সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫ আজ শুক্রবার সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আয়োজিত এই লিখিত পরীক্ষাকে ঘিরে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১টি জেলায় একসঙ্গে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার প্রার্থী—যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পদের তুলনায় প্রার্থী: কঠিন হলেও আশার আলো
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী,
মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি।
অর্থাৎ, প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।
দুই ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
প্রথম ধাপ:
- ৬টি বিভাগ
- শূন্য পদ: ১০,২১৯টি
- আবেদনকারী: ৭,৪৫,৯২৯ জন
দ্বিতীয় ধাপ:
- ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ
- শূন্য পদ: ৪,১৬৬টি
- আবেদনকারী: ৩,৩৪,১৫১ জন
এই বিশাল অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—প্রাথমিক শিক্ষকতা এখনও দেশের তরুণ সমাজের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ও সম্মানজনক পেশাগুলোর একটি।
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর কেন?
- দীর্ঘদিন পর বড় পরিসরে শিক্ষক নিয়োগ
- স্বচ্ছ ও কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা আয়োজন
- সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুবর্ণ সুযোগ
- নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য
আজকের এই পরীক্ষা অনেকের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেও হাজারো প্রার্থী তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছেন।