শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬

খালেদা জিয়ার জানাজায় জনস্রোত, সংসদ প্লাজায় মানুষের ঢল

বহুল পঠিত

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় নেমেছে জনস্রোত। সময় যত গড়াচ্ছে, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও তত বাড়ছে। পুরো এলাকা পরিণত হয়েছে শোক আর শ্রদ্ধার এক বিশাল সমাবেশে।

বুধবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী লাল-সবুজ রঙের গাড়ি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় মরদেহের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। এর আগে সকাল ১১টার দিকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকে মরদেহবাহী গাড়িটি বের হয়। পুরো যাত্রাপথজুড়ে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

জানাজা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে, মিরপুর সড়ক ব্যবহার করে যেন কেউ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় প্রবেশ না করে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার আগের রাত থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই সংকটাপন্ন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ