প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান
প্রবাসীদের ভোটার হিসেবে নাম তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট সাড়ে ছয় লাখ মানুষ আবেদন করেছেন। পুরুষ ভোটদাতার সংখ্যা ষাট লক্ষ ছিলানো আটশ জন। নারীদের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার দুইশ দশজন সাইন আপ সম্পন্ন করেছেন। তথ্য প্রকাশ হয়েছে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায়। ইসির ওয়েবসাইট থেকে এসব ডাটা জানা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ কাজ চলছে। প্রতিদিনই নতুন আবেদনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কমিশন আশাবাদী এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
১. মোট নিবন্ধনের সংখ্যা ছয় লাখ বাহাত্তর হাজার বারো জন। এটি একটি বিশাল অর্জন বলা যায়। গত বছরের তুলনায় এবার ব্যাপক উত্থান লক্ষ্য করা যায়।
২. পুরুষ ভোটারদের আধিপত্য এখনও রয়েছে তালিকায়। তাদের সংখ্যা ছয় লক্ষ একুশ হাজার আটশো। শ্রমিক ও পেশাজীবী পুরুষরা বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন।
৩. নারী ভোটারদের অংশগ্রহণও আশাব্যঞ্জক। পঞ্চাশ হাজারের বেশি মহিলা তাদের অধিকার সংরক্ষণ করেছেন। এটি নারী ক্ষমতায়নের একটি ইতিবাচক দিক।
৪. তথ্য আহরণ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পোর্টাল থেকে। সেখানে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো নাগরিক এই তথ্য দেখতে পারেন।
৫. বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে হিসাবটি দাঁড়ায়। তখন পর্যন্ত যারা আবেদন জমা দিয়েছেন। এরপরও অনেকে রেজিস্ট্রেশন করছেন।
৬. আগামী দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরও লাফিয়ে বাড়বে। শেষ দিনে সাধারণত ভিড় বেশি হয়। মানুষ সময়মত কাজ শেষ করতে চায়।
৭. প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ও এতে সহযোগিতা করছে। তারা দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছে। এর ফলে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নতুন প্রযুক্তি ও অ্যাপসমূহ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আইটি ভিত্তিক পদ্ধতি প্রয়োগ হচ্ছে। পোস্টাল ভোট বিডি নামক অ্যাপ এর মূল মাধ্যম। এটি একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়া বলা যায়। প্রবাসীরা সহজেই স্মার্টফোন থেকে এতে যুক্ত হতে পারেন। পূর্বে এমন সুযোগ ছিল না বললেই চলে। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা বেশ সহজ ও সাবলীল। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন এখানে ফুটে উঠেছে।
১. পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপটি সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়। এটি গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে এটি ডাউনলোড করতে পারেন।
২. এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি ফর্ম পূরণ করা যায়। হার্ডকপি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সময় ও শ্রম উভয়েরই সাশ্রয় হয়।
৩. তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। কোনো প্রকার জালিয়াতি করা কঠিন হয়ে পড়ে। নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে।
৪. প্রবাসীদের জন্য এটি এক বিশাল সুযোগ। তারা নিজেদের দেশে বসেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। দূরত্ব আর কোনো বাধা নয়।
৫. অ্যাপটিতে আঙুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। এতে নির্ভুলতা নিশ্চিত হয় অনেকাংশে। ভুল তথ্য দেওয়ার সুযোগ কমে যায়।
৬. ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেসের জন্য প্রশংসা পাচ্ছে এই উদ্যোগ। সাধারণ মানুষও এটি চালাতে পারছেন সহজে। কোনো প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
৭. নির্বাচন কমিশনের আইটি সেল এই কাজ তদারক করছে। তারা টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধানে তৎপর রয়েছে। সার্ভার ধসে পড়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো হচ্ছে।
যোগ্যতা এবং আবেদনের নিয়মাবলী
সবাই এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না নিশ্চয়ই। নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। প্রধানত বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকরা যোগ্য। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এই সুযোগ পাবেন। আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই জরুরি ভিত্তিতে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে।
১. যারা বৈধ পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র ধারণ করছেন। তারাই একমাত্র আবেদনের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। প্রমাণপত্র হিসেবে এগুলো মাস্ট।
২. বিদেশে স্থায়ীভাবে বা অস্থায়ীভাবে বসবাসকারীরা রেজিস্টার হতে পারেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সমস্যা হতে পারে। তাই বৈধতা থাকা জরুরি।
৩. জেলখানায় বন্দী আসামি বা বিচারাধীন ব্যক্তিরাও ভোট দিতে পারবেন। তাদের অধিকার সংবিধান দ্বারা সংরক্ষিত। কারা কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে সহায়তা করবে।
৪. ভোটগ্রহণের দিন দায়িত্ব পালনকারী সকল কর্মী। তারা সাধারণ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না। তাই ডাক ব্যালট তাদের জন্য বাধ্যতামূলক।
৫. গত ১৯ নভেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রায় এক মাস সময় বরাদ্দ ছিল। সবাইকে এই সময়ের মধ্যে তালিকায় নাম লেখাতে হবে।
৬. ২৫ ডিসেম্বর শেষ তারিখ নির্ধারণ করেছে কমিশন। এরপর আর কোনো এন্ট্রি দেওয়া যাবে না। দেরি না করে এখনই এগিয়ে আসা উচিত।
৭. ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে। নির্ভুল তথ্য যাচাই করে দাখিল করুন। মোবাইল নম্বর ও ইমেইল এড্রেস ঠিক থাকা জরুরি।
বিভিন্ন দেশ থেকে আগমন
সারা বিশ্বের প্রায় সব প্রান্ত থেকে আবেদন আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা অনেক। তাই সেখান থেকে সাড়া মিলছে প্রবল। ইউরোপ ও আমেরিকাতেও প্রবাসীরা জেগে উঠেছে। এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের অনেক রাষ্ট্রে এই প্রক্রিয়া চলছে। অস্ট্রেলিয়া ও জাপান থেকেও ভালো সংখ্যক রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। দূতাবাসগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
১. সৌদি আরবে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করেন। সেখান থেকে লাখ লাখ মানুষ এনরোল করছেন। দূতাবাসের সহযোগিতায় কাজটি সহজ হয়েছে।
২. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে বসবাসরতরা। তারাও উৎসাহের সাথে ভোটার হচ্ছেন। সেখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটি সচেতনতা তৈরি করছে।
৩. দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রচুর কর্মী আছেন আমাদের দেশের। তাদের মধ্যে এই ডিজিটাল সিস্টেম জনপ্রিয় হচ্ছে। স্মার্টফোনের ব্যবহার সেখানে প্রচুর।
৪. মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও প্রবাসী আছেন অনেক। তারা নিজেদের অধিকার আদায়ে আগ্রহী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা একে অপরকে সাহায্য করছেন।
৫. ইউরোপের জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনে। বিভিন্ন সময় রেজিস্ট্রেশন শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
৬. আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ। সেখান থেকেও আবেদন জমা পড়ছে নিয়মিত। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই কাজটি সম্ভব হয়।
৭. অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশিরা। তারাও এগিয়ে আসছেন সমানভাবে। দূরত্ব যেন তাদের আগ্রহে ভাটা দিতে পারেনি।
ভোট গ্রহণ ও প্রেরণ পদ্ধতি
আবেদন শেষে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে ডাকযোগে। ভোটারের বর্তমান ঠিকানায় এটি পৌঁছাবে সময়মত। তারপর তিনি পছন্দের প্রার্থীকে মনোনীত করবেন। নির্দিষ্ট খামে ব্যালট রাখতে হবে সাবধানে। ফেরত খামের মাধ্যমে তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি গোপনীয়তা রক্ষার সাথে সম্পন্ন হবে। কোনো প্রকার বাইরের হস্তক্ষেপ নেই এখানে।
১. নির্বাচন কমিশন ডাক বিভাগকে দায়িত্ব দিয়েছে। তারা ব্যালট পেপার বিতরণ করবেন সঠিকভাবে। দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে তাদের।
২. ভোটারের দেওয়া ঠিকানায় ব্যালট পৌঁছানোর ব্যবস্থা। যদি কেউ ভুল এড্রেস দেন তবে সমস্যা হবে। তাই ঠিকানা যাচাই করা খুব জরুরি।
৩. ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিয়ম সাধারণ নির্বাচনের মতো। নির্দিষ্ট ঘরে টিক দিতে হবে। বা পছন্দের প্রতীকের পাশে চিহ্ন দিতে হবে।
৪. একটি বিশেষ ফেরত খামের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যাতে ভোটার তার মতামত পাঠাতে পারেন। এই খামে রিটার্নিং অফিসারের ঠিকানা লেখা থাকে।
৫. গোপনীয়তা একান্তই প্রয়োজনীয় বিষয়। কাউকে জানানো যাবে না কাকে ভোট দিলেন। ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা আছে।
৬. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট পাঠাতে হবে। দেরি হলে ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। তাই সময়সীমার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
৭. রিটার্নিং অফিসার ব্যালট গ্রহণ করবেন। তিনি যাচাই করার পর বাক্সে ফেলবেন। এরপর গণনার সময় এগুলো খোলা হবে।
কমিশনের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা
প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারকে আওতায় আনতে চায় ইসি। এটি একটি বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বটে। প্রবাসী অংশগ্রহণ বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিদেশের মিশনগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। সচেতনতামূলক ভিডিও ও অডিও প্রচার করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে শীঘ্রই।
১. প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করা। এখন দেখা যাচ্ছে সেটি কাজে এসেছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন।
২. দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়ায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ঘনত্ব বেশি। তাদের ভোটার হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
৩. বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে। ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। এতে তরুণ প্রবাসীরা দ্রুত বার্তা পাচ্ছেন।
৪. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করছে। এই সমন্বিত প্রচেষ্টা সফল হবে বলে আশা করা যায়। সবাই এক লক্ষ্যে কাজ করছেন।
৫. বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। যাতে কোনো আর্থিক সংকট না হয়। সফটওয়্যার উন্নয়ন ও সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হবে।
৬. প্রতিটি দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় প্রবাসীদের সহায়তা করবেন। যেকোনো সমস্যায় তারা ছায়ার মতো পাশে থাকবেন।
৭. ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থা আরও সহজ করার পরিকল্পনা আছে। অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থাও চালু হতে পারে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচন প্রস্তুতি ও ভোটগ্রহণ
ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে জোরকদমে। সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট সাজানো হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে ভোটের আগে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আমন্ত্রণ জানানো হবে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা লক্ষ্য। বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে দ্রুতই।
১. ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ। এখন চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই শেষ হয়েছে।
২. নির্বাচনী আইন অনুযায়ী সব কাজ এগোচ্ছে। কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা যেন না হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
৩. ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। সরকারি মুদ্রণ অধিদপ্তর এই দায়িত্ব পালন করছে। সর্বোচ্চ গোপনীয়তা মেনে কাজটি হচ্ছে।
৪. ভোটকেন্দ্রের জন্য ভবন নির্বাচন শেষ। সেগুলোতে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানো হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে প্রতিটি বুথে।
৫. পোস্টাল ব্যালট গণনার জন্য আলাদা ব্যবস্থা। এটি সাধারণ ব্যালটের সাথে মিশবে না। নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো গণনা করা হবে।
৬. বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। তারা নির্বাচন প্রক্রিয়া দেখবেন। এতে স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হয়।
৭. ফলাফল ঘোষণার পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হবে।
প্রশ্ন ও উত্তর
১. মোট কতজন প্রবাসী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন?
উত্তর: এ পর্যন্ত মোট ছয় লাখ বাহাত্তর হাজার বারো জন ভোটার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।
২. প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের জন্য কোন অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে?
উত্তর: ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামক স্মার্ট অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই কাজ করা হচ্ছে।
৩. নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে কবল পর্যন্ত?
উত্তর: আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু থাকবে।
৪. কারা এই ডাক ভোট ব্যবস্থার আওতায় আসবেন?
উত্তর: বিদেশে থাকা প্রবাসী, আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি ও নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিতরা এতে অন্তর্ভুক্ত।
৫. কতজন পুরুষ এবং নারী ভোটার এখন পর্যন্ত নিবন্ধিত?
উত্তর: পুরুষ ভোটার সংখ্যা ছয় লক্ষ একুশ হাজার আটশো এবং নারী ভোটার পঞ্চাশ হাজার দুইশ দশ জন।
৬. পোস্টাল ব্যালট প্রেরণ ও গ্রহণের নিয়ম কী?
উত্তর: ভোটারের ঠিকানায় ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো হবে এবং তিনি তা নির্ধারিত খামে কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত পাঠাবেন।
৭. প্রবাসী ভোটারদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল?
উত্তর: এই ব্যবস্থার আওতায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ প্রবাসীকে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইসি।