শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: লন্ডন ত্যাগ ও প্রস্তুত বিশাল গণসংবর্ধনা

বহুল পঠিত

দেশের উদ্দেশে লন্ডন ছাড়লেন তারেক রহমান, প্রস্তুত বিশাল সংবর্ধনা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই প্রত্যাবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য সময় অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যায় তিনি লন্ডন ত্যাগ করেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় পা রাখবেন। তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান রয়েছেন। এই সফর নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তারেক রহমানের আগমনের সময়সূচি ও যাত্রাপথ

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা অবশেষে স্বদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন। যুক্তরাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৪ ডিসেম্বর বুধবার তিনি লন্ডন অতিক্রম করবেন। বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর সবাই অপেক্ষা করছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে অবতরণের কথা রয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি পৌঁছাবেন। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বিমানটি রানওয়েতে নামার কথা রয়েছে। দেশবাসী তাকে স্বাগত জানাতে উন্মুখ হয়ে আছে।

  • বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্য থেকে বিমান যাত্রা শুরু হবে।
  • বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবেন তিনি।
  • হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের সময় নির্ধারিত হয়েছে।
  • উড়োজাহাজের সিডিউল অনুযায়ী এগিয়ে চলছে সব কাজ।
  • বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য নেতাকর্মীরা প্রস্তুত।
  • যাত্রাপথে কোনো জটিলতা সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
  • লন্ডন থেকে ঢাকায় আসার ফ্লাইটটি যথাসময়ে ছেড়ে যাবে।

পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন

একা নয়, পরিবারের সদস্যদের নিয়েই দেশে আসছেন তারেক রহমান। তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এই সফরে তার সঙ্গী হয়েছেন। এছাড়া তাদের একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানও রয়েছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ সময় পর সবাই একসাথে দেশে ফিরছেন। এটি তাদের জন্য একটি আনন্দের মুহূর্ত। জুবাইদা রহমান বিগত সময়ে একাধিকবার বাংলাদেশে এসেছেন। তবে তারেক রহমানের সাথে এই প্রথম তার আগমন ঘটছে। নির্বাসনের দিনগুলো কাটিয়ে এখন তারা ঘরে ফিরছেন।

  • স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান স্বামীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত আছেন।
  • কন্যা জাইমা রহমানও বাবার সাথে দেশে আসছেন।
  • পরিবার পরিজন নিয়ে স্বদেশে ফেরার আনন্দ অপরিসীম।
  • জুবাইদা রহমান আগেও একাই দেশে এসেছেন বেশ কয়েকবার।
  • এবার পুরো পরিবার নিয়ে প্রত্যাবর্তন ঘটছে।
  • সন্তানদের নিয়ে বাবার মাটিতে ফেরার আগ্রহ ছিল অনেক দিনের।
  • লন্ডন থেকে সপরিবারে যাত্রা করার মধ্য দিয়ে একটি অধ্যায় শেষ হলো।

পূর্বাচলে বিপুল গণসংবর্ধনার আয়োজন

দলটির পক্ষ থেকে তাকে বরণ করার জন্য বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকার কুড়িল সংলগ্ন পূর্বাচল এলাকায় এই অনুষ্ঠান হবে। স্মরণকালের অন্যতম বড় সমাবেশ হবে বলে দাবি করছে বিএনপি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সংবর্ধনাস্থলে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে লাখ লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে। দলের শীর্ষ নেতারা এর প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। মঞ্চ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে এর অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

  • পূর্বাচল হাইওয়ে এক্সপ্রেস এলাকায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।
  • বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ওই স্থানে নেওয়া হবে তাকে।
  • স্মরণকালের বৃহত্তম গণসংবর্ধনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
  • মঞ্চ তৈরি এবং সাজসজ্জার কাজ প্রায় শেষ দশায়।
  • প্রশাসনিক অনুমোদন নিশ্চিত করেই এই আয়োজন করা হয়েছে।
  • সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হবেন।
  • সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট রাখা হয়েছে জনসভা সফল করতে।

নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নজরদারি রাখছে পূর্বাচল এলাকায়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবকরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বহুগুণ।

  • পূর্বাচল এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।
  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
  • শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
  • স্বেচ্ছাসেবকরা সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনায় সহযোগিতা করবেন।
  • যানজট এড়াতে ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ ডিউটি পালন করবে।
  • সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা তৈরি।
  • কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

বিএনপির নেতাকর্মীদের উৎসবমুখর প্রস্তুতি

দলের নেতা এবং কর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে প্রস্তুতি সারছেন। সারাদেশ থেকে তারা ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন। স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জনসমাগম হবে বলে তাদের বিশ্বাস। প্রতিটি ওয়ার্ড এবং থানা থেকে মানুষ আসছেন। দলীয় পতাকা ও ব্যানারে সজ্জিত হবে পুরো এলাকা। অতীতের সব রেকর্ড ভাঙার আশা করছেন তারা। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আশা করছে বিএনপি। নেতারা দফায় দফায় স্থান পরিদর্শন করেছেন।

  • দলের নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন।
  • স্মরণকালের বড় জনসভা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন তারা।
  • অতীতের সব রাজনৈতিক সমাবেশকে ছাড়িয়ে যাবে এই আয়োজন।
  • স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা।
  • দলীয় শীর্ষ নেতারা প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বারবার।
  • প্রতিটি স্তরের নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সফলতার জন্য।
  • উৎসবমুখর পরিবেশে নেতাকে বরণ করা হবে।

২০০৮ সালের পটভূমি ও দীর্ঘ নির্বাসন

ওয়ান-ইলেভেনের সময় অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল তাকে। ২০০৮ সালে কারামুক্ত হওয়ার পর যুক্তরাজ্যে যান। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি লন্ডনে অবস্থান করতে থাকেন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় সেখানেই কাটে তার। বারবার দেশে ফেরার চেষ্টা করেও ফিরতে পারেননি। বিভিন্ন মামলা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর এই ফেরা হচ্ছে। নির্বাসনের দিনগুলোতে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ভার্চুয়ালি।

  • ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন যান।
  • চিকিৎসার জন্য তিনি সেখানে থেকে যান দীর্ঘদিন।
  • পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে দেশে ফেরা আটকে যায়।
  • শারীরিক অসুস্থতা এবং মামলা ছিল প্রধান বাধা।
  • দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে।
  • লন্ডন থেকেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতেন।
  • ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে এই প্রথম স্বদেশে ফিরছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও প্রভাব

এই প্রত্যাবর্তন রাজনীতিতে নতুন ঝড় তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তারেক রহমানের উপস্থিতি দলকে ঐক্যবদ্ধ করবে। আগামী দিনের আন্দোলনে এটি বড় ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনে এটি নতুন গতি আনবে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে। তার বক্তব্য এবং নেতৃত্বে দল কোথায় যায় তা দেখার বিষয়।

  • রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
  • দলের নেতাকর্মীদের মনোবল বহুগুণ বেড়েছে এই খবরে।
  • আগামী নির্বাচন এবং আন্দোলনে এর প্রভাব পড়বে।
  • বিএনপির ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক শক্তি বাড়বে।
  • সরকারের জন্যও এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
  • জনমনে যে পরিবর্তনের আশা তা তীব্র হবে।
  • দীর্ঘ সমূর পর রাজনীতির মাঠে সরাসরি নেতৃত্ব দেবেন।

প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: তারেক রহমান কখন লন্ডন ত্যাগ করছেন?

উত্তর: যুক্তরাজ্য সময় অনুযায়ী বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি লন্ডন ছেড়ে আসছেন।

২. প্রশ্ন: তিনি কবে এবং কোথায় বাংলাদেশে পৌঁছাবেন?

উত্তর: বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।

৩. প্রশ্ন: তার সফরসঙ্গী কারা?

উত্তর: এই সফরে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান তার সাথে রয়েছেন।

৪. প্রশ্ন: তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য কোথায় আয়োজন করা হয়েছে?

উত্তর: রাজধানীর কুড়িল সংলগ্ন পূর্বাচল হাইওয়ে এক্সপ্রেস এলাকায় এই গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

৫. প্রশ্ন: তিনি কত দিন পর দেশে ফিরছেন?

উত্তর: প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় পর তিনি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করছেন।

৬. প্রশ্ন: বিএনপি এই সংবর্ধনার জন্য কোন প্রস্তুতি নিয়েছে?

উত্তর: দলটি স্মরণকালের অন্যতম বড় গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে এবং মঞ্চ নির্মাণসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

৭. প্রশ্ন: ওয়ান-ইলেভেনের পর তিনি কোথায় ছিলেন?

উত্তর: ২০০৮ সালে কারামুক্ত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন এবং সেখান থেকেই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন

জুলাই বিপ্লবের বীরদের জন্য আসছে ঐতিহাসিক ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’!

ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার কারিগরদের জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ (Indemnity Ordinance) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’: ১২০০ যোদ্ধা ও সাংবাদিককে বিশেষ স্মারক প্রদান

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা এবং আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য 'জুলাই বীর সম্মাননা' অনুষ্ঠান। আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ঐতিহাসিক ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং সাহসী সাংবাদিকদের বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ড. ইউনূসের ডাক: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান

একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তের অংশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। আগামী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সম্ভাব্য গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। ড. ইউনূসের মতে, এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের এক বড় সুযোগ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ