বাংলাদেশ–ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ। বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান-কে সুবিধাজনক সময়ে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট খাতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দুই দেশ- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকারের হাতে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ যুক্ত হলো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে।
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখা এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এলপিজি নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর ওপর বিদ্যমান কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে সামগ্রিক ভ্যাটের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দৃঢ়তার পরিচায়ক হিসেবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ।
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ১৯ শতাংশে নেমে এসেছে।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ ও জাপান। আজ টোকিওতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশ ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (Economic Partnership Agreement—EPA) স্বাক্ষর করেছে।
ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে দেশের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে নির্বাচিত সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবে ক্ষমতার এই লড়াইয়ের মধ্যেও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি এখন সবচেয়ে বেশি- নতুন সরকার অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে কী করবে?
বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক। সেখানে দাবি করা হয়েছে-অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিনিয়োগে চমক দেখাতে পারেনি। কিন্তু ব্যবহৃত সময়সীমা ও উপস্থাপনার ধরন খতিয়ে দেখলে দেখা যায়, এটি পূর্ণ বাস্তবতা নয়; বরং বিভ্রান্তিকর ফ্রেমিংয়ের উদাহরণ।