বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন: অর্থনীতির দর্পণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন দেশের আর্থিক অবস্থার সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে। এই প্রতিবেদনে বিগত বছরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, মুদ্রানীতি, ব্যাংকিং...
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটি কার্যক্রম শুরু করে। পাকিস্তান রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের ঢাকা...
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে দুর্বল ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দায়িত্ব ব্যাংককেই নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এ তথ্য...
ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠা
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডিন্যান্স, ১৯৭২ এর মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত...
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলের নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে। এই নীতিমালা অনুসারে নষ্ট হওয়া নোটের বিনিময় মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। গ্রাহকরা এখন থেকে...
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতের কেন্দ্রবিন্দু। অথচ টানা ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সিস্টেম পরিচালিত হচ্ছিল একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠানের হাতে। ভারতের টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) পরিচালিত ওই সফটওয়্যার- "ফিন্যাকল"- ব্যাংকের সার্ভার, ডাটাবেইস, এনক্রিপটেড তথ্য, এমনকি পাসওয়ার্ড-লেভেল অ্যাক্সেস পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো নতুন এক মাইলফলক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নোটিং প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ অনলাইন ও আধুনিক ব্যবস্থায় নিয়ে যেতে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো ই-ডেস্ক সিস্টেম। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর এ নতুন সিস্টেমের উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন অ্যামাজন, আলিবাবা, ইবে, ইটসি এবং তৃতীয় পক্ষের আন্তর্জাতিক ওয়্যারহাউজের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ সোমবার (২৪ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।
চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে ২১৩ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)–এর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধের পরও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে। গত রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক আকুর কাছে ১.৬১ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের অর্থ পরিশোধ করেছে, যা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রপ্তানির স্বাভাবিক নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার অংশ।