আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের লা ভিতা হলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শিরোনামে ৩৬ দফা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘৩৬ জুলাই’-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শিরোনামে প্রকাশিত এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ৩৬টি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারে নতুন বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা হিসেবে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এতে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা, অন্যায়-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহারে
এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে-
দেশের তরুণ সমাজকে নেতৃত্বে আনতে রাষ্ট্রীয় নীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তাদের রাজনীতির মূল ভিত্তি।
এ ছাড়া দুর্নীতিবিরোধী কঠোর ব্যবস্থা, চাঁদাবাজিমুক্ত প্রশাসন এবং নাগরিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহারে।
ইশতেহার ঘোষণায় উপস্থিত শীর্ষ নেতারা
ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যা এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে।
ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা
নেতারা জানান, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়—বরং একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা। তারা বলেন, জনগণের সঙ্গে চুক্তি হিসেবেই এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে, যার বাস্তবায়ন হবে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
এনসিপির পূর্ণ ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার দেখতে ক্লিক করুন: ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার





