ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে চিরাচরিত পোস্টার-মিছিলের গণ্ডি ভেঙে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী প্রচারণায় নেমেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম।
শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে সার্কাস দলের সদস্যদের নিয়ে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।
তিন আসনে ২১ প্রার্থী, প্রচারণায় বাড়ছে গতি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২১ জন প্রার্থী।
এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের ১৭ জন দলীয় প্রার্থী এবং ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় জেলার সর্বত্রই বেড়েছে প্রচারণার ব্যস্ততা। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, পাশাপাশি নতুন নতুন কৌশলে ভোটের মাঠে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।
সার্কাস প্রচারণায় মুগ্ধ স্থানীয়রা
ভিন্নধর্মী এই প্রচারণা দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মরিয়ম আক্তার ও আছমা আক্তার বলেন,
“এমন প্রচারণা আমরা আগে কখনো দেখিনি। দেখতে খুব ভালো লেগেছে। সার্কাস দলের সঙ্গে ছবি তুলেছি। প্রচারণাটা আনন্দদায়ক, সত্যিই ভোটের একটা উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”
তরুণ ভোটারদের চোখে ‘আসল নির্বাচনের অনুভূতি’
তরুণ ভোটার কবির হোসেন বলেন,
“আগের নির্বাচনগুলোতে তেমন প্রচারণা দেখা যায়নি। অনেকটাই ডামি ছিল। দীর্ঘদিন পর বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের এমন ব্যতিক্রমী প্রচারণা দেখে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে সত্যিকারের একটা নির্বাচন সামনে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, সার্কাস দলের কসরত দেখতে মানুষের ভিড় হচ্ছে এবং সবাই বেশ আনন্দ পাচ্ছে।
সার্কাস দলের বক্তব্য
বগুড়া থেকে আসা ‘সোনার বাংলা সার্কাস’ দলের প্রধান সুশান্ত মোদক বলেন,
“আমরা বিএনপি প্রার্থী আসলামের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছি। রনপা, এক চাকার সাইকেল, জাগলান, বায়োস্কোপসহ নানা বিনোদনমূলক আয়োজন করছি। খেলাধুলা ও কসরতের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।”
প্রার্থীর ভাষ্য
এ বিষয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেন,
“দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ভোটারদের আনন্দ দিতে এবং তাদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতেই আমরা ব্যতিক্রমী এই প্রচারণার উদ্যোগ নিয়েছি।”
সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন





