শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬

ঐতিহাসিক গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান

বহুল পঠিত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যাচ্ছেন। এটি তার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। দীর্ঘদিন পর তিনি এই অফিস থেকে দল পরিচালনা শুরু করছেন। রোববার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের সূচনা হবে। নেতাকর্মীরা এই খবরে অত্যন্ত উৎফুল্ল। এর ফলে দলের ভেতর এক নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। তিনি নিয়মিত এখান থেকেই সব নির্দেশনা দেবেন। এটি বিএনপির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। সবাই তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হচ্ছেন। কার্যালয়টি সাজানো হয়েছে নতুন করে। দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এখান থেকেই আসবে। কর্মীরা মনে করছেন এতে ঐক্য বাড়বে।

মূল বিষয়সমূহ:

১. তারেক রহমান প্রথমবারের মতো গুলশান অফিসে যাচ্ছেন।

২. আজ থেকে তিনি নিয়মিত দলীয় কাজ পরিচালনা করবেন।

৩. রোববার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হবে।

৪. দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে তিনি বসবেন।

৫. নেতাকর্মীরা এই উদ্যোগে খুব খুশি।

৬. সাংগঠনিক কমান্ড এখন গুলশান থেকেই চলবে।

৭. এটি বিএনপির ভবিষ্যৎ কৌশলের জন্য জরুরি।

দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনৈতিক তৎপরতা

বিএনপির শীর্ষ নেতা গত বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন। এরপর থেকে তিনি অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন। শুক্রবার তিনি জিয়াউর রহমানের মাজারে যান। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ করেন। এরপর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। শনিবার তিনি শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। এছাড়া তিনি ভোটার হওয়ার আবেদন সম্পন্ন করেছেন। নির্বাচন কমিশনে গিয়ে তিনি এই কাজটি করেন। তার এই ধারাবাহিকতা সবাইকে চমকে দিয়েছে। তিনি কোনো সময় নষ্ট করছেন না। প্রতিটি মুহূর্ত তিনি দলের জন্য ব্যয় করছেন।

মূল বিষয়সমূহ:

১. গত বৃহস্পতিবার তিনি বাংলাদেশে এসেছেন।

২. তিনি স্বদেশে ফিরে ভাষণ দিয়েছেন।

৩. জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

৪. জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

৫. শনিবার শহীদ নেতার কবর পরিদর্শন করেন।

৬. নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার হন।

৭. তিনি খুব ব্যস্ত সময়সূচী পালন করছেন।

সাংগঠনিক কাঠামোতে আসছে নতুন গতি

গুলশান কার্যালয় থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্ব দেবেন। এতে দলের সাংগঠনিক কাজ আরও জোরদার হবে। সরাসরি তত্ত্বাবধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে। নেতাকর্মীরা এখন দ্রুত নির্দেশ পাবেন। এটি তাদের মনোবল বাড়িয়ে দেবে। বিএনপির সূত্রগুলো জানিয়েছে এই পরিবর্তন সময়োপযোগী। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল কমে আসবে। সবাই এক ছাদের নিচে কাজ করবেন। আগামী দিনে এই কার্যালয় কেন্দ্র হবে। সারা দেশ থেকে নেতারা যোগাযোগ করবেন। এতে দলের সমন্বয় বেড়ে যাবে। রাজনৈতিক মাঠ গরম থাকবে। বিরোধী দল হিসেবে তাদের ভূমিকা আরও স্পষ্ট হবে। সব মিলিয়ে এটি দলের জন্য ইতিবাচক।

মূল বিষয়সমূহ:

১. সাংগঠনিক কাজে নতুন গতি আসবে।

২. সরাসরি তত্ত্বাবধানে সুবিধা হবে।

৩. নেতাকর্মীরা দ্রুত নির্দেশ পাবেন।

৪. মনোবল বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

৫. দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল কমবে।

৬. সারা দেশের সাথে যোগাযোগ সহজ হবে।

৭. বিরোধী দলের ভূমিকা আরও জোরদার হবে।

প্রশ্ন ও উত্তর

১. তারেক রহমান কবে গুলশান কার্যালয়ে যাচ্ছেন?

উত্তর: আজ রোববার দুপুরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সেখানে যাচ্ছেন।

২. তিনি এখন থেকে কোথা থেকে দলের কাজ পরিচালনা করবেন?

উত্তর: বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে তিনি কাজ করবেন।

৩. তারেক রহমান দেশে কবে ফিরেছেন?

উত্তর: গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তিনি বাংলাদেশে এসেছেন।

৪. দেশে আসার পর তিনি কোথায় শ্রদ্ধা জানিয়েছেন?

উত্তর: তিনি জিয়াউর রহমানের কবর এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

৫. তারেক রহমান শনিবার কী কী করেছেন?

উত্তর: শনিবার তিনি শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত ও ভোটার হয়েছেন।

৬. তিনি কীভাবে ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনে গিয়ে তিনি এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন।

৭. এই কার্যালয় থেকে কাজ করার ফলে কী সুবিধা হবে?

উত্তর: এতে দলের সাংগঠনিক কাজে গতি আসবে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ