বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬

ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ: ভাব সম্প্রসারণ ও জীবনের শিক্ষা

বহুল পঠিত
ভাব সম্প্রসারণ: ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ
ভাব সম্প্রসারণ

ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ

পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষই সুখের সন্ধানে ছুটে চলে। কেউ সুখ খোঁজে অঢেল সম্পদের মাঝে, আবার কেউ বা সুখ পায় অন্যকে বিলিয়ে দেওয়ার মাঝে। কিন্তু চিরন্তন সত্য হলো—সাময়িক বিলাসিতায় আরাম মিললেও, মনের আসল শান্তি মেলে ত্যাগে।

মূলভাব

মানুষ স্বভাবতই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে। সে মনে করে, নিজের জন্য যত বেশি সঞ্চয় ও ভোগ করা যাবে, ততই সুখ বাড়বে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। নিজের জন্য সবকিছু আঁকড়ে ধরে রাখার নাম স্বার্থপরতা। অন্যদিকে, নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যের মঙ্গলের জন্য কাজ করার নামই ত্যাগ। আর এই ত্যাগের মাঝেই নিহিত আছে জীবনের অনাবিল আনন্দ ও প্রকৃত সুখ।

সম্প্রসারিত ভাব: সুখের আসল ঠিকানা
১. ভোগের সীমাবদ্ধতা

ভোগের কোনো শেষ নেই। মানুষের চাহিদা সমুদ্রের মতো বিশাল। আজ যা পাওয়া যায়, কাল তার চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। এই “চাই চাই” ভাব মানুষকে মানসিকভাবে অস্থির ও অতৃপ্ত রাখে। ভোগে কেবল শরীরের আরাম হয়, কিন্তু আত্মার তৃপ্তি মেলে না। যে শুধু নিজের ভোগের কথা ভাবে, সমাজ তাকে মনে রাখে না।

২. ত্যাগের মহিমা ও আত্মতৃপ্তি

বিপরীত দিকে, ত্যাগের মাহাত্ম্য অসীম। ত্যাগী মানুষ নিজের সুখের চেয়ে অন্যের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেন। নিজের মুখের খাবার ক্ষুধার্তকে দিয়ে, কিংবা নিজের জমানো অর্থ দিয়ে অসহায়কে সাহায্য করে যে স্বর্গীয় আনন্দ পাওয়া যায়, তা কোটি টাকা খরচ করেও কেনা সম্ভব নয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অন্যকে সাহায্য করলে মস্তিষ্কে যে প্রশান্তি কাজ করে, তা মানুষকে দীর্ঘমেয়াদী সুখী রাখে।

৩. প্রকৃতির শিক্ষা

আমরা যদি প্রকৃতির দিকে তাকাই, সেখানেও দেখি ত্যাগের মহৎ নিদর্শন:

  • সূর্য নিজের আলো নিজে ভোগ করে না, সে পৃথিবীকে আলোকিত করে।
  • ফুল নিজের সুবাস নিজে নেয় না, সে সবাইকে মুগ্ধ করে।
  • নদী নিজের জল নিজে পান করে না, সে তৃষ্ণার্তের তৃষ্ণা মেটায়।

প্রকৃতি আমাদের শেখায়, বিলিয়ে দেওয়ার মাঝেই জীবনের সার্থকতা। যে জীবন শুধু নিজের জন্য, তা মৃতপ্রায়; আর যে জীবন অন্যের জন্য, তাই প্রকৃত জীবন।

৪. অমরত্বের চাবিকাঠি

পৃথিবীর ইতিহাসে যারা অমর হয়ে আছেন, তারা কেউ ভোগের জন্য স্মরণীয় হননি। মাদার তেরেসা, হাজী মুহম্মদ মহসীন, বা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর—তাঁরা সবাই নিজেদের জীবন মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছিলেন। ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ—এই মন্ত্রে দীক্ষিত ছিলেন বলেই মৃত্যুর পরও তাঁরা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন।

সিদ্ধান্ত / উপসংহার

আমাদের জীবন ক্ষণস্থায়ী। এই ছোট্ট জীবনে যা কিছু আমরা নিজের জন্য জমা করি, তা এখানেই থেকে যাবে। কিন্তু মানুষের জন্য করা ত্যাগ ও ভালোবাসাটুকু আমাদের মৃত্যুর পরও রয়ে যাবে। তাই ভোগের মোহ ত্যাগ করে, সাধ্যমতো ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, প্রকৃত সুখ বিলাসিতায় নয়, মানবতার সেবায় ও ত্যাগের মহিমায় লুকিয়ে আছে।

ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ – GoodNews Style

ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ: উক্তি, অর্থ ও ইংরেজি অনুবাদ

উক্তিটি কার?

এই উক্তিটি সাধারণভাবে স্বামী বিবেকানন্দ-কে সংযুক্ত করা হয়। তিনি বারবার শিক্ষা দিয়েছেন, প্রকৃত সুখ বাহ্যিক ভোগে নয়, বরং আত্মত্যাগ ও সেবায় নিহিত।

উক্তির মূলভাব

“ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ” মানুষের জীবনের একটি মৌলিক সত্যকে প্রকাশ করে। এটি শেখায়, ক্ষণস্থায়ী আনন্দে নয়, বরং অন্যের কল্যাণে ও ত্যাগের মাধ্যমে স্থায়ী আনন্দ পাওয়া যায়।

ভাব সম্প্রসারণ

মানুষ প্রায়ই ভোগ, বিলাসিতা ও আরামের মধ্যে সুখ খুঁজে। কিন্তু সেই সুখ ক্ষণস্থায়ী। ত্যাগের মধ্যে নিহিত আত্মনিবেদন ও সেবার আনন্দ স্থায়ী ও গভীর। অন্যকে সাহায্য করা, নিজের স্বার্থ বিসর্জন করা এবং সমাজকল্যাণে অবদান রাখা হলো প্রকৃত সুখের উৎস।

English Translation (ইংরেজি অনুবাদ)

Direct Translation:

“True happiness lies not in pleasure, but in sacrifice.”

আরও প্রাঞ্জল বিকল্প:

  • “Real happiness is found not in indulgence, but in self-sacrifice.”
  • “Happiness comes not from enjoyment, but from sacrifice.”
  • “True joy lies in sacrifice, not in pleasure.”

English Proverbs (ইংরেজি প্রবচন)

ইংরেজিতে এই বাংলা প্রবাদটির ভাবার্থ প্রকাশ করে এমন কিছু প্রবচন নিচে দেওয়া হলো:

  • “Happiness is found in giving, not in taking.”
  • “Self-denial is the path to true happiness.”
  • “It is in sacrifice, not indulgence, that true joy is found.”
ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ – FAQ

ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ

জীবন দর্শন ও আত্মিক প্রশান্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২০টি প্রশ্নোত্তর

১. ‘ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ’—এই উক্তিটির মূল ভাব কী?

এই উক্তিটির মূল ভাব হলো, ইন্দ্রিয়লব্ধ আনন্দ বা বস্তুগত ভোগবিলাস থেকে যে সুখ পাওয়া যায় তা ক্ষণস্থায়ী। পক্ষান্তরে, অন্যের কল্যাণে কিছু উৎসর্গ করা বা নিজের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার মাধ্যমে যে মানসিক প্রশান্তি অর্জিত হয়, তা-ই স্থায়ী এবং প্রকৃত সুখ।

২. কেন বলা হয় যে ভোগে প্রকৃত সুখ নেই?

ভোগ মূলত মানুষের তৃষ্ণাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। একটি বস্তু ভোগের পর মানুষের অন্য আরেকটি বস্তুর প্রতি আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। এই অন্তহীন দৌড় মানুষকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে, যা প্রকৃত সুখের পরিপন্থী।

৩. ত্যাগের মাধ্যমে কীভাবে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়?

ত্যাগের মাধ্যমে মানুষ নিজের অহংবোধ এবং স্বার্থপরতা কাটিয়ে উঠতে পারে। যখন আমরা অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কিছু ত্যাগ করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে এক ধরনের ইতিবাচক হরমোন নিঃসৃত হয় যা দীর্ঘমেয়াদী প্রশান্তি দেয়।

৪. আধুনিক যুগে এই দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু?

বর্তমান ভোগবাদী সমাজে এই দর্শন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বিষণ্নতা, একাকীত্ব এবং মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে মানুষের মাঝে ত্যাগের মনোভাব ফিরিয়ে আনা জরুরি। এটি সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

৫. ত্যাগ বলতে কি সব কিছু ছেড়ে দেওয়া বোঝায়?

না, ত্যাগ মানে সংসার ত্যাগ বা না খেয়ে থাকা নয়। ত্যাগ মানে হলো নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত অংশ অন্যের সাথে ভাগ করে নেওয়া এবং লোভ-লালসাকে নিয়ন্ত্রণ করা।

৬. ত্যাগের আদর্শ কীভাবে চরিত্র গঠনে সহায়তা করে?

ত্যাগের মানসিকতা মানুষকে ধৈর্যশীল, পরোপকারী এবং উদার হতে শেখায়। এটি মানুষের ভেতরের নৈতিক গুণাবলিকে বিকশিত করে এবং তাকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

৭. ইসলাম ধর্মে কি ত্যাগের সুখ নিয়ে কোনো নির্দেশনা আছে?

হ্যাঁ, ইসলামে ত্যাগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দান-সদকা এবং কোরবানি হলো ত্যাগের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ। আল-কুরআনে বলা হয়েছে, তোমরা যা ভালোবাসো তা ব্যয় না করা পর্যন্ত পুণ্য লাভ করতে পারবে না।

৮. হিন্দু ধর্মে ‘ত্যাগের সুখ’ সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?

হিন্দু ধর্মে ‘নিষ্কাম কর্ম’ বা ফলের আশা না করে কর্ম করার কথা বলা হয়েছে। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ত্যাগের মাধ্যমেই পরম শান্তি লাভের পথ নির্দেশ করা হয়েছে।

৯. শিক্ষার্থীরা ত্যাগের শিক্ষা কীভাবে প্রয়োগ করতে পারে?

শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠীদের পড়াশোনায় সাহায্য করে, টিফিনের খাবার শেয়ার করে বা ছোটখাটো সামাজিক কাজের মাধ্যমে ত্যাগের মহিমা শিখতে পারে। এটি তাদের নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়ায়।

১০. ব্যক্তিগত জীবনে ত্যাগের মহিমা কীভাবে উপলব্ধি করা যায়?

পরিবারের সদস্যদের জন্য নিজের ছোট ছোট ইচ্ছা বিসর্জন দিয়ে এবং তাদের মুখে হাসি দেখে এই মহিমা সবচেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।

১১. ত্যাগের সাথে কি স্বার্থহীনতার সম্পর্ক আছে?

অবশ্যই। স্বার্থহীনতা হলো ত্যাগের পূর্বশর্ত। আপনি যখন কোনো প্রতিদানের আশা না করে কাউকে কিছু দেবেন, তখনই ত্যাগের প্রকৃত আনন্দ খুঁজে পাবেন।

১২. ভোগবাদী সমাজ কেন ত্যাগের সুখ বুঝতে পারে না?

ভোগবাদী সমাজ সাফল্যকে পরিমাপ করে সম্পদের পাহাড় দিয়ে। সেখানে কেবল ‘পাওয়া’র আনন্দ শেখানো হয়, ‘দেওয়া’র মহিমা নয়। ফলে মানুষ কেবল বস্তুগত সুখে মত্ত থাকে।

১৩. ত্যাগের মাধ্যমে কি দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব?

হ্যাঁ, সমাজের বিত্তবানরা যদি তাদের অতিরিক্ত সম্পদের কিছু অংশ ত্যাগ করে সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করেন, তবে সামাজিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য অনেকাংশে কমে আসবে।

১৪. ত্যাগী মানুষ কি সবসময় অসুখী থাকে?

একেবারেই না। বরং ত্যাগী মানুষরা মানসিকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং সুখী থাকেন। তারা জাগতিক অনেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকেন যা তাদের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

১৫. ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ত্যাগের শিক্ষা দেওয়া কেন জরুরি?

শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ছোটবেলা থেকে শেয়ারিং বা ত্যাগের মানসিকতা গড়ে উঠলে তারা বড় হয়ে স্বার্থপর বা আত্মকেন্দ্রিক হবে না, যা একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে সহায়ক।

১৬. ইতিহাসে ত্যাগের উজ্জ্বল উদাহরণ কারা?

মহাত্মা গান্ধী, মাদার তেরেসা, হাজী মোহাম্মদ মহসিন এবং নেলসন ম্যান্ডেলার মতো মনীষীরা ত্যাগের মাধ্যমেই ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন এবং প্রকৃত সুখের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

১৭. ত্যাগের আনন্দ কি পরিমাপযোগ্য?

এটি সংখ্যা দিয়ে পরিমাপযোগ্য নয়, তবে অনুভবের বিষয়। অন্যের অশ্রু মোছার পর যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা বিশ্বের কোনো দামী বস্তু দিয়ে কেনা সম্ভব নয়।

১৮. ত্যাগ কি কেবল সম্পদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?

না। নিজের সময়, শ্রম, মেধা এবং ভালোবাসা ত্যাগের মাধ্যমেও পরম সুখ পাওয়া সম্ভব। কাউকে ভালো পরামর্শ দেওয়া বা বিপদে পাশে দাঁড়ানোও এক প্রকার ত্যাগ।

১৯. কীভাবে ত্যাগের মানসিকতা চর্চা শুরু করা যায়?

প্রতিদিন অন্তত একটি ছোট ভালো কাজ করার চেষ্টা করুন যেখানে আপনার কোনো স্বার্থ থাকবে না। ধীরে ধীরে এটি অভ্যাসে পরিণত হবে।

২০. পরিশেষে, ত্যাগের চরম সার্থকতা কী?

ত্যাগের চরম সার্থকতা হলো নিজের ক্ষুদ্র আমিত্বকে বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা। এতেই জীবনের সার্থকতা এবং প্রকৃত সুখ নিহিত।

আরো পড়ুন

ঢাকা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা: ২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে eTIF আপডেট বাধ্যতামূলক

নতুন শিক্ষা বছরের প্রস্তুতি ও বোর্ডের আদেশ আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ...

জকসু নির্বাচন: প্রাথমিক ফলাফলে ৬ কেন্দ্রে ছাত্র শিবিরের প্যানেল এগিয়ে

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষের পথে। ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ঘোষিত ৬টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে শীর্ষ তিন পদে দাপট দেখাচ্ছে ছাত্র শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। এই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম, জিএস প্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ এবং এজিএস প্রার্থী মাসুদ রানা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তুলনায় ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

দুই দশকের অপেক্ষার অবসান: আজ শুরু হয়েছে জক্সু নির্বাচনের ভোট গ্রহন

দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরেছে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ।
- Advertisement -spot_img

আরও প্রবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ প্রবন্ধ