বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২৬

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: নরেন্দ্র মোদি

বহুল পঠিত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দুই দেশের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার প্রশংসাও করেন।

তারেক রহমানকে পাঠানো চিঠিতে মোদি লেখেন, সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি নতুন দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ ভারতের

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন চিঠিটি প্রকাশ করেছে। চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চান। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ভারতের বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

এছাড়া যোগাযোগ, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার কথাও গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় বাড়ানোর ওপরও জোর দেন মোদি।

নির্বাচনী বিজয় জনগণের আস্থার প্রতিফলন

নির্বাচনে তারেক রহমানের বিজয় প্রসঙ্গে মোদি বলেন, এটি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রমাণ। তার মতে, এই ফলাফল শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার ম্যান্ডেট। ফলে নতুন সরকার উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আরও দৃঢ়ভাবে এগোতে পারবে।

ভারতে সফরের আমন্ত্রণ

এই সুযোগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। মোদি জানান, সুবিধাজনক সময়ে ভারতে তাঁদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা

চিঠিতে মোদি বলেন, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে অভিন্ন ইতিহাসের ওপর। এর সঙ্গে রয়েছে সাংস্কৃতিক বন্ধন ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, দুই দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথনির্দেশক হবে।

দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
ফলে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

শপথের পর সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়

এদিকে শপথ গ্রহণের পরপরই ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, সাক্ষাৎটি প্রায় ১৫–২০ মিনিট স্থায়ী হয়।
আলোচনায় উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর ফলে দিল্লি–ঢাকা সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুত্রঃ বাসস

আরো পড়ুন

রাজধানীতে বেকারদের মাঝে জামায়াতের অটো রিকশা বিতরণ

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অসহায় ও বেকারদের স্বাবলম্বী করতে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে অটো-রিকশা বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের...

বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন শফিকুর রহমান

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি...

ইমাম মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী...
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ