ইসলামি ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাস হলো রজব। পবিত্র রমজান মাসের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে এই মাসটি। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এবং সাহাবায়ে কেরামের যুগে রজব মাসকে ‘হারাম’ বা সম্মানিত মাস হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে দুঃখজনকভাবে, আমাদের সমাজে রজব মাসকে কেন্দ্র করে এমন অনেক আমল ও ফযীলতের কথা প্রচলিত আছে, যার কোনোটিই সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
আজকের আর্টিকেলে আমরা জানব কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে রজব মাসের সঠিক আমল, বর্জনীয় কুসংস্কার এবং শবে মিরাজ সম্পর্কিত সঠিক তথ্য।
রজব মাসের পরিচয়
‘রজব’ শব্দটি আরবি ‘তারজিব’ থেকে এসেছে, যার অর্থ সম্মান করা বা তাজিম করা। জাহেলি যুগেও আরবরা এই মাসকে সম্মান করত এবং যুদ্ধবিগ্রহ থেকে বিরত থাকত। ইসলাম আগমনের পর এই মাসের সম্মান ও মর্যাদা বহাল রাখা হয়।
এটি হিজরি বর্ষপঞ্জির সপ্তম মাস, যা জুমাদাউল উখরা এবং শাবান মাসের মাঝখানে অবস্থিত।
কেন রজব মাসকে সম্মানিত বলা হয়
ইসলামি শরিয়তে চারটি মাসকে ‘আশহুরে হুরুম’ বা সম্মানিত/নিষিদ্ধ মাস বলা হয়। রজব হলো তার মধ্যে একটি। বাকি তিনটি হলো- জিলকদ, জিলহজ্জ ও মুহাররম। এই মাসগুলোতে যুদ্ধ-বিগ্রহ করা হারাম এবং ইবাদত-বন্দেগির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
কুরআন ও হাদিসে রজব মাসের উল্লেখ
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস বারোটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।” (সূরা আত-তাওবা: ৩৬)
বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) স্পষ্ট করেছেন যে, এই চারটি সম্মানিত মাসের মধ্যে একটি হলো ‘মুদার গোত্রের রজব মাস’।
রজব মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
চারটি হারাম মাসের একটি হিসেবে রজব
রজব মাসের মূল ফজিলত হলো এটি ‘হারাম’ বা সম্মানিত মাসসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এই মাসে আল্লাহ তাআলার নির্দেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং নেক কাজ করা অন্যান্য সাধারণ মাসের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার গুরুত্ব
ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে, সম্মানিত মাসগুলোতে গুনাহ করা অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি মারাত্মক। যেহেতু আল্লাহ এই মাসকে ‘নিজেদের প্রতি জুলুম করতে’ নিষেধ করেছেন, তাই এ মাসে পাপাচার থেকে বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে বড় ইবাদত।
নেক আমলের সওয়াব বৃদ্ধি
তাফসীরবিদগণের মতে, যেমন এই মাসে গুনাহের শাস্তি কঠোর, তেমনি এই মাসে করা নেক আমলের সওয়াবও আল্লাহ তাআলা বৃদ্ধি করে দেন। তাই সাধারণ ইবাদতগুলো এ মাসে বেশি বেশি করা উচিত।
রজব মাসে করণীয় আমলসমূহ
এটি মনে রাখা জরুরি যে, রজব মাসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নামাজ, বিশেষ পদ্ধতির রোজা বা জিকির সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
তবে সম্মানিত মাস হিসেবে সাধারণ নফল ইবাদতগুলো এ মাসে বেশি করা যায়।
বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার
তওবার গুরুত্ব
রমজান আসার আগে নিজের অন্তরকে পবিত্র করার উপযুক্ত সময় হলো রজব। এই মাসে বেশি বেশি ‘ইস্তিগফার’ (ক্ষমা প্রার্থনা) করা উচিত।
যাতে রমজান আসতে আসতে আমরা পরিচ্ছন্ন হৃদয় নিয়ে ইবাদতে মগ্ন হতে পারি।
ছোট-বড় গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা
জীবনের জানা-অজানা সকল গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা চাইতে হবে। সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পাঠ করা এবং তাহাজ্জুদের সময় ক্ষমা চাওয়া উত্তম।
নফল নামাজ আদায়
রজব মাসের নির্দিষ্ট কোনো নামাজ (যেমন: সালাতুর রাগাইব) নেই, যা হাদিসে প্রমাণিত। তবে সাধারণ নফল নামাজগুলো পড়া যায়:
- তাহাজ্জুদ: শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়া।
- সালাতুত তাওবা: গুনাহ মাফের নিয়তে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া।
- দুহা নামাজ: সূর্যোদয়ের পর চাশতের নামাজ আদায় করা।
নফল রোজা রাখা
রজব মাসের জন্য আলাদা কোনো রোজা বা ২৭শে রজবের রোজার বিশেষ ফজিলত নেই। তবে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী সাধারণ নফল রোজাগুলো রাখা যায়:
- সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা: প্রতি সপ্তাহে এই দুই দিন রোজা রাখা সুন্নাহ।
- আইয়ামে বীযের রোজা: চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখা।
কুরআন তিলাওয়াত ও তাফসীর অধ্যয়ন
দৈনিক কুরআন পাঠের অভ্যাস
রমজানে আমরা প্রচুর কুরআন তিলাওয়াত করি। সেই অভ্যাসটি রজব মাস থেকেই শুরু করা উচিত। দৈনিক অন্তত এক পারা বা আধা পারা তিলাওয়াত করা যেতে পারে।
অর্থ বুঝে পড়ার গুরুত্ব
কুরআন কেবল তিলাওয়াত নয়, বরং এর অর্থ ও ব্যাখ্যা (তাফসীর) পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশগুলো জানা এবং মানার চেষ্টা করা এই মাসের অন্যতম সেরা আমল।
দোয়া ও যিকির বৃদ্ধি
সকাল–সন্ধ্যার যিকির
সকাল ও সন্ধ্যায় রাসুলুল্লাহ (ﷺ) শেখানো মাসনুন দোয়া ও জিকিরগুলোর প্রতি যত্নবান হতে হবে।
আল্লাহর নিকট কবুলিয়তের দোয়া
একটি দোয়া বেশ প্রসিদ্ধ আছে- “আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা‘বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান”।
যদিও এই হাদিসটির সনদ নিয়ে মুহাদ্দিসগণের আপত্তি আছে, তবুও অর্থের দিক থেকে এটি সুন্দর। অর্থাৎ: “হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দিন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।” নফল দোয়া হিসেবে এটি পড়া যায়।
রজব মাসে বর্জনীয় কাজ
গুনাহ ও হারাম কাজ
সম্মানিত মাসে মিথ্যা বলা, গীবত করা, ঝগড়া-বিবাদ বা অশ্লীলতায় লিপ্ত হওয়া আল্লাহর বিধানের লঙ্ঘন। আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না”।
বিদআত ও ভিত্তিহীন আমল
রজব মাসকে কেন্দ্র করে সমাজে অসংখ্য জাল হাদিস ও বিদআত প্রচলিত আছে। যেমন:
- সালাতুর রাগাইব: রজব মাসের প্রথম জুমার রাতে বিশেষ পদ্ধতির নামাজ। এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট।
- নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ সওয়াব: রজবের ১ তারিখ বা ১৫ তারিখে বিশেষ ইবাদতের যেসব বর্ণনা পাওয়া যায়, তা মুহাদ্দিসগণের মতে ভিত্তিহীন।
অপচয় ও অহেতুক সময় নষ্ট
সময় আল্লাহর দেওয়া আমানত। রমজানের প্রস্তুতির এই সময়ে অহেতুক আড্ডা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় নষ্ট না করে আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহ করা উচিত।
রজব মাসে প্রচলিত ভুল ধারণা
নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ নামাজের ধারণা
অনেকে মনে করেন রজব মাসে বিশেষ কোনো রাতে বিশেষ সূরা দিয়ে নামাজ পড়লে হাজার বছরের সওয়াব হয়। আল্লামা ইবনু রাজাব, ইবনু হাজার আসকালানীসহ প্রখ্যাত মুহাদ্দিসগণ নিশ্চিত করেছেন যে, রজব মাসের বিশেষ কোনো নামাজের হাদিস সহীহ নয়।
ভিত্তিহীন রোজার ফজিলত প্রচার
“রজব মাসে ১টি রোজা রাখলে ১০০ বছরের সওয়াব” বা “২৭শে রজব রোজা রাখলে ৬০ বছরের গুনাহ মাফ”- এ জাতীয় কথাবার্তা সম্পূর্ণ জাল ও বানোয়াট। এসব বিশ্বাস থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
শবে মিরাজ সম্পর্কিত ভুল আমল
২৭শে রজবকে শবে মিরাজ হিসেবে পালন করা এবং এই রাতে উৎসব বা বিশেষ ইবাদতের আয়োজন করা সুন্নাহ ও সাহাবীদের আমল দ্বারা প্রমাণিত নয়।
শবে মিরাজ ও রজব মাস
শবে মিরাজের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ইসরা ও মিরাজ রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনের অন্যতম অলৌকিক ঘটনা। মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা এবং সেখান থেকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত এই ভ্রমণের ঘটনা সত্য।
করণীয় ও বর্জনীয় আমল
যদিও মিরাজের ঘটনা সত্য, কিন্তু এটি কোন তারিখে ঘটেছিল তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে চরম মতভেদ রয়েছে (কেউ বলেছেন রবিউল আউয়াল, কেউ রজব, কেউ রমজান)। এমনকি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বা সাহাবীরা কখনোই মিরাজের রাত উদযাপন করেননি। তাই এই রাতে হালুয়া-রুটি খাওয়া, আলোকসজ্জা করা বা বিশেষ পদ্ধতির নামাজ পড়া বিদআত।
প্রমাণিত আমলের সীমা
মিরাজের রাতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়েছে। তাই মিরাজের শিক্ষা হলো- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকা। নির্দিষ্ট রাত জাগরণ করা শরিয়ত নির্দেশিত নয়।
রজব মাসে দোয়া করার উত্তম সময়
যেহেতু নির্দিষ্ট দিন-ক্ষণের ফজিলত প্রমাণিত নয়, তাই দোয়া কবুলের সাধারণ সময়গুলোকে কাজে লাগাতে হবে:
- সাহরি ও ইফতারের সময়: নফল রোজার সময়।
- শেষ রাত: তাহাজ্জুদের সময় আল্লাহ বান্দার ডাক শোনেন।
- জুমার দিন: আসরের পরের সময়টুকু দোয়া কবুলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
শিশু ও পরিবারের জন্য রজব মাসের আমল
- পরিবারকে নামাজে উৎসাহিত করা: মিরাজের উপহার ‘নামাজ’ সম্পর্কে পরিবারের সবাইকে সচেতন করা।
- শিশুদের কুরআন শেখানো: রমজানের আগেই শিশুদের কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
- নৈতিক শিক্ষা প্রদান: হারাম মাসে মারামারি বা ঝগড়া করা যে নিষেধ, তা শিশুদের শেখানো।
রজব মাস থেকে শাবান ও রমজানের প্রস্তুতি
- আত্মশুদ্ধির পরিকল্পনা: গত বছরের রমজানের কাজা রোজা থাকলে তা এই মাসেই আদায় করে ফেলার পরিকল্পনা করা।
- আমলের রুটিন তৈরি: রজব ও শাবান হলো বীজ বপন ও পানি দেওয়ার মাস, আর রমজান হলো ফসল কাটার মাস। এখন থেকেই নফল ইবাদতের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
- রমজানের মানসিক প্রস্তুতি: মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করা যাতে রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগানো যায়।
রজব মাসের আমল সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: রজব মাসে বিশেষ কোনো নামাজ আছে কি?
উত্তর: না, রজব মাসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ নামাজ সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। সাধারণ নফল নামাজ পড়া যাবে।
প্রশ্ন: রজব মাসে রোজা রাখা কি ফরজ?
উত্তর: না, রজব মাসে রোজা রাখা ফরজ বা ওয়াজিব নয়। তবে সোমবার, বৃহস্পতিবার ও আইয়ামে বীযের নফল রোজা রাখা সুন্নাহ।
প্রশ্ন: রজব মাসে বেশি কী আমল করা উত্তম?
উত্তর: বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, তওবা করা এবং ফরজ ইবাদতগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা উত্তম।
প্রশ্ন: শবে মিরাজে কী কী আমল করা উচিত?
উত্তর: শবে মিরাজের নির্দিষ্ট কোনো আমল নেই। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করাই মূল করণীয়।
প্রশ্ন: রজব মাসে কোন আমল বিদআত?
উত্তর: সালাতুর রাগাইব (বিশেষ পদ্ধতির নামাজ), ২৭শে রজবকে ঈদ বা উৎসব মনে করা এবং ভিত্তিহীন সওয়াবের আশায় বিশেষ রসম-রেওয়াজ পালন করা বিদআত।
উপসংহার
রজব মাস আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা যে, রহমতের মাস রমজান খুব কাছে। এই মাসে কোনো বানোয়াট বা জাল হাদিসের ওপর ভিত্তি করে আমল না করে, বরং কুরআন ও সুন্নাহ নির্দেশিত সাধারণ নেক আমলগুলো বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বিদআত মুক্ত থেকে সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী রজব মাসের সম্মান রক্ষা করার ও রমজানের প্রস্তুতি নেওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন।
কুরআনের অন্যান্য কিছু সূরার বাংলা অর্থও ও উচ্চারণ ও কিছু দোয়া:
১. সূরা কাফিরুন: বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
২. সূরা আসর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
৩. সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
৪. সূরা আদ দুহার বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, তাফসীর ও ফজিলত
৫. সূরা মাউন বাংলা উচ্চারণসহ অর্থ ও ফজিলত
৬. সূরা লাহাব বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও তাফসীর
৭. সূরা ইখলাস – বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত
৮. সূরা ফালাকের বাংলা উচ্চারণ, আরবি, অর্থ ও তাফসীর
৯. সূরা ফীল বাংলা উচ্চারণ, আরবি, অর্থ, তাফসীর ও ফজিলত – সম্পূর্ণ গাইড
১০. সূরা কদরের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ: লাইলাতুল কদরের মহিমা, আমল ও ফজিলত
১১. পড়া মনে রাখার দোয়া, অর্থ ও ফজিলত
১২. সূরা কাউসারের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ
১৩. সূরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ
১৪. দরুদ শরীফের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ | ফজিলত, ব্যাখ্যা সহ সম্পূর্ণ গাইড
১৫. দোয়া মাসুরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ : একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড
১৮. আয়াতুল কুরসি – পরিচিতি, নাজিলের স্থান, পড়ার নিয়ম