রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনী: রাজনীতির ঊর্ধ্বে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ

বহুল পঠিত

সশস্ত্র বাহিনীর সাংবিধানিক অবস্থান

সংবিধানে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে উল্লেখ আছে। বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সাংবিধানিক কাঠামোতে বাহিনীকে বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের অধীনে রাখা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ। এই কাঠামো নিশ্চিত করে যে বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে। সাংবিধানিক বিধানগুলো সশস্ত্র বাহিনীর কর্তব্য ও ক্ষমতার সীমা নির্দিষ্ট করে। এই সীমাবদ্ধতা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক বাহিনীর ভূমিকা

গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক বাহিনীর প্রধান ভূমিকা হলো প্রতিরক্ষা। বাহিনী বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতেও সাহায্য করে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাহিনী সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না। তারা নির্বাচিত সরকারের প্রতি অনুগত থাকে। সামরিক বাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তাদের ভূমিকা অপরিহার্য। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। এসব কাজের মাধ্যমে বাহিনী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমর্থন করে।

বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব

বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। এটি সামরিক বাহিনীকে জবাবদিহিমূলক করে তোলে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকার বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে। সংসদীয় কমিটি বাহিনীর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। বাজেট অনুমোদনের মাধ্যমে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হয়। বেসামরিক কর্মকর্তারা গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান। সামরিক আইন বেসামরিক আইনের অধীনে থাকে। বাহিনীর সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ। বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ বাহিনীর পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে।

সামরিক পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতা

সামরিক পেশাদারিত্ব বাহিনীর মূল ভিত্তি। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা। সামরিক সদস্যদের সাংবিধানিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হয়। তাদের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে হয়। প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সামরিক নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। বাহিনীর সদস্যদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তাদের মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। সামরিক পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করে যে বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে। এটি জাতীয় ঐক্য রক্ষায় সহায়ক।

আন্তর্জাতিক উদাহরণ ও শিক্ষা

বিশ্বের অনেক দেশে সশস্ত্র বাহিনী রাজনীতির ঊর্ধ্বে রয়েছে। যুক্তরাজ্যে সামরিক বাহিনী রানীর প্রতি অনুগত। তারা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না। জার্মানিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সামরিক বাহিনীকে দৃঢ়ভাবে বেসামরিক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তুরস্কে অতীতে সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ হিসেবে তারা বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ মেনে চলছে। ভারতে সামরিক বাহিনী দৃঢ়ভাবে বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের অধীনে। পাকিস্তানে বারবার সামরিক শাসন দেশের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে। এসব উদাহরণ থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।

বাংলাদেশে সামরিক-রাজনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস

বাংলাদেশের ইতিহাসে সামরিক-রাজনৈতিক সম্পর্ক জটিল। ১৯৭৫ সালের পর দেশে সামরিক শাসন শুরু হয়। জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সামরিক শাসক ছিলেন। ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মাধ্যমে সামরিক শাসনের অবসান হয়। তারপর থেকে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলছে। তবে বিভিন্ন সময়ে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা উঠেছে। ২০০৭-২০০৮ সালে জরুরি অবস্থায় সেনাবাহিনীর প্রভাব বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে কাজ করছে। বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ একাডেমিগুলোতে সাংবিধানিক শিক্ষা দেওয়া উচিত। সামরিক সদস্যদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা শিক্ষা দিতে হবে। তাদের মানবাধিকারের গুরুত্ব বোঝাতে হবে। বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে হবে। রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক আইন শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গণতান্ত্রিক চর্চা সম্পর্কে জানতে হবে। প্রশিক্ষণে নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এতে বাহিনী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অনুসরণ করবে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার সম্পর্ক

জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সম্পর্কিত। সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা। রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করলে এই দায়িত্ব পালন সহজ হয়। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বাহিনী দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে। তারা জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বাহিনীর মনোবল দুর্বল করে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে। রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনে সাহায্য করে। এটি জাতীয় ঐক্য রক্ষায় সহায়ক। সুতরাং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।

সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার প্রস্তাব

সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে কিছু প্রস্তাব দেওয়া যায়। প্রথমত, সাংবিধানিক বিধানগুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সংসদীয় তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তৃতীয়ত, বাহিনীর সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। চতুর্থত, বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পঞ্চমত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে হবে। ষষ্ঠত, বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। সপ্তমত, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে। অষ্টমত, জনগণের মধ্যে গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক সংকট বাহিনীকে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারে। সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা বাহিনীর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক চাপ ও প্রভাব আরেকটি চ্যালেঞ্জ। তবে সম্ভাবনাও আছে। বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হচ্ছে। জনগণের গণতান্ত্রিক চেতনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা সম্ভব।

প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি গণতন্ত্র রক্ষা করে। এটি বেসামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।

প্রশ্ন ২: সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব কী?

উত্তর: সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করা। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করা।

প্রশ্ন ৩: বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়?

উত্তর: বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকার বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সংসদীয় কমিটি বাহিনীর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারে। বাজেট অনুমোদনের মাধ্যমে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা যায়।

প্রশ্ন ৪: সামরিক পেশাদারিত্বের উপাদানগুলো কী কী?

উত্তর: সামরিক পেশাদারিত্বের উপাদানগুলো হলো শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা। সাংবিধানিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা।

প্রশ্ন ৫: বাংলাদেশে সামরিক-রাজনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস কেমন?

উত্তর: বাংলাদেশের ইতিহাসে সামরিক-রাজনৈতিক সম্পর্ক জটিল। ১৯৭৫ সালের পর দেশে সামরিক শাসন শুরু হয়। জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সামরিক শাসক ছিলেন। ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মাধ্যমে সামরিক শাসনের অবসান হয়। তারপর থেকে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলছে।

প্রশ্ন ৬: সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করা কেন প্রয়োজন?

উত্তর: সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন কারণ এটি বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে সাহায্য করে। এটি বাহিনীকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অনুসরণ করতে শেখায়। এটি বাহিনীকে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে কাজ করতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৭: জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার সম্পর্ক কী?

উত্তর: জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সম্পর্কিত। রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করলে সশস্ত্র বাহিনী দক্ষতার সাথে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বাহিনীর মনোবল দুর্বল করে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে।

প্রশ্ন ৮: সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?

উত্তর: সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার জন্য সাংবিধানিক বিধানগুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে। সংসদীয় তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। বাহিনীর সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। বাহিনীর প্রশিক্ষণে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন ৯: ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতে পারে?

উত্তর: ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে রাজনৈতিক অস্থিরতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। অর্থনৈতিক সংকট বাহিনীকে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারে। সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা বাহিনীর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক চাপ ও প্রভাব আরেকটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

আরো পড়ুন

আন্তর্জাতিক গবেষণার মঞ্চে আবারও বাংলাদেশের গর্ব: বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ড. সাইদুর রহমান

আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিশ্বমঞ্চে আবারও উজ্জ্বলভাবে উচ্চারিত হলো বাংলাদেশের নাম। মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখে লাল-সবুজের পতাকাকে আরও একবার গর্বের সঙ্গে উঁচিয়ে ধরেছেন।

ঢাকায় ফিরছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচিত হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন (Brent Christensen)। গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি, ২০২৬) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটনস্থ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে এক অনাড়ম্বর কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ