পরিচ্ছন্ন সমাজ ও সংস্কারমুখী রাষ্ট্র গড়ার বার্তা নিয়ে ফজরের নামাজের পর পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর এবারের জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থী দলগুলোর যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখা গেছে, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় পর ইসলামপন্থীরা শুধু আসনের সংখ্যায় নয়, ভোটের হারেও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে—যা জনমতের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামের জনসভায় বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে নেতৃত্বে আনতে হবে যুব সমাজকে। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের ককপিটে ক্যাপ্টেন হিসেবে যুবকদের বসাতে চাই। আমরা নিজেরা প্যাসেঞ্জার সিটে বসে থাকব। তারাই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবে।”
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১১ দলীয় জোটের যার যেখানে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, সেখানে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়েই জনগণের সরকার কায়েম করা হবে। তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে এক বিশাল গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অবাধ নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের পথে আরেকটি ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ...
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পথে বড় অগ্রগতি এলো। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়েছেন, যেখানে পারস্পরিক শুল্কহার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে নির্বাচনি কৌশল, ইশতেহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার আফতাবনগর, আড্ডার মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩২ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে শত শত সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ করে হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরামর্শ, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়।