শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

গুলশানে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সাথে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

বহুল পঠিত

সোমবার দুপুরে গুলশান অফিসে এক ঐতিহাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তারেক রহমানের সঙ্গে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের স্বাগত জানান। এ সময় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। বামপন্থী নেতারা তার প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। রাজনৈতিক মেয়াদকালে এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উভয় পক্ষ আন্তরিক আলোচনায় মিত্রতা প্রকাশ করেন। দেশের স্বার্থে এমন সংলাপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হয়। সব মিলিয়ে পরিবেশটি ছিল অনুকূল এবং গুরুত্বপূর্ণ।

১. সোমবার দুপুরে গুলশানে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

২. যুক্তফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।

৩. খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক জানানো হয়।

৪. তারেক রহমান তাদের সাদরে গ্রহণ করেন।

৫. সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হয়।

৬. পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর চেষ্টা দেখা যায়।

৭. জাতীয় প্রেক্ষাপটে এর প্রভাব অপরিসীম।

অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক সুযোগ

সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের পর দেশে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে সবাইকে। তারেক রহমান সেই আহ্বানই জানিয়েছেন বলে জানা যায়। তিনি মনে করেন, এটি জাতির জন্য স্বর্ণালী সময়। সরকার এবং বিরোধী দল মিলে কাজ করলে সম্ভব। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি এখন সময়ের দাবি। রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করে স্থিতিশীলতা আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা একান্ত প্রয়োজন। জনগণের ভোগান্তি লাঘবে একমত পোষণ করেন তারা। ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন। সবাই মিলে কাজ করলেই সাফল্য আসবে।

১. নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।

২. এ সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখন।

৩. সরকার ও বিরোধী দলকে একসাথে কাজ করতে হবে।

৪. দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্য অপরিহার্য।

৫. তারেক রহমান এ বিষয়ে জোর দিয়েছেন।

৬. রাজনৈতিক সহমত জাতীয় স্বার্থে জরুরি।

৭. অগ্রগতির স্বার্থে সবকিছু ভেবেচিন্তে করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধকে ভিত্তি ধরে রাষ্ট্র চালনা

তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধই আমাদের একমাত্র ভিত্তি। একাত্তরকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না। জাতির এই ইতিহাস কারো পক্ষে অস্বীকার করা সম্ভব নয়। সব রাজনৈতিক দলকে এই সত্য মেনে চলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না হলে চলবে না। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একাত্তরের ঘটনাপ্রবাহ আমাদের পথ দেখাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানতে হবে। মুক্তিযুদ্ধই আমাদের চূড়ান্ত শক্তি ও অনুপ্রেরণা। এ থেকে সরে গেলে জাতি হারিয়ে যাবে।

১. মুক্তিযুদ্ধ জাতির প্রধান ভিত্তি বলে মনে করেন তিনি।

২. একাত্তর ছাড়া দেশের অস্তিত্ব অকল্পনীয়।

৩. সবাইকে এই চেতনায় বিশ্বাস রাখতে হবে।

৪. মহান যুদ্ধের স্বার্থ রক্ষা করা দায়িত্ব।

৫. স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে।

৬. ইতিহাসকে বিকৃত করা যাবে না কোনোভাবেই।

৭. জাতীয় ঐক্য এই চেতনায়ই নিহিত আছে।

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি প্রতিরোধে ঐকমত্য

বাম নেতারা বৈঠকে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্থান রোধ করতে হবে। যারা মানুষের অধিকার হরণ করেছিল তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। যুক্তফ্রন্টের নেতারা এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। জনগণকে সাথে নিয়ে এই লড়াই লড়তে হবে। দেশের সংবিধান ও মূল্যবোধ রক্ষা করা আবশ্যিক। কোনো ধরনের অপশক্তি যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক করে কাজ করতে হবে।

১. স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি করা বন্ধ করতে হবে।

২. মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা যেন ক্ষমতায় না আসে।

৩. প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্য প্রয়োজন।

৪. সাম্প্রদায়িক শক্তি প্রতিরোধে কঠোর হতে হবে।

৫. বাম নেতারা এ ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

৬. সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার দাবি।

৭. জনগণের স্বার্থ সবার উর্ধ্বে রাখতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়েছেন। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ নিরাপদে নেই বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। প্রতিদিন ঘটছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা এবং সহিংসতা। জনজীবন অস্থির হয়ে পড়েছে এই মুহূর্তে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রভূতভাবে। নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে সংশ্লিষ্টদের। নিরাপত্তা বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে বলে মনে করেন তিনি। শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

১. দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

২. সাধারণ মানুষ অনিরাপদ বোধ করছে বর্তমানে।

৩. সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

৪. জনজীবনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।

৫. অর্থনীতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

৬. নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে দ্রুত।

৭. প্রশাসনকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, গ্রহণযোগ্য ভোটের মাধ্যমেই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া উচিত। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে এটিই একমাত্র পথ বলে তিনি মনে করেন। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। ভোটারদের ভোট দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। বিনা বাধায় ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারবেন এটা নিশ্চিত করতে হবে। ফলাফল যেন প্রশ্নাবিদ্ধ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ভোট অনুষ্ঠান প্রয়োজন। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

২. ফলাফল গ্রহণযোগ্য হওয়া প্রয়োজন।

৩. সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

৫. গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ভোট।

৬. নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন জরুরি।

৭. জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

জাতীয় ঐক্য ও সমঝোতার মাধ্যমে উন্নয়ন

সবাই মিলে কাজ করলেই দেশ এগিয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। তারেক রহমান ও বাম নেতাদের মধ্যে একটি সমঝোতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। রাজনৈতিক দলগুলোকে হিংসা বাদ দিয়ে কাজ করতে হবে। সবার আগে দেশ ও দেশের মানুষের কথা ভাবতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ঐক্য অপরিহার্য। অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সমন্বিত উদ্যোগ লাগবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বড় চ্যালেঞ্জ। সব রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়াই লক্ষ্য।

১. সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান।

২. রাজনৈতিক সমঝোতা জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক।

৩. দলীয় স্বার্থ নয়, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ প্রাধান্য পাবে।

৪. অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সবাইকে অংশ নিতে হবে।

৫. তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি জরুরি।

৬. সামাজিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা লাগবে।

৭. একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে।

প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে কাদের সাক্ষাৎ হয়েছে?

উত্তর: বামদলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত তারেক রহমানের সঙ্গে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করেছেন।

২. প্রশ্ন: বৈঠকে তারেক রহমান দেশের ভিত্তি হিসেবে কীকে অভিহিত করেছেন?

উত্তর: তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধকে দেশের প্রধান ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন।

৩. প্রশ্ন: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি নিয়ে কী দাবি জানিয়েছেন?

উত্তর: তারা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন আর কখনো রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাসীন না হতে পারে।

৪. প্রশ্ন: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ভবিষ্যতের নির্বাচন নিয়ে কী মন্তব্য করেছেন?

উত্তর: তিনি একটি সুষ্ঠু, অবাধ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।

৫. প্রশ্ন: সাক্ষাৎকারে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: তারা খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাতে এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন।

৬. প্রশ্ন: অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তারেক রহমান কী আহ্বান জানিয়েছেন?

উত্তর: তিনি বলেছেন, এই নতুন রাজনৈতিক সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

৭. প্রশ্ন: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ