কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে আধুনিক সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন দুটি বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) উদ্বোধন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার আলাদা সময়ে তিনি সেন্টমার্টিন বিওপি এবং টেকনাফের লেঙ্গুরবিল এলাকায় নবনির্মিত সি-বিচ বিওপি উদ্বোধন করেন।
আধুনিক অবকাঠামো, বাড়বে নজরদারি ও সক্ষমতা
বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেন্টমার্টিন বিওপিতে আধুনিক মানের সৈনিক লাইন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।
এই বিওপি চালুর মাধ্যমে-
- দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে
- কর্মদক্ষতা ও মনোবল বৃদ্ধি পাবে
- সীমান্ত নজরদারি ও অপারেশনাল সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় গতি আসবে
সেন্টমার্টিনে বিজিবির পুনরায় দায়িত্ব
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করলেও পরে তা কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সীমান্ত এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল থেকে আবারও বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
নতুন বিওপি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেখানে বিজিবির কার্যক্রম এখন পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হলো।
টেকনাফে সি-বিচ বিওপি: নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা
একই দিনে বিজিবি মহাপরিচালক টেকনাফের লেঙ্গুরবিলে নির্মিত আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সি-বিচ বিওপিরও উদ্বোধন করেন।
এই বিওপিতে যুক্ত করা হয়েছে-
- আধুনিক আবাসন সুবিধা
- নিরাপত্তা সরঞ্জাম
- দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো
ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিরাপদ সীমান্তে সরকারের অঙ্গীকার
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় নতুন বিওপি স্থাপন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধ এবং সামুদ্রিক সীমান্ত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





