সাতক্ষীরা জেলার আকাশে মানবাধিকার সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। মানবতার সেবায় নিবেদিতপ্রাণ, অকুতোভয় এবং কর্মঠ ব্যক্তিত্ব, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের গর্বিত সন্তান মোঃ ফরিদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের ‘সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি’ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত নীতিমালার আলোকে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় তার এই নিয়োগ সাতক্ষীরার আপামর জনতার জন্য এক অনন্য প্রাপ্তি।
কৃতি সন্তান মোঃ ফরিদ হোসেন: এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা
মোঃ ফরিদ হোসেন সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম নূরুল ইসলাম মোড়ল ছিলেন এলাকার মানুষের আশ্রয়স্থল ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী। পিতার আদর্শকে বুকে লালন করেই মোঃ ফরিদ হোসেন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তিনি কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং একজন মানবিক হৃদয়বান মানুষ হিসেবে এলাকায় ব্যাপক সমাদৃত। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং সমাজের অন্যায়-অবিচার দূর করতে তার ভূমিকা সবসময়ই দৃষ্টান্তমূলক।
কেন তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হলো?
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের মতো এমন একটি সম্মানজনক সংস্থায় সভাপতি হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া যেন ‘সোনায় সোহাগা’। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা এবং সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে যে আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। তার সততা, প্রজ্ঞা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণেই কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ তাকে এই গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে। সংস্থার উপ-পরিচালক অত্যন্ত গর্বের সাথে বলেন, “ফরিদ হোসেনের মতো এমন স্বচ্ছ ইমেজের মানুষকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে আমরা ধন্য। তিনি সাতক্ষীরার মানবাধিকার রক্ষায় এক ইস্পাতকঠিন ঢাল হিসেবে কাজ করবেন।”
মানবাধিকারের সুরক্ষায় নতুন শপথ
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মোঃ ফরিদ হোসেন বিনয়ের সাথে বলেন, “আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি যে, মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। সাতক্ষীরার মাটি ও মানুষের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা থেকেই আমি এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও আইনি সচেতনতাই পারে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে।” তার এই বক্তব্যে মুগ্ধ সাধারণ মানুষ। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে দুহাত ভরে আশীর্বাদ করছেন এবং তার সাফল্যে আশান্বিত হচ্ছেন।
সাতক্ষীরার গণমানুষের আস্থার প্রতীক
সাতক্ষীরার প্রতিটি অলিতে-গলিতে আজ মোঃ ফরিদ হোসেনের জয়জয়কার। স্থানীয়রা বলছেন, যেখানেই অশান্তি, সেখানেই শান্তিদূত হিসেবে আবির্ভূত হন ফরিদ হোসেন। কোনো প্রকার স্বার্থ ছাড়াই আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া এই মানুষটিকে জেলা সভাপতি হিসেবে পেয়ে সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে, তাদের কোনো অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারবে না, কারণ তাদের অভিভাবক হিসেবে এখন মো. ফরিদ হোসেন রয়েছেন।
সংস্থাটির লক্ষ্য ও আমাদের প্রত্যাশা
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রটি মূলত প্রান্তিক মানুষের শেষ ভরসার জায়গা। সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হওয়ায় এই সংস্থাটি এখন আগের চেয়েও বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। মোঃ ফরিদ হোসেনের নেতৃত্বে সাতক্ষীরায়:
- অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে সাধারণ মানুষ।
- সালিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাম্য সংঘাত ও বিবাদ চিরতরে দূর হবে।
- নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় গড়ে উঠবে এক মজবুত সুরক্ষা বলয়।
- আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সাধারণ মানুষ প্রশাসনের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
মোঃ ফরিদ হোসেনের নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় মানবাধিকারের সুরক্ষা কেবল শক্তিশালীই হবে না, বরং তিনি হবেন নিপীড়িত মানুষের পরম বন্ধু। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও এই মহৎ কর্মযজ্ঞে নিরবচ্ছিন্ন সাফল্য কামনা করি। তার হাত ধরেই সাতক্ষীরা হোক অপরাধমুক্ত ও শান্তিময়।




