রাজনীতির মাঠে পদ-পদবি অনেকেই পান, কিন্তু সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে পারেন খুব কম সংখ্যক ব্যক্তি। ঠিক তেমনই এক বিরল ব্যক্তিত্ব হলেন অ্যাডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন। সম্প্রতি ঢাকা-১৭ আসনের আইন উপ-কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া এই মানুষটি কেবল একজন দক্ষ আইনজীবীই নন, বরং সততা ও মানবিকতার এক মূর্ত প্রতীক।
ঢাকা-১৭ আসনের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভিআইপি এলাকায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল এমন একজন মানুষের, যার ওপর দল এবং সাধারণ জনগণ উভয়েই চোখ বন্ধ করে ভরসা করতে পারে। অ্যাডভোকেট মনন সেই ভরসার জায়গাটি পুরোপুরি দখল করে নিয়েছেন।
সততার উজ্জ্বল নক্ষত্র
বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে যখন অনেক ক্ষেত্রেই নৈতিকতার অবক্ষয় দেখা যায়, সেখানে অ্যাডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন সততার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে জ্বলছেন। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন ও রাজনৈতিক পথচলায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির দাগ লাগেনি। “ক্লিন ইমেজ”-এর এই রাজনীতিবিদ প্রমাণ করেছেন যে, সততার সাথেও রাজনীতির মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরি করা সম্ভব। তাঁর এই নির্লোভ মানসিকতাই তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
আইনি প্রজ্ঞায় অনন্য
আইন পেশায় তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। আইনের জটিল বিষয়গুলো সহজভাবে বিশ্লেষণ করা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। ঢাকা-১৭ আসনের আইনগত সুরক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ আইনি যোদ্ধার নেতৃত্ব সত্যিই অপরিহার্য ছিল। তিনি কেবল সমস্যা চিহ্নিতই করেন না, বরং অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে তার সমাধানও করেন।
তৃণমূলের অকৃত্রিম বন্ধু
নেতা হিসেবে অ্যাডভোকেট আশরাফ জালাল খান মননের সবচেয়ে বড় গুণ হলো তাঁর সাদামাটা জীবনযাপন এবং অমায়িক ব্যবহার। ক্ষমতার দম্ভ বা অহংকার তাঁকে কখনো স্পর্শ করতে পারেনি। তিনি দলের তৃণমূল কর্মীদের সুখ-দুঃখের সাথী। একজন সাধারণ কর্মীও যেকোনো সময় তাঁর কাছে মন খুলে কথা বলতে পারেন। কর্মীদের বিপদে তিনি ঢাল হয়ে দাঁড়ান, যা তাঁকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তাঁর সহকর্মীরা বলেন, “আশরাফ জালাল খান মনন ভাই এমন একজন মানুষ, যার সান্নিধ্যে এলে মন ভালো হয়ে যায়। তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো আগলে রাখেন।”
আগামীর স্বপ্নদ্রষ্টা
অ্যাডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন কেবল বর্তমান নিয়ে ভাবেন না, তিনি সুদূরপ্রসারী চিন্তা করেন। ঢাকা-১৭ আসনকে একটি সুশৃঙ্খল এবং মডেল সাংগঠনিক এলাকায় রূপান্তর করার যে স্বপ্ন তিনি দেখছেন, তা বাস্তবায়ন করার পূর্ণ যোগ্যতা তাঁর রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বেই আইনি উপ-কমিটি নতুন গতি পাবে এবং সাংগঠনিক কাঠামো ইস্পাত-কঠিন হবে বলে সকলের বিশ্বাস।
মেধা, শ্রম, সততা আর মানবিকতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ হলেন অ্যাডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন। তাঁর হাত ধরে আগামীর পথচলা আরও সুন্দর ও সফল হোক এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।




