বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নিজের সুস্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ২০২৪ সাল এক নতুন মাইলফলক—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম।”
বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক অধ্যায় যুক্ত হলো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বীর নাগরিকদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে সরকার নতুন আইন অনুমোদন করেছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে সারা দেশে মাসব্যাপী বিস্তৃত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। জনগণের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বাড়াতে নেওয়া এই কর্মসূচির মূল স্লোগান— ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক আমার দেশ–এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান দেশের ভেতরে একটি সচেতন, সাহসী ও দেশপ্রেমিক তরুণ প্রজন্ম তৈরি করেছে- যারা আর কোনো বিদেশি স্বার্থের প্রতিনিধিকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না, এমনকি ক্ষমতায় থাকতেও দেবে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি বিশাল জনমত জরিপ। ‘প্রি-ইলেকশন পালস: ইন-ডেপথ অ্যানালিসিস অব দ্য বাংলাদেশি ইলেকটোরেট’ শীর্ষক এই জরিপে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য- আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হতে যাচ্ছে এক চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বা ‘হাড্ডাহাড্ডি’ লড়াই।
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময়ের নির্বাসন কাটিয়ে স্বদেশে ফেরার পর এক নতুন রাজনৈতিক আবহে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হলেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক জমকালো শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নতুন হাওয়া। বিশেষ করে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির তৈরি করা নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার দুপুরে গুলশান অফিসে এক ঐতিহাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তারেক রহমানের সঙ্গে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান...
গত মঙ্গলবার বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দলে সৃষ্টি হয়েছে এক গভীর শূন্যতা। তিন দিনের রাষ্ট্রীয় ও দলীয় শোক কাটিয়ে দেশ যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে, তখন বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সমীকরণ। সামনে নতুন বছর এবং জাতীয় নির্বাচন—এমন বাস্তবতায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে পূর্ণাঙ্গ ‘চেয়ারম্যান’ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।