বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: নরেন্দ্র মোদি

বহুল পঠিত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দুই দেশের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার প্রশংসাও করেন।

তারেক রহমানকে পাঠানো চিঠিতে মোদি লেখেন, সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি নতুন দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ ভারতের

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন চিঠিটি প্রকাশ করেছে। চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চান। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ভারতের বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

এছাড়া যোগাযোগ, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার কথাও গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় বাড়ানোর ওপরও জোর দেন মোদি।

নির্বাচনী বিজয় জনগণের আস্থার প্রতিফলন

নির্বাচনে তারেক রহমানের বিজয় প্রসঙ্গে মোদি বলেন, এটি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রমাণ। তার মতে, এই ফলাফল শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার ম্যান্ডেট। ফলে নতুন সরকার উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আরও দৃঢ়ভাবে এগোতে পারবে।

ভারতে সফরের আমন্ত্রণ

এই সুযোগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। মোদি জানান, সুবিধাজনক সময়ে ভারতে তাঁদের জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা

চিঠিতে মোদি বলেন, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে অভিন্ন ইতিহাসের ওপর। এর সঙ্গে রয়েছে সাংস্কৃতিক বন্ধন ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, দুই দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথনির্দেশক হবে।

দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
ফলে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

শপথের পর সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়

এদিকে শপথ গ্রহণের পরপরই ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, সাক্ষাৎটি প্রায় ১৫–২০ মিনিট স্থায়ী হয়।
আলোচনায় উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর ফলে দিল্লি–ঢাকা সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুত্রঃ বাসস

আরো পড়ুন

এলপিজিতে বড় স্বস্তি: ভ্যাট কমিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখা এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এলপিজি নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর ওপর বিদ্যমান কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে সামগ্রিক ভ্যাটের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।

তারেক রহমান-এর সঙ্গে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজ্জু-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আস্থার বার্তা নিয়ে নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ড. খলিলুর রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ