শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

বাংলাদেশে স্বর্ণের বাজার দর: আপডেটেড তথ্য ও পূর্বাভাস

বহুল পঠিত

বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও দাম

বর্তমানে দেশে স্বর্ণের বাজার কিছুটা অস্থির। প্রতিদিন দর পরিবর্তন হচ্ছে খুব। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নতুন তালিকা প্রকাশ করেছেন। ক্রেতাদের মধ্যে ক্রয়ের আগ্রহ বাড়ছে ধীরে। সবাই সঠিক সময়ের অপেক্ষা করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি শিগগির স্থিতিশীল হবে। বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে এখন।

১. আন্তর্জাতিক বাজারে দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

২. স্থানীয় মুদ্রার মান কমে গেছে কিছুটা।

৩. জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন রেট ঠিক করেছে।

৪. প্রতি ভরিতে মূল্য বেড়েছে পাঁচশ’ টাকা।

৫. বিয়ের মৌসুমে চাহিদা বেশি থাকে সারাক্ষণ।

৬. আমদানি খরচ বাড়ায় দাম বেড়েছে।

৭. বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেক।

একুশ ক্যারেট স্বর্ণের বিস্তারিত হার

একুশ ক্যারেট ধাতুর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। এটি তৈরি করা হয় মিশ্র ধাতু দিয়ে। সাধারণ মানুষ এটি কিনতে পছন্দ করেন। আজকের বাজারে এর দর কিছুটা বেশি। গয়না তৈরির কাজে এর চাহিদা তুঙ্গে। দোকানগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব শ্রেণির মানুষ এটি সংগ্রহ করছেন। ভবিষ্যতে দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

১. প্রতি ভরির দাম সাতাশ হাজার টাকা।

২. প্রতি গ্রামের মূল্য দুই হাজার টাকা।

৩. রুপার সাথে মিশিয়ে তৈরি করা হয়।

৪. হাতে পরার উপযোগী এই গয়না।

৫. দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় জনপ্রিয়তা বেশি।

৬. নকশা করা সহজ এই ধাতু দিয়ে।

৭. বিক্রয় মূল্য আগের চেয়ে বেশি এখন।

চব্বিশ ক্যারেট পদ্ধতির মূল্য ও চাহিদা

বিশুদ্ধ হিসেবে পরিচিত চব্বিশ ক্যারেট। এর রং হলুদ এবং উজ্জ্বল হয়। বিনিয়োগের জন্য এটি সেরা মাধ্যম। সাধারণত বার আকারে মানুষ রাখে। এর দাম অন্যান্যের চেয়ে বেশি। ব্যাংকগুলো এটি ক্রয় করে থাকে। সঞ্চয়কারীরা এটিকে বেছে নেন। ঝুঁকিপূর্ণ নয় এই সম্পদের বিনিয়োগ।

১. প্রতি ভরির খরচ ত্রিশ হাজার টাকা।

২. কোনো মিশ্রণ নেই এতে একটুও।

৩. স্বল্প সময়ে মূলধন বাড়ে অনেক।

৪. সারা বিশ্বে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক।

৫. জমা রাখা সহজ এবং নিরাপদ।

৬. বিক্রি করে লাভ পাওয়া যায় সহজে।

৭. সোনার বারে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।

আঠারো ক্যারেটের গয়নার বাজার দর

আঠারো ক্যারেট বেশ নরম ধরনের হয়। এটি দিয়ে হালকা গয়না বানানো হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে এর চল বেশি। বাংলাদেশেও এখন এর ব্যবহার বাড়ছে। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় ভালো। তরুণ প্রজন্ম এটি পছন্দ করছে অনেক। ডিজাইনার অলংকারে এর ব্যবহার দেখা যায়। দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় জনপ্রিয়।

১. ভরিপ্রতি মূল্য বিশ হাজার টাকা।

২. কম বাজেটে কেনা যায় সহজেই।

৩. আধুনিক ডিজাইনে এর ব্যবহার হয়।

৪. রং একটু হালকা হয় এর গায়ে।

৫. লং ডিউরেবিলিটি কম কিন্তু সুন্দর।

৬. প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য উপযোগী।

৭. ফ্যাশন হাউসগুলো এটি ব্যবহার করে থাকে।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের ভরি হিসাব

সনাতন পদ্ধতিতে হিসাব করা হয় ভরি। এক ভরি সমান এগারো দশমিক ছয় গ্রাম। পুরানো বাজারে এই নিয়ম চলে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই এটি মানেন। হাট-বাজারে এখনও এটি প্রচলিত। ওজন মাপার জন্য তরাজ ব্যবহৃত হয়। স্থানীয়রা এই পদ্ধতিতে বিশ্বাস করেন। নতুন প্রজন্মও এটি শিখছে ধীরে।

১. এক ভরিতে গ্রাম থাকে প্রায় বারো।

২. তোলা এককেও অনেকে মাপেন।

৩. গ্রামের চেয়ে ভরি জনপ্রিয় এখানে।

৪. পুরনো ব্যবসায়ীরা এটি অনুসরণ করেন।

৫. ক্রয়-বিক্রয়ে স্বচ্ছতা থাকে এতে।

৬. তরাজের ওজন নির্ভুল হয় সাধারণত।

৭. হিসাব করা সহজ এই এককে।

বিশ্ববাজারের প্রভাব ও দাম বৃদ্ধি

বিশ্ববাজারের ওঠানামা প্রভাবিত করে আমাদের। ডলারের দর বাড়লে খরচ বাড়ে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিও ভূমিকা রাখে এতে। যুদ্ধ ও সংঘাত দাম বাড়ায় অনেক। বিদেশি বাজারে চাহিদা বাড়লে কমে আমদানি। রপ্তানিকারক দেশগুলো কর বাড়িয়ে দিতে পারে। সব মিলিয়ে বাজার দর অস্থির হয়। বিনিয়োগকারীরা খবর রাখেন সবসময়।

১. আমেরিকান ডলার শক্তিশালী হচ্ছে দিন দিন।

২. চীনের বাজারে চাহিদা বেড়েছে অনেক।

৩. মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল বর্তমানে।

৪. বিশ্ব ব্যাংকের রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।

৫. ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি বদলেছে।

৬. খনির উৎপাদন কমে গেছে কিছুটা।

৭. বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে।

টাকার বিনিময় হার ও স্বর্ণের দর

টাকার বিনিময় হার সরাসরি প্রভাব ফেলে। ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হলে দাম বাড়ে। ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করছে দামি দরে। রেমিট্যান্স কমে গেলে সংকট দেখা দেয়। সরকার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে অনেক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি পরিবর্তন করেছে। বাজারে টাকার সরবরাহ কম হচ্ছে। এর ফলে আমদানি ব্যয় বাড়ছে প্রচুর।

১. প্রতি ডলার একশত টাকা ছাড়িয়েছে।

২. রিজার্ভ চাপে পড়েছে বর্তমান সময়ে।

৩. বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি বাড়ছে ধীরে।

৪. রপ্তানি আয় কম হওয়ায় সমস্যা।

৫. আমদানি খরচ বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে।

৬. ব্যবসায়ীরা ডলারের জন্য হাহাকার করছেন।

৭. মুদ্রার অবমূল্যায়ন হচ্ছে নিয়মিতভাবে।

ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে তফাত

ঢাকায় দাম কিছুটা বেশি থাকে সাধারণত। বড় শহরের খরচ বেশি বলে। চট্টগ্রামে আমদানি বন্দর থাকায় সুবিধা। সেখানে কম দরে পাওয়া যেতে পারে। পাইকারি বাজারে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। খুচরা বাজারেও তফাত আছে কিছুটা। পরিবহন খরচ দাম বাড়ায় মাঝে। স্থানীয় কর ও ট্যাক্সেও তারতম্য আছে।

১. রাজধানীর জুয়েলার্স দাম বেশি রাখে।

২. বন্দর শহরে মধ্যস্বত্বভোগী কম।

৩. ঢাকায় শোরুম ভাড়া অনেক বেশি।

৪. চট্টগ্রামে আড়ত থেকে কেনা সহজ।

৫. ক্রেতাদের আনাগোনা ঢাকায় বেশি।

৬. দুই শহরের ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট আলাদা।

৭. ল্যাবর চার্জেও তারতম্য দেখা যায়।

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ – বাংলাদেশে স্বর্ণের বাজার দর

সারসংক্ষেপে (২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি – বাজুস অনুযায়ী):

  • ২২ ক্যারেট স্বর্ণ (প্রতি ভরি): ২,২২,০৭৩–২,২২,০৮৩ টাকা (বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দুটি সংখ্যাই দেখা যায়; সাধারণত একই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে)
  • ২১ ক্যারেট স্বর্ণ (প্রতি ভরি): ২,১১,৯৯৩ টাকা
  • ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ (প্রতি ভরি): ১,৮১,৭২৫ টাকা
  • সনাতন স্বর্ণ (প্রতি ভরি): ১,৫১,৪৩৭ টাকা

বিশুদ্ধতা অনুযায়ী স্বর্ণের দর (টাকা/ভরি)

নিচে ছক আকারে দাগানো হলো (সব দাম প্রায়, বাজুস ঘোষণা অনুযায়ী, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর):

ক্যারেট / ধরনদাম (প্রতি ভরি – আনুমানিক)
২২ ক্যারেট স্বর্ণ২,২২,০৭০ – ২,২২,০৮০ টাকা
২১ ক্যারেট স্বর্ণ২,১১,৯৯৩ টাকা
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ১,৮১,৭২৫ টাকা
সনাতন স্বর্ণ১,৫১,৪৩৭ টাকা

প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: আজকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

উত্তর: আজকে বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রায় সাতাশ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২. প্রশ্ন: বিশুদ্ধ বা ২৪ ক্যারেট সোনার দাম কত?

উত্তর: ২৪ ক্যারেট বা বিশুদ্ধ সোনার বর্তমান বাজার দর প্রতি ভরি প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা ঘিরে রয়েছে।

৩. প্রশ্ন: স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রধান কারণ কী?

উত্তর: ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ছে।

৪. প্রশ্ন: বিয়ের জন্য কত ভরি স্বর্ণ লাগে?

উত্তর: বিয়ের জন্য সাধারণত বর ও কনের বাজেট অনুযায়ী পাঁচ থেকে দশ ভরি পর্যন্ত স্বর্ণের গয়না কেনা হয়ে থাকে।

৫. প্রশ্ন: পুরনো স্বর্ণ বিক্রি করলে কি ল্যাবর চার্জ পাওয়া যায়?

উত্তর: না, সাধারণত পুরনো গয়না বিক্রির সময় ল্যাবর চার্জ বা মজুরি কেটে রাখা হয়, শুধু ধাতুর দাম দেওয়া হয়।

৬. প্রশ্ন: হলমার্ক ছাড়া স্বর্ণ কেনা নিরাপদ কি?

উত্তর: হলমার্ক ছাড়া স্বর্ণ কেনা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এর ক্যারেট বা বিশুদ্ধতা যাচাই করা কঠিন এবং ঠকার সম্ভাবনা থাকে।

৭. প্রশ্ন: ঢাকা ও চট্টগ্রামে স্বর্ণের দামে কি তফাত আছে?

উত্তর: হ্যাঁ, সাধারণত ঢাকায় খরচ বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা বেশি থাকে, অন্যদিকে চট্টগ্রামে বন্দর সুবিধার কারণে দাম কম হতে পারে।

৮. প্রশ্ন: ব্যাংক থেকে স্বর্ণের বার কিনলে লাভজনক?

উত্তর: ব্যাংক থেকে স্বর্ণের বার কিনলে নিশ্চিত বিশুদ্ধতা পাওয়া যায়, তবে দাম একটু বেশি হতে পারে যা দীর্ঘমেয়াদে লাভদায়ক।

৯. প্রশ্ন: ডিজিটাল গোল্ড কীভাবে কেনা যায়?

উত্তর: বিভিন্ন ফিনটেক কোম্পানির অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল ওয়ালেট দিয়ে খুব সহজেই ডিজিটাল গোল্ড কেনা যায়।

আরো পড়ুন

রেমিট্যান্স: প্রবাসীদের শ্রমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাবিকাঠি

রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের সংজ্ঞা ও পরিচয় বৈদেশিক কর্মস্থল থেকে দেশে পাঠানো অর্থই মূলত রেমিট্যান্স বলে পরিচিত। বিশ্বজুড়ে কাজ করা মানুষের উপার্জন যখন নিজ দেশে...

গভীর সমুদ্রে গবেষণায় জোর প্রধান উপদেষ্টার: মিলল ৬৫ নতুন প্রজাতির সন্ধান, টুনা মাছের বিপুল সম্ভাবনা

বাংলাদেশের নীল অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে গবেষণা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর পরিচালিত একটি বিশেষ জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন।

শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০২৫: নতুন নিয়মে সহজ হলো ব্যবসা

বিধিমালা প্রণয়নের পটভূমি ও ঘোষণা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে এই নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এর...
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ