আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দেশব্যাপী বড় সাংগঠনিক উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি সারা দেশে ২৭০ জন ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা মাঠপর্যায়ে গণভোটের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করবেন।
রোববার এনসিপির পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
দলটি জানিয়েছে, এই কর্মসূচির সার্বিক নেতৃত্ব দেবেন এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
প্রার্থী যেখানে নেই, সেখানে অ্যাম্বাসেডরই মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন
এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-
- যেসব আসনে দলের প্রার্থী থাকবেন, সেখানে প্রার্থীর নেতৃত্বেই প্রচারণা চলবে
- আর যেসব আসনে প্রার্থী থাকবে না, সেখানে নিয়োজিত অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধি সরাসরি প্রচারণার দায়িত্ব পালন করবেন
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সভায় এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুনর্গঠন হলো কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
গত ৯ জানুয়ারি রাতে-
- দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
- সদস্য সচিব আখতার হোসেন
৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন এই কমিটির অনুমোদন দেন।
নতুন কমিটিতে-
- চেয়ারম্যান: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
- সেক্রেটারি: মনিরা শারমিন
- সদস্য: আরও ২৯ জন
এই কমিটি মাঠপর্যায়ের সমন্বয়, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও গণভোটের প্রচারণা কার্যক্রম তদারকি করবে।
গণভোটে এনসিপি: তরুণ নেতৃত্বে গড়া নতুন রাজনৈতিক শক্তি
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র ও তরুণদের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা জাতীয় নাগরিক পার্টি ইতোমধ্যে দেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দলটির এই নতুন উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে কৌতূহল ও আগ্রহ।
বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাম্বাসেডরভিত্তিক এই প্রচারণা কৌশল এনসিপিকে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় ও দৃশ্যমান করে তুলতে পারে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা




