দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরার পথে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন বেলা পৌনে ১২টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
তারেক রহমানের দেশে আগমনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বের তথ্য অনুযায়ী, এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
বিমানবন্দর প্রস্তুতি ও সিভিল অ্যাভিয়েশন বৈঠক
তারা বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বৈঠকে আলোচনা হবে-
- বিমানবন্দরের প্রটোকল
- শৃঙ্খলা বজায় রাখা
- দলের সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়
তারেক রহমান এর জন্য বিশাল সংবর্ধনার প্রস্তুতি
বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর, রাজধানীর ৩০০ ফিট (পূর্বাচল রোড) এলাকায় তাকে বিস্তারিত গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে-
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন
- কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্য
পরিবারের অবস্থান
তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় আসবেন তাঁর একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন, যাতে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার খোঁজখবর রাখা যায়।
রাজনৈতিক কার্যালয় ও বাসস্থানের প্রস্তুতি
- গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি প্রায় প্রস্তুত
- যদি এটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত না হয়, তবে তিনি পাশের ‘ফিরোজা’ ভাড়া বাসায় উঠবেন
- দেশে ফিরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন
- ৮৬ নম্বর রোডের কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার ও সংস্কার কাজ প্রায় শেষ
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
দলের স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, “এই মুহূর্তটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মাইলফলক। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের নেতাকে বরণ করে নিতে চাই।”
সব মিলিয়ে, ২৫ ডিসেম্বরের এই দিনটি বিএনপি এবং বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় দিন হিসেবে ইতিহাসে থাকবে।