শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ভিন্ন মাত্রার নির্বাচন: ইসি সানাউল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

বহুল পঠিত

স্বচ্ছ নির্বাচনে গণমাধ্যমের অপরিহার্য ভূমিকা

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি জানান, ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে। একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে। ভোটে সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের নতুন উদ্যোগ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতিরোধে কিউআর কোড ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচনের সময় কেবল প্রকৃত সাংবাদিকরাই কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। কমিশন সদস্য বলেন, বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে। এছাড়া ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন তিনি। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এমন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য জানান, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন। সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভালো নির্বাচন চায় ইসি।

ভোটারদের ভোট দেওয়ার সময় নির্ধারণ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য আরও বলেন, ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। ইসি সদস্য আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি জানান, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন। সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভালো নির্বাচন চায় ইসি।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের বক্তব্য

একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন। তিনি জানান, সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভালো নির্বাচন চায় ইসি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ইসি সদস্য সানাউল্লাহ বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার।

নির্বাচনী ব্যবস্থার ক্ষতি ও উত্তরণ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য আরও বলেন, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে। তিনি জানান, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন।

গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিতের আশ্বাস

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। তিনি জানান, ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে।

কিউআর কোডের মাধ্যমে ভুয়া সাংবাদিক প্রতিরোধ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইসি সদস্য বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। তিনি জানান, একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে। ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন তিনি।

শতাব্দীর ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভালো নির্বাচন চায় ইসি। তিনি বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। ইসি সদস্য জানান, ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন। বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে।

প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ কখন ও কোথায় বক্তব্য দেন?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

প্রশ্ন ২: স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা কী বলেছেন ইসি সদস্য?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার।

প্রশ্ন ৩: ভুয়া সাংবাদিক প্রতিরোধে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

উত্তর: ভুয়া সাংবাদিক যেন কোথাও কার্ড নিয়ে যেতে না পারে, এজন্য কিউআর কোডের ব্যবস্থা রাখছে নির্বাচন কমিশন। এর মাধ্যমে কেবল প্রকৃত সাংবাদিকরাই নির্বাচনের সময় কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৪: একজন ভোটার ভোট দিতে কত সময় নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসি সদস্য?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে।

প্রশ্ন ৫: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব কী বলেছেন সরকারের সাথে ইসির সম্পর্ক নিয়ে?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন। সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভালো নির্বাচন চায় ইসি।

প্রশ্ন ৬: নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে ইসি সদস্য কী বলেছেন?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায়িত্ব রয়েছে।

প্রশ্ন ৭: ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে ইসি সদস্য কী বলেছেন?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ভোটের সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।

প্রশ্ন ৮: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইসি সদস্য কী বলেছেন?

উত্তর: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে একটা ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই।

প্রশ্ন ৯: সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল যাতে তারা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন কভারেজ করতে পারেন। নির্বাচন কমিশন সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চায়।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ