বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬

শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০২৫: নতুন নিয়মে সহজ হলো ব্যবসা

বহুল পঠিত

বিধিমালা প্রণয়নের পটভূমি ও ঘোষণা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে এই নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে। সমুদ্র ও নৌবন্দরে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এনবিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরেছে। মূলত প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন কাস্টমস স্টেশন থেকে এখন এই লাইসেন্স ইস্যু করা হবে।

  • জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নতুন প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়েছে।
  • ২০২৫ সালের শেষে এই বিধিমালা চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে।
  • সমুদ্র ও নৌবন্দর সংশ্লিষ্ট সব কাস্টমস স্টেশনে এটি প্রযোজ্য হবে।
  • লাইসেন্স ইস্যুতে পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
  • এনবিআর এর পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
  • শিপিং খাতে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
  • এই নিয়মাবলী বাস্তবায়নে কাস্টমস অধিদপ্তর সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্য

বর্তমান সরকার দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সেই লক্ষ্যেই এই নতুন বিধি প্রণয়ন করেছে। আমদানি এবং রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও সহজতর করা এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। ব্যবসায়ীরা যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। রাজস্ব বোর্ডের বিদ্যমান বিভিন্ন প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাণিজ্যিক পরিবেশকে আরও গতিশীল করবে। দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার জন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • বাণিজ্যিক কার্যক্রম সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
  • দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এনবিআর অঙ্গীকারাবদ্ধ।
  • আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও সহজ করা হবে।
  • ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে রাজস্ব বোর্ড নিয়তিই কাজ করে যাচ্ছে।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করা হবে।
  • রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা আনয়নে এটি এক বড় মাইলফলক।

পুরনো প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ

এর আগে শিপিং এজেন্টদের জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিধিমালা ছিল না। তাই তাদের কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ অনুসরণ করতে হতো। এতে নানা ধরনের জটিলতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হতো। প্রকৃত শিপিং ব্যবসার সাথে কাস্টমস বিধির অনেক মিল না থাকায় সমস্যা দেখা দিত। লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ছিল একটি বড় বাধা। এছাড়া প্রতিটি কাস্টমস স্টেশনের জন্য আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হতো। এই অস্পষ্টতা নতুন উদ্যোক্তাদের দমিয়ে রাখত। ফলে খাতটিতে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছিল এবং সেবার মান নিম্নগামী হচ্ছিল।

  • স্বতন্ত্র বিধিমালার অভাবে জটিলতা সৃষ্টি হতো।
  • কাস্টমস এজেন্ট বিধি ২০২০ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক ছিল।
  • শিপিং এজেন্টদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা ছিল না।
  • পুরনো পদ্ধতিতে অনেক বৈষম্য ও হয়রানির অভিযোগ ছিল।
  • নীতিগত অস্পষ্টতা ব্যবসায়িক প্রসারে বাধা দিচ্ছিল।
  • লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া ছিল অনেক বেশি জটিল ও দীর্ঘ।
  • খাতটির উন্নয়নে আধুনিক ও যুগোপযোগী নিয়ম প্রয়োজন ছিল।

স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা

শিপিং এজেন্টদের কাজের ধরন এবং পরিধি কাস্টমস এজেন্টদের থেকে অনেকটাই আলাদা। তাই তাদের জন্য আলাদা নিয়ম প্রণয়ন করা ছিল সময়ের দাবি। শিপিং এজেন্ট সংক্রান্ত কার্যাবলী পরিচালনা সহজ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুগোপযোগী ও আধুনিক বিধিমালা তৈরির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করা সম্ভব হবে। এই নতুন নিয়মাবলী সেক্টরভিত্তিক চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করবে। ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এখন আর কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না। এটি সমগ্র শিপিং ইন্ডাস্ট্রিকে একটি পেশাদার কাঠামো প্রদান করবে। ফলে এই খাতের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

  • শিপিং এজেন্টদের কাজের সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
  • পৃথক বিধিমালা তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াবে।
  • কার্যাবলী পরিচালনা অনেক বেশি সহজ ও স্বচছ হবে।
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সাহায্য করবে।
  • পুরনো জটিলতাগুলো দূর করে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
  • এটি শিপিং খাতকে একটি প্রফেশনাল রূপ দিতে সক্ষম।
  • সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী বাস্তবায়নে সকলের সুবিধা হবে।

লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণে স্বাধীনতা

পূর্ববর্তী সময়ে কোনো কাস্টমস স্টেশনে কতজন শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স পাবেন তা নির্ধারণের ক্ষমতা ছিল এনবিআর-এর হাতে। এর ফলে অনেক সময় উপযুক্ত ব্যক্তিরাও লাইসেন্স পেতে ব্যর্থ হতেন। নতুন বিধিমালায় এই বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন নেই। ফলে যোগ্য যে কেউ এখন এই পেশায় আসতে পারবেন। বাজারের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এখন লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এতে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি হবে।

  • এনবিআর থেকে লাইসেন্স সংখ্যার আগাম অনুমোদন লাগবে না।
  • কাস্টমস স্টেশন নিজেরাই এখন লাইসেন্স দিতে পারবে।
  • বাধাগ্রস্ত নীতি পরিবর্তনের ফলে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে।
  • যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য এখন সুযোগ সমানভাবে উন্মুক্ত।
  • বাজারের চাহিদা অনুযায়ী লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারিত হবে।
  • এটি মূলত একটি উন্মুক্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করবে।
  • কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন বাড়ানো হয়েছে।

পরীক্ষামুক্ত লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া

এতদিন পর্যন্ত শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স পেতে হলে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট একাডেমির পরীক্ষায় বসতে হতো। এতে লিখিত এবং মৌখিক উভয় ধরনের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হতো আবেদনকারীকে। অনেক ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য এই পরীক্ষাগুলো বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী আর কোনো ধরনের লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে না। এটি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর। এখন শুধুমাত্র দলিলাদি যাচাইয়ের মাধ্যমেই লাইসেন্স দেওয়া হবে। এতে সময় এবং উভয় বাঁচবে এবং প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।

  • লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আর একাডেমির পরীক্ষা দিতে হবে না।
  • আবেদনকারীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
  • ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এখন সুযোগ বেশি হবে।
  • পরীক্ষার বোঝা কমে যাওয়ায় আগ্রহ বাড়বে।
  • যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু দলিলপত্র যথেষ্ট বিবেচনা করা হবে।
  • এই পদ্ধতি নতুন উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করতে সাহায্য করবে।
  • প্রক্রিয়া সহজীকরণের ফলে সময় ও খরচ দুটোই কমে আসবে।

দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স প্রদান

আগে লাইসেন্স পেতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো আবেদনকারীদের। প্রশাসনিক জটিলতা এবং বিভিন্ন ধাপের কারণে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘসূত্রিত হতো। নতুন বিধিমালায় এই সমস্যারও সমাধান করা হয়েছে। এখন দাখিলকৃত দলিলাদি সঠিক পেলে সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা, যার ফলে আবেদনকারীরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। কর্তৃপক্ষকেও এখন দ্রুত কাজ করতে হবে। এই টাইমলাইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করা এখন অনেক বেশি সহজ হবে।

  • লাইসেন্স ইস্যুতে সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • দলিলাদি ঠিক থাকলে খুব দ্রুতই অনুমোদন মিলবে।
  • দীর্ঘদিন অপেক্ষার ভোগান্তি এখন আর থাকছে না।
  • নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
  • আবেদনকারীরা এখন দ্রুত তাদের কাজ শুরু করতে পারবেন।
  • প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে এই সময়সীমা বড় ভূমিকা রাখবে।
  • ব্যবসায়িক যাত্রা শুরু করতে আর দীর্ঘ সময় লাগবে না।

সার্বজনীন বা জাতীয় পর্যায়ে লাইসেন্সের বৈধতা

পূর্ববর্তী বিধি অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট কাস্টমস স্টেশন থেকে ইস্যুকৃত লাইসেন্স শুধুমাত্র ওই বন্দরেই কাজ করার সুযোগ দিত। অন্য কোনো সমুদ্র বা নৌবন্দরে ওই লাইসেন্স ব্যবহার করা যেত না। এটি ছিল একটি বড় সীমাবদ্ধতা, যা ব্যবসার পরিধি কমিয়ে দিত। কিন্তু নতুন বিধিমালা এই ধারণার পরিবর্তন এনেছে। এখন একটি লাইসেন্স নিয়েই সারা বাংলাদেশের যে কোনো সমুদ্র বা নৌ-বন্দরে কাজ করা যাবে। এতে ব্যবসায়িক সুযোগ অনেক গুণ বেড়ে যাবে।

  • লাইসেন্সধারী এখন দেশের যেকোনো বন্দরে কাজ করতে পারবেন।
  • আগে নির্দিষ্ট বন্দরের জন্য আলাদা লাইসেন্সের প্রয়োজন ছিল।
  • সারাদেশে ব্যবসা পরিচালনার স্বাধীনতা এখন নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • একাধিক বন্দরে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
  • নতুন নিয়মে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না।
  • জাতীয় পর্যায়ে স্বাধীনভাবে ব্যবসা পরিচালনা সম্ভব হবে।
  • এক লাইসেন্সেই মূলত সব বন্দরের সেবা গ্রহণ করা যাবে।

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সহজীকরণ

শিপিং এজেন্টরা আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের অপরিহার্য অংশ। তাদের কাজে গতি আনলে পুরো বাণিজ্যিক কারবারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। নতুন বিধিমালা বাস্তবায়নের ফলে পণ্য খালাস এবং লোডিং প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে। ব্যবসায়ীরা এখন তাদের পণ্যের হিসাব ও গতিপথ আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। দক্ষ শিপিং এজেন্টের উপস্থিতি বাড়লে পোর্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এটি পণ্যের ডেলিভারি সময় কমিয়ে আনবে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও বাড়বে।

  • আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে।
  • বন্দরে পণ্য খালাসের সময় কমে আসবে।
  • ব্যবসায়ীরা তাদের কার্গো ট্র্যাকিং ভালোভাবে করতে পারবেন।
  • শিপিং খাতে স্বচ্ছতা বাড়লে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ বোধ করবেন।
  • বাণিজ্যিক খরচ হ্রাস পেতে পারে দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে।
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত হবে।
  • সামগ্রিকভাবে লজিস্টিক সেক্টরের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

কাস্টমস স্টেশনের ভূমিকা ও দায়িত্ব

নতুন বিধিমালায় কাস্টমস স্টেশনগুলোর ওপর বেশি দায়িত্ব ও ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে। তারা এখন স্বাধীনভাবে যোগ্য আবেদনকারীদের বাছাই করতে পারবেন। লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকা এখন সরাসরি। এতে স্থানীয় পর্যায়ে সেবার মান বাড়বে। কাস্টমস কর্মকর্তাদের এখন আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। দলিল যাচাই এবং ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া তাদের সততার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। এই বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়া মাঠ পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করবে। ফলে দুর্নীতির সুযোগ কমে আসবে এবং সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

  • কাস্টমস স্টেশনগুলো এখন সরাসরি লাইসেন্স ইস্যু করতে পারবে।
  • স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বেড়েছে।
  • দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তাদের ভূমিকা অপরিহার্য।
  • দলিপত্র যাচাইয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দক্ষতা বাড়বে।
  • বিকেন্দ্রীকরণের ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
  • মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব এখন আরও স্পষ্ট।
  • এটি প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ

যে কোনো সংস্কারের মূল লক্ষ্য থাকে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৫ এর মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরির মাধ্যমে একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধ হবে। সবাই সমান সুযোগ পাবে এবং নিয়ম মেনেই ব্যবসা করতে হবে। এতে দুর্নীতির সুযোগ কমে আসবে এবং সেবার মান বাড়বে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিধিমালায় স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কোনো পক্ষই ইচ্ছেমতো কাজ করতে পারবে না। এটি সুশাসনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।

  • প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একচেটিয়া প্রভাব দূর হবে।
  • সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • নির্দিষ্ট নিয়মাবলী মেনে ব্যবসা পরিচালনা বাধ্যতামূলক হবে।
  • অনিয়মিততা ও দুর্নীতি রোধে এই বিধি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
  • লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়নে কোনো আপস করা হয়নি।
  • সেবা গ্রহীতারা এখন আরও স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য সেবা পাবেন।
  • এই সংস্কার সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করবে।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৫ কে জারি করেছে?

উত্তর: বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এই বিধিমালা জারি করেছে।

২. এই নতুন বিধিমালা কবে থেকে কার্যকর হবে?

উত্তর: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হয়েছে।

৩. লাইসেন্স পেতে এখন আর কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না?

উত্তর: না, এখন আর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট একাডেমির লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।

৪. শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স পেতে কতদিন সময় লাগবে?

উত্তর: দলিলাদি সঠিক থাকলে সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদান করা হবে।

৫. একটি লাইসেন্স দিয়ে কি সব বন্দরে কাজ করা যাবে?

উত্তর: হ্যাঁ, একটি লাইসেন্সের মাধ্যমে এখন সমগ্র বাংলাদেশের যেকোনো সমুদ্র বা নৌ-বন্দরে কাজ করা যাবে।

৬. পূর্বে শিপিং এজেন্টদের জন্য কোন বিধি অনুসরণ করা হতো?

উত্তর: পূর্বে কোনো স্বতন্ত্র বিধি না থাকায় কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ অনুসরণ করা হতো।

৭. নতুন লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য এনবিআর-এর অনুমোদন লাগবে কি?

উত্তর: না, লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পূর্বানুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

আরো পড়ুন

রেমিট্যান্স: প্রবাসীদের শ্রমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাবিকাঠি

রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের সংজ্ঞা ও পরিচয় বৈদেশিক কর্মস্থল থেকে দেশে পাঠানো অর্থই মূলত রেমিট্যান্স বলে পরিচিত। বিশ্বজুড়ে কাজ করা মানুষের উপার্জন যখন নিজ দেশে...

গভীর সমুদ্রে গবেষণায় জোর প্রধান উপদেষ্টার: মিলল ৬৫ নতুন প্রজাতির সন্ধান, টুনা মাছের বিপুল সম্ভাবনা

বাংলাদেশের নীল অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে গবেষণা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর পরিচালিত একটি বিশেষ জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (গবেষণা) হলেন মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরদার

বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একই বিভাগে কর্মরত অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরদার সম্প্রতি পরিচালক (গবেষণা) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ