শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬

মুকুট হারানোর পর সুপাণি নয়ননথংয়ের সাহসী পদক্ষেপ: ভুল থেকে শিক্ষা, নতুন করে শুরু

বহুল পঠিত

মিস গ্র্যান্ড প্রাচুয়াপ খিরি খান ২০২৬-এর মুকুট হারানোর পর, সুপাণি নয়ননথং সমাজের চোখে নিজেকে নতুন করে তুলে ধরেছেন। তার অতীতের কিছু বিতর্কিত ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর তিনি শুধু তার ভুলের জন্য ক্ষমাই চাননি, বরং সেই ভুলের পেছনের মানবিক গল্পটিও সবার সামনে তুলে ধরেছেন। সুপাণির সাহসিকতা ও সততা এবং দৃঢ় মানসিকতা থাইল্যান্ডের মানুষকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

আর্থিক সংকটের কারণে তাকে এই ধরনের কাজে যুক্ত হতে হয়েছিল। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। সুপাণির এই স্বীকারোক্তি সমাজের সামনে কঠিন বাস্তবতার একটি চিত্র তুলে ধরেছে।

সুপাণির সাহসিকতা ও সততা

ফেসবুকে সুপাণি তার অনুভূতি প্রকাশ করে লেখেন, “এটি আমার জীবনের একটি বড় শিক্ষা। এখন থেকে আমি আমার আচরণের ব্যাপারে সম্পূর্ণ সচেতন থাকব এবং এমন ভুল যাতে আর না হয়, তার জন্য নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, তার অনুমতি ছাড়া কিছু অবৈধ জুয়া সাইট তার ব্যক্তিগত কনটেন্টগুলো ব্যবহার করেছে, যার বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এটি তার আত্মবিশ্বাসী মনোভাবের প্রকাশ।

সমাজে সহানুভূতির ঢেউ

সুপাণির এই পদক্ষেপ থাই সমাজে সহানুভূতির জন্ম দিয়েছে। অনেক মানুষ তার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তার এই কঠিন সময়ে সমর্থন জানাচ্ছেন। এটি প্রমাণ করে যে মানুষ ভুল থেকে শেখার সুযোগকে গুরুত্ব দেয় এবং মানবিক দুর্বলতার প্রতি সহানুভূতিশীল। সুপাণির এই যাত্রা কেবল একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মুকুট হারানোর গল্প নয়, বরং এটি প্রতিকূলতাকে জয় করে নতুন করে বাঁচার এক অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী

আরো পড়ুন

লালমাটিয়ার সেই ছোট্ট ঘর থেকে ধানমন্ডির সাম্রাজ্য: এক স্বপ্নবাজ অমির রূপকথা

স্বপ্ন যখন কেবল চোখে নয়, হৃদয়ে গেঁথে যায়- তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়। ঠিক তেমনই এক অনুপ্রেরণার নাম নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি লালমাটিয়ার একটি ছোট্ট ঘরে মাত্র দুজন মানুষ আর এক বুক আত্মবিশ্বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল তাঁর প্রোডাকশন হাউজ ‘বুম ফিল্মস’ (Boom Films)। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সেই প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের ১০ বছর পূর্ণ করে বাংলাদেশের বিনোদন জগতের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘পাওয়ার হাউস’-এ পরিণত হয়েছে।

টিভির যুগ শেষ, ইউটিউবে অস্কারের নতুন ডিজিটাল অধ্যায়

চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অস্কার অ্যাওয়ার্ড এবার নতুন প্রযুক্তি ও দর্শক অভিজ্ঞতার দিকে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৯ সাল থেকে টেলিভিশনের বদলে সরাসরি ইউটিউবে লাইভ সম্প্রচার হবে, যা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের সিনেমাপ্রেমীর জন্য সহজলভ্য হবে।

আন্তর্জাতিক রঙে উজ্জ্বল হচ্ছে বাংলাদেশি সিনেমা: রটারড্যামে ‘রইদ’, ‘মাস্টার’ ও ‘দেলুপি’

এক সময় দেশের সীমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল বাংলাদেশি সিনেমার স্বপ্ন, আজ তা মহাদেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির সীমানা পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে। বাণিজ্যিক সিনেমা মাল্টিপ্লেক্সে দর্শক টানে, আর বিকল্প ও শিল্পধারার ছবি আন্তর্জাতিক উৎসবে লালগালিচায় সন্মান পায়।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ