শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ২০২৬: নির্বাচনী তফসিলের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

বহুল পঠিত

আজ রবিবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন অতিবাহিত হলো। নির্বাচন কমিশন আজকের এই প্রক্রিয়া শেষে সারাদেশের তিনশ’ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারণ করবে। সারা দেশের রিটার্নিং এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা এই দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, জমা দেওয়া সব ফরম যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোনো আইনি ত্রুটি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এখন। বাছাই শেষে বৈধ ও বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রার্থীরা এই ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন। নির্বাচনী আইন অনুসরণ করেই সব কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।

১. আজ রবিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সরকারি সময়সীমার অবসান ঘটছে।

২. সারাদেশের তিনশ’ আসনের বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত হবে।

৩. রিটার্নিং কর্মকর্তারা যাচাই কাজে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছেন।

৪. প্রার্থীদের দাখিল করা কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা হয়েছে গভীর মনোযোগ দিয়ে।

৫. তফসিল অনুযায়ী যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর।

৬. বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী দিনে আপিল করার সুযোগ পাবেন আইনানুসারে।

৭. নির্বাচন কমিশন এই তথ্য সবাইকে অবহিত করবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে।

রাজধানীর চিত্র: ঢাকার ২০ আসনে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ

রাজধানী ঢাকার বিশটি সংসদীয় আসনে মোট দুইশ আটত্রিশ জন মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল আগে। এর মধ্যে একশ ষাট একজন প্রার্থীর ফরম বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আটি একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে বাতিল করা হয়েছে। ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আনুষ্ঠানিকভাবে। বেশ কিছু জনপ্রিয় এবং পরিচিত মুখের ফরম বাতিল হওয়ায় হতাশা দেখা দিয়েছে। ঋণ খেলাপি, হলফনামায় তথ্য গোপন বা ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে তারা এখন প্রচারণার পরিকল্পনা করছেন। তবে বাতিল হওয়ারা আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করে শেষ চেষ্টা চালাবেন।

১. ঢাকার বিশটি আসনের বাছাই প্রক্রিয়ায় মোট অংশগ্রহণকারী ছিলেন দুইশ আটত্রিশ জন।

২. একশ ষাট একজন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পেয়েছেন সব বাধা অতিক্রম করে।

৩. আটি একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তাদের নির্বাচনী লড়াই থেমে গেছে সাময়িকভাবে।

৪. ত্রুটিপূর্ণ তথ্য দেওয়া বা আইনি বাধা থাকায় এই বাতিলের সিদ্ধান্ত এসেছে।

৫. রাজধানীর আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময়ই অত্যন্ত তীব্র এবং উত্তপ্ত হয়ে থাকে।

৬. বৈধ প্রার্থীরা এখন থেকেই নির্বাচনী প্রচারণায় মনোযোগ দেবেন পূর্ণোদ্যমে।

৭. বাদ পড়া প্রত্যাশীরা কমিশনে আপিল করে তাদের অধিকার আদায়ের চেষ্টা করবেন।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষে ফলাফল প্রকাশ করবে প্রধান নির্বাচন কমিশন বা ইসি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের প্রতিবেদন জমা দেবেন। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইসি সার্বিক তথ্য সমন্বয় করবে দক্ষতার সাথে। স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে কমিশন সদা তৎপর রয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হলে তা দেখা হবে কঠোরভাবে। আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ নিশ্চিত করতে ইসি প্রস্তুত রয়েছে। আগামী দিনের নির্বাচনী তফসিল মেনে সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখা কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।

১. রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো প্রতিবেদন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করবে ইসি।

২. ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

৩. সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সমাদৃত।

৪. প্রার্থীদের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে আপিল প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে।

৫. যাচাই-বাছাইয়ের সময় কোনো প্রভাব বিস্তার করা যাবে না কোনোভাবেই।

৬. নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

৭. আগামী নির্বাচন উপলক্ষে বাকি থাকা সব ধাপ সফল করতে ইসি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আপিল দাখিলের নির্ধারিত সময়সূচি ও প্রক্রিয়া

তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুরু হবে আগামী ৫ জানুয়ারি। রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে যারা অসন্তুষ্ট তারা আপিল করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনে এই আপিল গ্রহণ করা হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। আগামী নবম জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দাখিল করার সুযোগ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করতে পারবেন। আইনজীবীদের মাধ্যমে এই আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। প্রার্থীদের নির্বাচনী আইন মেনে আপিল করতে হবে অবশ্যই। সঠিক কাগজপত্র দাখিল না করলে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না। অনেকেই এই সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

১. আগামী পঞ্চম জানুয়ারি থেকে আপিল দাখিলের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

২. বাতিল হওয়া মনোনয়নের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে।

৩. নবম জানুয়ারি পর্যন্ত আপিলকারীদের সময়সীমা বরাদ্দ করা হয়েছে।

৪. আইনি সহায়তা নিয়ে প্রার্থীরা তাদের আপিল গঠন করতে পারবেন।

৫. আপিল ফাইলে সঠিক তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা বাধ্যতামূলক।

৬. নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আপিল গ্রহণ করা হবে না ইসির পক্ষ থেকে।

৭. এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে কোনো প্রার্থী অন্যায়ভাবে বাদ পড়বেন না।

আপিল শুনানি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়সীমা

দশম জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আপিলের শুনানি ও নিস্পত্তি সম্পন্ন হবে। নির্বাচন কমিশন এই সময়ের মধ্যে সব আপিল খতিয়ে দেখবে। প্রার্থী এবং তাদের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। যুক্তি উপস্থাপনের পর কমিশন চূড়ান্ত আদেশ জারি করবে। কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হলে বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার সুযোগ আছে। অন্যদিকে, আপিল খারিজ হলে প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে। এই সময়টি নির্বাচনী তফসিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কমিশন সব আপিলের দ্রুত নিস্পত্তির চেষ্টা করবে সময়মতো। এরপরই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে আনুষ্ঠানিকভাবে।

১. দশম জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আপিলগুলোর আনুষ্ঠানিক শুনানি কার্যক্রম।

২. আঠারোই জানুয়ারির মধ্যে সব আপিলের বিচারকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

৩. প্রার্থীরা তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন এই শুনানিতে।

৪. যথার্থ কারণ প্রমাণিত হলে বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

৫. অপ্রমাণিত আপিল খারিজ হলে প্রার্থী আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

৬. নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তগুলো নেবে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া মেনে।

৭. এই ধাপ শেষে প্রতীক বরাদ্দ এবং প্রচার শুরু করা সম্ভব হবে।

ভোটের দিন ও গণতান্ত্রিক উৎসবের প্রস্তুতি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সারাদেশে একযোগে গণভোটের আয়োজন করা হবে। চূড়ান্ত প্রার্থীরা এখন থেকেই নির্বাচনী মাঠ তৈরি শুরু করে দেবেন। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রশাসন প্রস্তুতি নিচ্ছে ইতিমধ্যেই। একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সবাই মিলে কাজ করবে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে শীঘ্রই। গণতন্ত্র সুরক্ষিত রাখতে এই নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। সব দলের অংশগ্রহণ নির্বাচনকে করবে বর্ণাঢ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক।

১. আগামী বারোই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

২. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটগ্রহণের তারিখ এটি।

৩. প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন নির্দিষ্ট আচরণবিধি মেনে।

৪. আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিরাপদ রাখতে নিয়োজিত থাকবে।

৫. জনগণের সরাসরি ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।

৬. রাজনৈতিক দলগুলো জয়ের মালা পেতে মরিয়া হয়ে লড়বে মাঠে।

৭. একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে রাষ্ট্র ও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গণতন্ত্র ও স্বচ্ছ ভোটের প্রতি আস্থা রক্ষা

নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ সুষ্ঠু হওয়া গণতন্ত্রের জন্য অত্যাবশ্যক। মনোনয়ন যাচাই থেকে শুরু করে ভোট গণনা পর্যন্ত সব কিছু নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ওপর সবার আস্থা রয়েছে এই মুহূর্তে। সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যম নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে সার্বক্ষণিকভাবে। কোনো প্রকার কারচুপি বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না কোনোভাবেই। ভোটারদের উপস্থিতি নির্বাচনের সাফল্য নির্ধারণ করে। প্রার্থীদেরও দেশের স্বার্থে সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই নির্বাচন ভূমিকা রাখবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সব মহলের সহযোগিতায় একটি উৎসবমুখর ভোট অনুষ্ঠানের স্বপ্ন দেখছে জাতি। সামনের দিনগুলোতে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র।

১. সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

২. নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের বিশ্বাস অটুট রাখতে হবে দায়িত্বশীলদের।

৩. নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে সব মহলে।

৪. গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি স্বচ্ছতার জন্য।

৫. ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে এসে নির্ভয়ে ব্যালট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক এবং প্রত্যাশিত।

৭. একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জাতীয় উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা আনবে।

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন কবে?

উত্তর: আজ রবিবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৬, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন। এর মাধ্যমে ৩০০ আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।

প্রশ্ন: ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে মোট কতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে?

উত্তর: ঢাকার ২০টি আসনে মোট ২৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রশ্ন: নির্বাচন কমিশনে আপিল করার নির্ধারিত সময়সূচি কী?

উত্তর: আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল গ্রহণ শুরু হবে এবং এই আপিল করা যাবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।

প্রশ্ন: আপিলের শুনানি ও নিস্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশন কত তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে?

উত্তর: ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আপিল শুনানি এবং নিস্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশ্ন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কত তারিখে?

উত্তর: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রশ্ন: ঢাকায় কতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে?

উত্তর: রাজধানীর ২০টি আসনে ২৩৮ জনের মধ্যে ৮১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

প্রশ্ন: মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দায়িত্বে কারা থাকেন?

উত্তর: রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ