শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

শিশু শিল্পী থেকে সুপারস্টার: শিব রাজকুমারের সাফল্য কাহিনি

বহুল পঠিত

১৯৮২ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘সত্তে পে সত্তা’-এর একটি পুরনো ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের পাশে দেখা যায় এক ছোট্ট শিশু শিল্পীকে।
সেই শিশুটিই আজ কন্নড় সিনেমার এক কিংবদন্তি নাম- শিব রাজকুমার
শিব রাজকুমারের সাফল্যের কাহিনি যেন এক বাস্তব রূপকথা, যেখানে পরিশ্রম ও প্রতিভা মিলেছে একসাথে।

উত্তরাধিকার ও অভিনয়ে অভিষেক

শিব রাজকুমার কন্নড় চলচ্চিত্রের মহাতারকা ড. রাজকুমারের সন্তান।
১৯৮৬ সালে, তিনি ‘আনন্দ’ ছবির মাধ্যমে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
ছবিটি মুক্তির পর বিশাল সাড়া ফেলে।
ফলস্বরূপ, তিনি রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
এরপর শতাধিক ছবিতে অভিনয় করে শিব রাজকুমার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন কন্নড় সিনেমার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে।

বিনয়ী তারকার আলাদা পরিচয়

তারকাখ্যাতি থাকা সত্ত্বেও শিব রাজকুমার বরাবরই বিনয়ী ও সংযত
তিনি কখনোই অতিরিক্ত প্রচারের পেছনে ছুটে যান না।
বরং, সবসময় মনোযোগ দেন অভিনয়ের মানে ও চরিত্রের গভীরতায়।
অন্যদিকে, রাজনীতির জগৎ থেকেও তিনি দূরে থাকেন।
এই নীরব ব্যক্তিত্বই তাকে করে তুলেছে ভক্তদের প্রিয় অভিনেতা।

শিব রাজকুমারের সাফল্যের কাহিনি ২৩০ কোটি রুপির আর্থিক সাম্রাজ্য

বর্তমানে শিব রাজকুমারের সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ২৩০ কোটি ভারতীয় রুপি
এই বিপুল সম্পদ তাকে দক্ষিণ ভারতের অন্যতম ধনী অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞাপন, টেলিভিশন ও লাইভ শো থেকে আয় করেন।
তবে, অর্থ নয়, দর্শকের ভালোবাসাকেই তিনি আসল সাফল্য মনে করেন।
রজনীকান্তের ‘জেলার’ ছবিতে তার সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

প্রতিভা ও অধ্যবসায়ের অনুপ্রেরণামূলক গল্প

শিব রাজকুমারের যাত্রা শুরু হয়েছিল অমিতাভের পাশে এক শিশু শিল্পী হিসেবে।
আজ তিনি কন্নড় চলচ্চিত্রের এক অপরিহার্য শক্তি।
অতএব, তার জীবন প্রমাণ করে-উত্তরাধিকার যদি অধ্যবসায়ের সঙ্গে মেলে, তবে সাফল্য অনিবার্য।
শিব রাজকুমারের গল্প শুধু একজন তারকার নয়, বরং এক অনুপ্রেরণার প্রতীক।

আরো পড়ুন

লালমাটিয়ার সেই ছোট্ট ঘর থেকে ধানমন্ডির সাম্রাজ্য: এক স্বপ্নবাজ অমির রূপকথা

স্বপ্ন যখন কেবল চোখে নয়, হৃদয়ে গেঁথে যায়- তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়। ঠিক তেমনই এক অনুপ্রেরণার নাম নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি লালমাটিয়ার একটি ছোট্ট ঘরে মাত্র দুজন মানুষ আর এক বুক আত্মবিশ্বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল তাঁর প্রোডাকশন হাউজ ‘বুম ফিল্মস’ (Boom Films)। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সেই প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের ১০ বছর পূর্ণ করে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘পাওয়ার হাউস’-এ পরিণত হয়েছে।

টিভির যুগ শেষ, ইউটিউবে অস্কারের নতুন ডিজিটাল অধ্যায়

চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অস্কার অ্যাওয়ার্ড এবার নতুন প্রযুক্তি ও দর্শক অভিজ্ঞতার দিকে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৯ সাল থেকে টেলিভিশনের বদলে সরাসরি ইউটিউবে লাইভ সম্প্রচার হবে, যা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের সিনেমাপ্রেমীর জন্য সহজলভ্য হবে।

আন্তর্জাতিক রঙে উজ্জ্বল হচ্ছে বাংলাদেশি সিনেমা: রটারড্যামে ‘রইদ’, ‘মাস্টার’ ও ‘দেলুপি’

এক সময় দেশের সীমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল বাংলাদেশি সিনেমার স্বপ্ন, আজ তা মহাদেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির সীমানা পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে। বাণিজ্যিক সিনেমা মাল্টিপ্লেক্সে দর্শক টানে, আর বিকল্প ও শিল্পধারার ছবি আন্তর্জাতিক উৎসবে লালগালিচায় সন্মান পায়।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ