দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, দুর্নীতি ও মাদক নির্মূল এবং কৃষি ও কর্মসংস্থান খাতে মৌলিক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের...
দেশের মানুষ আর শুধু প্রতিশ্রুতি নয়—চায় বাস্তব রাজনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও দৃশ্যমান পরিবর্তন। এমন প্রত্যাশার কথাই তুলে ধরেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পোলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় তিনি ঘোষণা দেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই বিএনপি ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা তৈরি করছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন প্রভাবশালী নাম, তেমনি এখন বৈশ্বিক ডিজিটাল দুনিয়াতেও আলোচিত এক পরিচয়- বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা ও সক্রিয়তার সুবাদে তিনি এবার জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বসেরা ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায়।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ২০২৪ সাল এক নতুন মাইলফলক—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রাম।”
গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর পাশে বিএনপি থাকবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “কোনো ষড়যন্ত্র করেই বিএনপিকে দমন করা যাবে না। গণতান্ত্রিক যাত্রা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে একটি বিশাল জনমত জরিপ। ‘প্রি-ইলেকশন পালস: ইন-ডেপথ অ্যানালিসিস অব দ্য বাংলাদেশি ইলেকটোরেট’ শীর্ষক এই জরিপে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য- আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হতে যাচ্ছে এক চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বা ‘হাড্ডাহাড্ডি’ লড়াই।
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময়ের নির্বাসন শেষে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করলেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময়ের নির্বাসন কাটিয়ে স্বদেশে ফেরার পর এক নতুন রাজনৈতিক আবহে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হলেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক জমকালো শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নতুন হাওয়া। বিশেষ করে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির তৈরি করা নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলা সফরে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই চার দিনের সফরে তিনি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সফরের বিস্তারিত সূচি জানানো হয়েছে।