থমহাকাল, সময়, অথবা আসরের সময়কাল
আয়াত সংখ্যা
অবতরণ স্থানমাক্কী (মক্কায় অবতীর্ণ)

সূরার নামের কারণ

‘আল-আসর’ শব্দের মূল অর্থ হলো সময় বা যুগ। সূরার প্রথম আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই সময়ের শপথ করেছেন। যেহেতু এই শপথের মাধ্যমেই সূরাটি শুরু হয়েছে, তাই এর নামকরণ করা হয়েছে সূরা আল-আসর। এই শপথ সময়ের গুরুত্ব, বিশেষত মানুষের জীবনকালের গুরুত্ব, তুলে ধরে।

সূরাটির মূল বার্তা

সূরা আসরের মূল বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট: মানবজাতি মহাক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তবে যারা চারটি গুণ অর্জন করবে- ঈমান, সৎকর্ম, সত্যের উপদেশ ও ধৈর্যের উপদেশ তারাই কেবল সফলকাম হবে এবং এই ক্ষতি থেকে মুক্তি পাবে।

নাযিলের পটভূমি

সূরা আসর এমন এক সময়ে নাযিল হয়েছিল যখন মক্কার সমাজে সময়ের কোনো মূল্য ছিল না এবং নৈতিকতা ছিল তলানিতে। মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষমতার লড়াই ও অনর্থক কাজে তাদের মহামূল্যবান জীবনকাল নষ্ট করছিল।

আরবদের কাছে “সময়ের শপথ” এর তাৎপর্য

আরব সমাজে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার আগে শপথ করার রীতি ছিল। আল্লাহ তাআলা যখন ‘সময়ের শপথ’ (ওয়াল আসর) করলেন, এর তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, মানুষের জীবনকালের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি দিন-রাত অত্যন্ত মূল্যবান একটি পুঁজি। এই পুঁজি (সময়) যদি সঠিকভাবে সৎকর্মে ব্যবহার করা না হয়, তবে এর পরিণতি হবে নিশ্চিত ক্ষতি।

ইমান, আমল, সত্য ও ধৈর্যের ওপর জোর

এই সূরাটি প্রাথমিক যুগের মুসলিমদের শিক্ষার মূল ভিত্তি ছিল। স্বল্প কথায় এটি এমন চারটি মৌলিক শর্ত দিয়েছে যা একজন ব্যক্তিকে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার পথে নিয়ে যায়। এটি মূলত:

  1. ব্যক্তিগত শুদ্ধি (ঈমান ও সৎকর্ম) এবং
  2. সামাজিক দায়িত্ব (সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ) এর ওপর সমানভাবে জোর দিয়েছে।

সূরা আসর আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও বাংলা অর্থ

পবিত্র কুরআনের এই সংক্ষিপ্ত সূরাটি অত্যন্ত মনোযোগ ও শুদ্ধতার সাথে পাঠ করা প্রয়োজন।

সূরা আসর আরবি

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

  1. وَالْعَصْرِ
  2. إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ
  3. إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ

সূরা আসর বাংলা উচ্চারণ | Surah Asr Bangla Uchcharon

  1. ওয়াল ‘আসর
  2. ইন্নাল ইনসা-না লাফিই খুস-র।
  3. ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূ ওয়া ‘আমিলুস সা-লিহা-তি, ওয়া তাওয়া-সাও বিল হাক্বকি, ওয়া তাওয়া-সাও বিস-সবর।

সূরা আসর বাংলা অর্থ | Surah Asr Bangla Meaning

আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

আয়াত সংখ্যাসহজ বাংলা অর্থ
শপথ মহাকালের (সময়ের)।
নিশ্চয় মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত।
কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে (ঈমান আনে), সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় আর পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়

সূরা আসর তাফসীর

এই সূরার তিনটি আয়াতে আল্লাহ্ মানুষের সফলতার রহস্য এবং ক্ষতির কারণ বর্ণনা করেছেন।

সময়ের কসম – গুরুত্ব

আল্লাহ তাআলা সময়ের শপথ করার মাধ্যমে সময়ের অসীম মূল্য এবং দ্রুত পরিবর্তনশীলতা তুলে ধরেছেন। মানুষের জীবনকাল একটি সীমিত পুঁজি যা ক্ষণিকের জন্য দেওয়া হয়েছে। এই সময় নষ্ট হওয়ার অর্থ হলো-পুঁজি হারিয়ে নিশ্চিত ক্ষতির দিকে ধাবিত হওয়া।

মানুষের ক্ষতির কারণ

দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ্ ঘোষণা করেছেন যে, মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে। এর কারণ হলো:

  • মানুষের জীবন ক্রমশ কমছে।
  • তাদের আমলনামায় গুনাহ বাড়ছে।
  • তারা তাদের মূল্যবান সময়কে অর্থহীন কাজে ব্যয় করছে।
  • সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার না করা মানে জীবনের ব্যবসায় লোকসান করা।

সফল মানুষের চার গুণ

ক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে মানুষকে অবশ্যই চারটি গুণের অধিকারী হতে হবে। এই গুণগুলো হলো সফলতার একমাত্র পথ:

  • ঈমান (বিশ্বাস): আল্লাহর প্রতি, রাসূলের প্রতি, ফেরেশতা, কিতাব, তাকদীর ও আখিরাতের প্রতি দৃঢ় ও বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করা। এটিই সফলতার মূল ভিত্তি
  • সৎকর্ম (আমাল সালেহ): ঈমানের দাবি অনুযায়ী নেক কাজ করা। অর্থাৎ, জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম নির্দেশিত ভালো কাজ করা। এটি হলো ব্যক্তিগত কর্ম
  • সত্যের উপদেশ (তাওয়া-সাও বিল হাক্ব): নিজে সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকার পাশাপাশি সমাজের অন্যকেও হক (সত্য/ন্যায়) প্রতিষ্ঠা এবং ইসলাম অনুসরণের উপদেশ দেওয়া। এটি হলো সামাজিক দায়িত্ববোধ
  • ধৈর্যের উপদেশ (তাওয়া-সাও বিস-সবর): সত্যের পথে চলতে গেলে বাধা, প্রলোভন ও বিপদ আসবে। এসব পরিস্থিতিতে নিজে ধৈর্য ধারণ করা এবং অপরকেও ধৈর্য ধারণের জন্য উৎসাহিত করা। এটি হলো সামাজিক স্থিরতাদৃঢ়তা

সূরা আসরের ফজিলত

১. সময়ের (যুগের) গুরুত্ব ও আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ

  • সূরার শুরুতে সময়ের শপথ এসেছে, কারণ:
    • মানুষের সব কাজ সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়
    • দিন–রাত, সময়ের পরিবর্তন, দীর্ঘ–স্বল্প সময়- আল্লাহর মহত্ব, প্রজ্ঞা ও কুদরতের নিদর্শন
    • তাই আল্লাহ সময়ের কসম করেছেন

২. মানবজাতির ক্ষতি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত

  • কসমের জওয়াবে বলা হয়েছে:
    • সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
    • জীবনভর মানবিক কষ্ট, পরিশ্রম, মৃত্যুর পর শাস্তির সম্ভাবনা-এগুলো মানুষের ক্ষতির প্রমাণ

৩. ক্ষতি থেকে মুক্তির জন্য ৪টি শর্ত

সূরা আসর মানুষকে ক্ষতি থেকে বাঁচার স্পষ্ট ৪টি পথ দেখিয়েছে:

(১) ঈমান

  • আল্লাহ, রাসূল, কিতাব, ফেরেশতা, আখিরাত ও তাকদীরের প্রতি সঠিক বিশ্বাস
  • ঈমান ছাড়া কোনো কাজ আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়

(২) সৎকর্ম

  • ঈমানভিত্তিক সব সৎকাজ
  • কুরআন–সুন্নাহর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করাই প্রকৃত আমল

(৩) হকের উপদেশ

  • সত্য, ন্যায়, তাওহীদ, কুরআন, শরীয়ত- এসবের উপর প্রতিষ্ঠিত কথা বলার নির্দেশ
  • মুসলিম সমাজে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধের গুরুত্ব

(৪) ধৈর্যের উপদেশ

  • গোনাহ থেকে বাঁচা
  • সৎকাজে অবিচল থাকা
  • বিপদে ধৈর্য রাখা
  • একে অপরকে ধৈর্য ও সাহস যোগানো

৪. সূরা আসর-উদ্ধার ও সফলতার সর্বোচ্চ নকশা

  • সূরা আসরে বর্ণিত চারটি গুণ হলো দুনিয়া–আখিরাতের ক্ষতি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়
  • ব্যক্তি ও সমাজ- উভয়ের সংশোধনের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা এই সূরায় রয়েছে
  • এ চার গুণ যার মধ্যে নেই-সে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত

সূরা আসর থেকে শিক্ষা

সূরা আসর থেকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলো গ্রহণ করা উচিত:

  • সময়ের মূল্য: সময় চলে গেলে আর ফিরে আসে না। তাই দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য সময়ের প্রতিটি মুহূর্তকে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা অপরিহার্য।
  • আমলের গুরুত্ব: কেবল ঈমানের দাবি করাই যথেষ্ট নয়; ঈমানকে অবশ্যই সৎকর্মের (আমাল সালেহ) মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।
  • নৈতিকতা, সত্য ও ধৈর্য: সত্যের পথে টিকে থাকা এবং ধৈর্য ধারণ করা ঈমানের দাবি। ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক জীবনেও ন্যায় ও ধৈর্যের চর্চা করা আবশ্যক।
  • মুসলিমদের সামাজিক দায়িত্ব: কেবল নিজের মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত না থেকে সমাজের অন্যদেরও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা প্রতিটি মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব। এটি দাওয়াত ইলাল্লাহ (আল্লাহর পথে আহ্বান) এর মৌলিক নির্দেশ।

শিশু ও নতুনদের জন্য সূরা আসর শেখার উপায়

খুব সহজে এবং আনন্দের সাথে এই সূরাটি শেখার জন্য কয়েকটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:

সহজ উচ্চারণ শেখার কৌশল

  • শুনে অনুকরণ: একজন শুদ্ধ কারীর (ক্বারী) তেলাওয়াত বারবার শুনে শুনে তার মতো করে উচ্চারণ করার চেষ্টা করা।
  • শব্দ ভেঙে পড়া: বড় শব্দ যেমন: ‘তাওয়া-সাওবিল হাক্বকি’ কে ভেঙে ভেঙে ‘তাওয়া-সাও’ + ‘বিল’ + ‘হাক্বকি’ এভাবে উচ্চারণ অনুশীলন করা।
  • নিয়মিত মুখস্থ: প্রতিদিন অল্প অল্প করে বারবার আবৃত্তি করা, বিশেষ করে নামাজের আগে।

অর্থ বুঝে মুখস্থ করা

আয়াতগুলো মুখস্থ করার সময় পাশে বাংলা অর্থটি রাখা এবং প্রতিবার তেলাওয়াতের সময় অর্থটি একবার মনে করে নেওয়া। এতে মনের মধ্যে আয়াতের বার্তাটি গেঁথে যাবে।

নিয়মিত অনুশীলনের পদ্ধতি

  • পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ছোট সূরা হিসেবে সূরা আসর পাঠ করা।
  • পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সাথে দেখা হলে বিদায়ের আগে একে অপরকে সূরাটি পাঠ করে শোনানো।

উপসংহার

সূরা আল-আসর হলো মানবজাতির জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সতর্কবাণী এবং একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের হাতে যে মূল্যবান সময় আছে, তা কাজে লাগিয়ে যদি ঈমান, সৎকর্ম, সত্যের উপদেশ ও ধৈর্যের উপদেশ- এই চারটি মৌলিক গুণ অর্জন না করি, তবে আমাদের পরিণতি হবে নিশ্চিত ক্ষতি।

দৈনন্দিন জীবনে এ সূরার প্রয়োগের অর্থ হলো:

  • সময়কে গুরুত্ব দিন: অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিয়ে ইবাদত ও জনকল্যাণে সময় ব্যয় করুন।
  • আমলকে শুদ্ধ করুন: নিয়মিত নামাজ, রোজা পালনের পাশাপাশি আচার-আচরণ ও লেনদেনকে সৎ রাখুন।
  • দাওয়াত দিন: নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি অন্যদেরকে ভালো কাজের আহ্বান করুন এবং খারাপ কাজ থেকে বারণ করুন।
  • ধৈর্যশীল হোন: জীবনের সকল চ্যালেঞ্জে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সবর বা ধৈর্য ধারণ করুন।

সূরা আসর সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

সূরা আসর কেন নাজিল হয়েছে?

মানুষকে মহাক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় বাতলে দিতে এবং জীবনের সফলতার মূলনীতি (ঈমান, সৎকর্ম, সত্যের উপদেশ ও ধৈর্যের উপদেশ) বর্ণনা করার জন্য এই সূরাটি নাযিল হয়েছে।

সূরা আসর মক্কী না মাদানী?

সূরা আল-আসর মাক্কী সূরা। এটি মক্কায় ইসলাম প্রচারের প্রাথমিক পর্যায়ে নাযিল হয়েছিল।

এ সূরার প্রধান শিক্ষা কী?

এর প্রধান শিক্ষা হলো: সময়ই মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, আর আখিরাতের সফলতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি অপরিহার্য গুণাবলী অর্জন ও তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

নামাজে সূরা আসর পড়া যায় কি?

হ্যাঁ, অবশ্যই যায়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাজসহ সকল নফল নামাজে সূরা আসর পাঠ করা মুস্তাহাব। এটি ছোট সূরা হওয়ায় নতুনদের জন্য নামাজের শেষে এটি পাঠ করা সহজ।

আরো পড়ুন

ব দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম অর্থসহ | B Diye Meyeder Islamic Name

আপনার ঘরে কি নতুন অতিথি আসছে? একটি ফুটফুটে কন্যা শিশু মানেই জান্নাতের সুসংবাদ। সন্তানের আগমনের খুশির সাথে সাথে বাবা-মায়ের সবচেয়ে আনন্দের দায়িত্ব হলো তার জন্য একটি সুন্দর, অর্থবহ এবং শ্রুতিমধুর নাম রাখা।

জানাজার নামাজের সঠিক নিয়ম সহ পূর্ণাঙ্গ গাইড | Janajar Namaz Bangla

মানুষ মরণশীল। প্রতিটি প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু ইসলাম ধর্মে মৃত্যু মানেই শেষ নয়, বরং এটি অনন্তকালের জীবনের শুরু। আমাদের কোনো আপনজন যখন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, তখন তার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় উপহার হলো "জানাজার নামাজ"।

রমজানের সময় সূচি ২০২৬, সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং বিস্তারিত

মুসলিম উম্মাহর জন্য রমজান মাস অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। এই মাসে সিয়াম সাধনা ফরজ হয়। সঠিক সময়ে সাওম পালন জরুরি। তাই সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী জানা প্রয়োজন। রমজানের সময় সূচি ২০২৬ নিচে দেওয়া হলো। এই তালিকাটি ঢাকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী তৈরি। অন্যান্য জেলায় সময় এক থেকে দুই মিনিট পরিবর্তন হতে পারে। আসুন জেনে নিই সেহরি ও ইফতারের দোয়া এবং তারিখ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ