বাংলা ক্যালেন্ডারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
বাংলার পঞ্জিকা বা বাংলা সন বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক। এর মূল ইতিহাস নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- সূচনা: প্রায় সাতশত বছর আগে মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে (১৫৮৪ সালে) এটি প্রবর্তিত হয়।
- উদ্দেশ্য: মূলত কৃষিকাজ এবং সুষ্ঠুভাবে রাজস্ব (কর) আদায়ের সুবিধার্থে এই ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছিল।
- ফসলি সন: শুরুর দিকে একে “ফসলি সন” বলা হতো। সম্রাট আকবর এর নাম দিয়েছিলেন “তারিখ-ই-ইলাহী”।
- কারিগর: আকবরের রাজকীয় জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লাহ শিরাজী সৌর ও চন্দ্র মাসের সমন্বয়ে এই পঞ্জিকা প্রস্তুত করেন।
- সংস্কৃতি: পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ক্যালেন্ডার আজও বাঙালির উৎসব ও জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
২০২৬ সালের ইংরেজী ক্যালেন্ডার ও ছুটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন
২০২৬ সালের ১২ মাসের বাংলা ক্যালেন্ডার | বাংলা টু ইংলিশ ক্যালেন্ডার ২০২৬
জানুয়ারি ২০২৬ ( january 2026 bengali calendar )
বাংলা বছর: ১৪৩২ | মাস: পৌষ ও মাঘ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৭ পৌষ) | ২ (১৮ পৌষ) | ৩ (১৯ পৌষ) | ||||
| ৪ (২০ পৌষ) | ৫ (২১ পৌষ) | ৬ (২২ পৌষ) | ৭ (২৩ পৌষ) | ৮ (২৪ পৌষ) | ৯ (২৫ পৌষ) | ১০ (২৬ পৌষ) |
| ১১ (২৭ পৌষ) | ১২ (২৮ পৌষ) | ১৩ (২৯ পৌষ) | ১৪ (৩০ পৌষ) | ১৫ (১ মাঘ) | ১৬ (২ মাঘ) | ১৭ (৩ মাঘ) |
| ১৮ (৪ মাঘ) | ১৯ (৫ মাঘ) | ২০ (৬ মাঘ) | ২১ (৭ মাঘ) | ২২ (৮ মাঘ) | ২৩ (৯ মাঘ) | ২৪ (১০ মাঘ) |
| ২৫ (১১ মাঘ) | ২৬ (১২ মাঘ) | ২৭ (১৩ মাঘ) | ২৮ (১৪ মাঘ) | ২৯ (১৫ মাঘ) | ৩০ (১৬ মাঘ) | ৩১ (১৭ মাঘ) |
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩২ | মাস: মাঘ ও ফাল্গুন
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৮ মাঘ) | ২ (১৯ মাঘ) | ৩ (২০ মাঘ) | ৪ (২১ মাঘ) | ৫ (২২ মাঘ) | ৬ (২৩ মাঘ) | ৭ (২৪ মাঘ) |
| ৮ (২৫ মাঘ) | ৯ (২৬ মাঘ) | ১০ (২৭ মাঘ) | ১১ (২৮ মাঘ) | ১২ (২৯ মাঘ) | ১৩ (৩০ মাঘ) | ১৪ (১ ফাল্গুন) |
| ১৫ (২ ফাল্গুন) | ১৬ (৩ ফাল্গুন) | ১৭ (৪ ফাল্গুন) | ১৮ (৫ ফাল্গুন) | ১৯ (৬ ফাল্গুন) | ২০ (৭ ফাল্গুন) | ২১ (৮ ফাল্গুন) শহীদ দিবস |
| ২২ (৯ ফাল্গুন) | ২৩ (১০ ফাল্গুন) | ২৪ (১১ ফাল্গুন) | ২৫ (১২ ফাল্গুন) | ২৬ (১৩ ফাল্গুন) | ২৭ (১৪ ফাল্গুন) | ২৮ (১৫ ফাল্গুন) |
মার্চ ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩২ | মাস: ফাল্গুন ও চৈত্র
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৬ ফাল্গুন) | ২ (১৭ ফাল্গুন) | ৩ (১৮ ফাল্গুন) | ৪ (১৯ ফাল্গুন) | ৫ (২০ ফাল্গুন) | ৬ (২১ ফাল্গুন) | ৭ (২২ ফাল্গুন) |
| ৮ (২৩ ফাল্গুন) | ৯ (২৪ ফাল্গুন) | ১০ (২৫ ফাল্গুন) | ১১ (২৬ ফাল্গুন) | ১২ (২৭ ফাল্গুন) | ১৩ (২৮ ফাল্গুন) | ১৪ (২৯ ফাল্গুন) |
| ১৫ (৩০ ফাল্গুন) | ১৬ (১ চৈত্র) | ১৭ (২ চৈত্র) | ১৮ (৩ চৈত্র) | ১৯ (৪ চৈত্র) | ২০ (৫ চৈত্র) | ২১ (৬ চৈত্র) |
| ২২ (৭ চৈত্র) | ২৩ (৮ চৈত্র) | ২৪ (৯ চৈত্র) | ২৫ (১০ চৈত্র) | ২৬ (১১ চৈত্র) | ২৭ (১২ চৈত্র) | ২৮ (১৩ চৈত্র) |
| ২৯ (১৪ চৈত্র) | ৩০ (১৫ চৈত্র) | ৩১ (১৬ চৈত্র) |
এপ্রিল ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩২ ও ১৪৩৩ | মাস: চৈত্র ও বৈশাখ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৭ চৈত্র) | ২ (১৮ চৈত্র) | ৩ (১৯ চৈত্র) | ৪ (২০ চৈত্র) | ৫ (২১ চৈত্র) | ||
| ৬ (২২ চৈত্র) | ৭ (২৩ চৈত্র) | ৮ (২৪ চৈত্র) | ৯ (২৫ চৈত্র) | ১০ (২৬ চৈত্র) | ১১ (২৭ চৈত্র) | ১২ (২৮ চৈত্র) |
| ১৩ (২৯ চৈত্র) | ১৪ (৩০ চৈত্র) | ১৫ (১ বৈশাখ ১৪৩৩) নববর্ষ | ১৬ (২ বৈশাখ) | ১৭ (৩ বৈশাখ) | ১৮ (৪ বৈশাখ) | ১৯ (৫ বৈশাখ) |
| ২০ (৬ বৈশাখ) | ২১ (৭ বৈশাখ) | ২২ (৮ বৈশাখ) | ২৩ (৯ বৈশাখ) | ২৪ (১০ বৈশাখ) | ২৫ (১১ বৈশাখ) | ২৬ (১২ বৈশাখ) |
| ২৭ (১৩ বৈশাখ) | ২৮ (১৪ বৈশাখ) | ২৯ (১৫ বৈশাখ) | ৩০ (১৬ বৈশাখ) |
মে ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৭ বৈশাখ) | ২ (১৮ বৈশাখ) | ৩ (১৯ বৈশাখ) | ||||
| ৪ (২০ বৈশাখ) | ৫ (২১ বৈশাখ) | ৬ (২২ বৈশাখ) | ৭ (২৩ বৈশাখ) | ৮ (২৪ বৈশাখ) | ৯ (২৫ বৈশাখ) | ১০ (২৬ বৈশাখ) |
| ১১ (২৭ বৈশাখ) | ১২ (২৮ বৈশাখ) | ১৩ (২৯ বৈশাখ) | ১৪ (৩০ বৈশাখ) | ১৫ (১ জ্যৈষ্ঠ) | ১৬ (২ জ্যৈষ্ঠ) | ১৭ (৩ জ্যৈষ্ঠ) |
| ১৮ (৪ জ্যৈষ্ঠ) | ১৯ (৫ জ্যৈষ্ঠ) | ২০ (৬ জ্যৈষ্ঠ) | ২১ (৭ জ্যৈষ্ঠ) | ২২ (৮ জ্যৈষ্ঠ) | ২৩ (৯ জ্যৈষ্ঠ) | ২৪ (১০ জ্যৈষ্ঠ) |
| ২৫ (১১ জ্যৈষ্ঠ) | ২৬ (১২ জ্যৈষ্ঠ) | ২৭ (১৩ জ্যৈষ্ঠ) | ২৮ (১৪ জ্যৈষ্ঠ) | ২৯ (১৫ জ্যৈষ্ঠ) | ৩০ (১৬ জ্যৈষ্ঠ) | ৩১ (১৭ জ্যৈষ্ঠ) |
জুন ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ়
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৮ জ্যৈষ্ঠ) | ২ (১৯ জ্যৈষ্ঠ) | ৩ (২০ জ্যৈষ্ঠ) | ৪ (২১ জ্যৈষ্ঠ) | ৫ (২২ জ্যৈষ্ঠ) | ৬ (২৩ জ্যৈষ্ঠ) | ৭ (২৪ জ্যৈষ্ঠ) |
| ৮ (২৫ জ্যৈষ্ঠ) | ৯ (২৬ জ্যৈষ্ঠ) | ১০ (২৭ জ্যৈষ্ঠ) | ১১ (২৮ জ্যৈষ্ঠ) | ১২ (২৯ জ্যৈষ্ঠ) | ১৩ (৩০ জ্যৈষ্ঠ) | ১৪ (১ আষাঢ়) |
| ১৫ (২ আষাঢ়) | ১৬ (৩ আষাঢ়) | ১৭ (৪ আষাঢ়) | ১৮ (৫ আষাঢ়) | ১৯ (৬ আষাঢ়) | ২০ (৭ আষাঢ়) | ২১ (৮ আষাঢ়) |
| ২২ (৯ আষাঢ়) | ২৩ (১০ আষাঢ়) | ২৪ (১১ আষাঢ়) | ২৫ (১২ আষাঢ়) | ২৬ (১৩ আষাঢ়) | ২৭ (১৪ আষাঢ়) | ২৮ (১৫ আষাঢ়) |
| ২৯ (১৬ আষাঢ়) | ৩০ (১৭ আষাঢ়) |
জুলাই ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: আষাঢ় ও শ্রাবণ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৮ আষাঢ়) | ২ (১৯ আষাঢ়) | ৩ (২০ আষাঢ়) | ৪ (২১ আষাঢ়) | ৫ (২২ আষাঢ়) | ||
| ৬ (২৩ আষাঢ়) | ৭ (২৪ আষাঢ়) | ৮ (২৫ আষাঢ়) | ৯ (২৬ আষাঢ়) | ১০ (২৭ আষাঢ়) | ১১ (২৮ আষাঢ়) | ১২ (২৯ আষাঢ়) |
| ১৩ (৩০ আষাঢ়) | ১৪ (১ শ্রাবণ) | ১৫ (২ শ্রাবণ) | ১৬ (৩ শ্রাবণ) | ১৭ (৪ শ্রাবণ) | ১৮ (৫ শ্রাবণ) | ১৯ (৬ শ্রাবণ) |
| ২০ (৭ শ্রাবণ) | ২১ (৮ শ্রাবণ) | ২২ (৯ শ্রাবণ) | ২৩ (১০ শ্রাবণ) | ২৪ (১১ শ্রাবণ) | ২৫ (১২ শ্রাবণ) | ২৬ (১৩ শ্রাবণ) |
| ২৭ (১৪ শ্রাবণ) | ২৮ (১৫ শ্রাবণ) | ২৯ (১৬ শ্রাবণ) | ৩০ (১৭ শ্রাবণ) | ৩১ (১৮ শ্রাবণ) |
আগস্ট ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: শ্রাবণ ও ভাদ্র
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৯ শ্রাবণ) | ২ (২০ শ্রাবণ) | |||||
| ৩ (২১ শ্রাবণ) | ৪ (২২ শ্রাবণ) | ৫ (২৩ শ্রাবণ) | ৬ (২৪ শ্রাবণ) | ৭ (২৫ শ্রাবণ) | ৮ (২৬ শ্রাবণ) | ৯ (২৭ শ্রাবণ) |
| ১০ (২৮ শ্রাবণ) | ১১ (২৯ শ্রাবণ) | ১২ (৩০ শ্রাবণ) | ১৩ (৩১ শ্রাবণ) | ১৪ (১ ভাদ্র) | ১৫ (২ ভাদ্র) | ১৬ (৩ ভাদ্র) |
| ১৭ (৪ ভাদ্র) | ১৮ (৫ ভাদ্র) | ১৯ (৬ ভাদ্র) | ২০ (৭ ভাদ্র) | ২১ (৮ ভাদ্র) | ২২ (৯ ভাদ্র) | ২৩ (১০ ভাদ্র) |
| ২৪ (১১ ভাদ্র) | ২৫ (১২ ভাদ্র) | ২৬ (১৩ ভাদ্র) | ২৭ (১৪ ভাদ্র) | ২৮ (১৫ ভাদ্র) | ২৯ (১৬ ভাদ্র) | ৩০ (১৭ ভাদ্র) |
| ৩১ (১৮ ভাদ্র) |
সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: ভাদ্র ও আশ্বিন
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৯ ভাদ্র) | ২ (২০ ভাদ্র) | ৩ (২১ ভাদ্র) | ৪ (২২ ভাদ্র) | ৫ (২৩ ভাদ্র) | ৬ (২৪ ভাদ্র) | |
| ৭ (২৫ ভাদ্র) | ৮ (২৬ ভাদ্র) | ৯ (২৭ ভাদ্র) | ১০ (২৮ ভাদ্র) | ১১ (২৯ ভাদ্র) | ১২ (৩০ ভাদ্র) | ১৩ (৩১ ভাদ্র) |
| ১৪ (১ আশ্বিন) | ১৫ (২ আশ্বিন) | ১৬ (৩ আশ্বিন) | ১৭ (৪ আশ্বিন) | ১৮ (৫ আশ্বিন) | ১৯ (৬ আশ্বিন) | ২০ (৭ আশ্বিন) |
| ২১ (৮ আশ্বিন) | ২২ (৯ আশ্বিন) | ২৩ (১০ আশ্বিন) | ২৪ (১১ আশ্বিন) | ২৫ (১২ আশ্বিন) | ২৬ (১৩ আশ্বিন) | ২৭ (১৪ আশ্বিন) |
| ২৮ (১৫ আশ্বিন) | ২৯ (১৬ আশ্বিন) | ৩০ (১৭ আশ্বিন) |
অক্টোবর ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: আশ্বিন ও কার্তিক
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৮ আশ্বিন) | ২ (১৯ আশ্বিন) | ৩ (২০ আশ্বিন) | ৪ (২১ আশ্বিন) | |||
| ৫ (২২ আশ্বিন) | ৬ (২৩ আশ্বিন) | ৭ (২৪ আশ্বিন) | ৮ (২৫ আশ্বিন) | ৯ (২৬ আশ্বিন) | ১০ (২৭ আশ্বিন) | ১১ (২৮ আশ্বিন) |
| ১২ (২৯ আশ্বিন) | ১৩ (৩০ আশ্বিন) | ১৪ (১ কার্তিক) | ১৫ (২ কার্তিক) | ১৬ (৩ কার্তিক) | ১৭ (৪ কার্তিক) | ১৮ (৫ কার্তিক) |
| ১৯ (৬ কার্তিক) | ২০ (৭ কার্তিক) | ২১ (৮ কার্তিক) | ২২ (৯ কার্তিক) | ২৩ (১০ কার্তিক) | ২৪ (১১ কার্তিক) | ২৫ (১২ কার্তিক) |
| ২৬ (১৩ কার্তিক) | ২৭ (১৪ কার্তিক) | ২৮ (১৫ কার্তিক) | ২৯ (১৬ কার্তিক) | ৩০ (১৭ কার্তিক) | ৩১ (১৮ কার্তিক) |
নভেম্বর ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৯ কার্তিক) | ২ (২০ কার্তিক) | ৩ (২১ কার্তিক) | ৪ (২২ কার্তিক) | ৫ (২৩ কার্তিক) | ৬ (২৪ কার্তিক) | ৭ (২৫ কার্তিক) |
| ৮ (২৬ কার্তিক) | ৯ (২৭ কার্তিক) | ১০ (২৮ কার্তিক) | ১১ (২৯ কার্তিক) | ১২ (৩০ কার্তিক) | ১৩ (১ অগ্রহায়ণ) | ১৪ (২ অগ্রহায়ণ) |
| ১৫ (৩ অগ্রহায়ণ) | ১৬ (৪ অগ্রহায়ণ) | ১৭ (৫ অগ্রহায়ণ) | ১৮ (৬ অগ্রহায়ণ) | ১৯ (৭ অগ্রহায়ণ) | ২০ (৮ অগ্রহায়ণ) | ২১ (৯ অগ্রহায়ণ) |
| ২২ (১০ অগ্রহায়ণ) | ২৩ (১১ অগ্রহায়ণ) | ২৪ (১২ অগ্রহায়ণ) | ২৫ (১৩ অগ্রহায়ণ) | ২৬ (১৪ অগ্রহায়ণ) | ২৭ (১৫ অগ্রহায়ণ) | ২৮ (১৬ অগ্রহায়ণ) |
| ২৯ (১৭ অগ্রহায়ণ) | ৩০ (১৮ অগ্রহায়ণ) |
ডিসেম্বর ২০২৬
বাংলা বছর: ১৪৩৩ | মাস: অগ্রহায়ণ ও পৌষ
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহস্পতি | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ (১৯ অগ্রহায়ণ) | ২ (২০ অগ্রহায়ণ) | ৩ (২১ অগ্রহায়ণ) | ৪ (২২ অগ্রহায়ণ) | ৫ (২৩ অগ্রহায়ণ) | ৬ (২৪ অগ্রহায়ণ) | |
| ৭ (২৫ অগ্রহায়ণ) | ৮ (২৬ অগ্রহায়ণ) | ৯ (২৭ অগ্রহায়ণ) | ১০ (২৮ অগ্রহায়ণ) | ১১ (২৯ অগ্রহায়ণ) | ১২ (৩০ অগ্রহায়ণ) | ১৩ (১ পৌষ) |
| ১৪ (২ পৌষ) | ১৫ (৩ পৌষ) | ১৬ (৪ পৌষ) | ১৭ (৫ পৌষ) | ১৮ (৬ পৌষ) | ১৯ (৭ পৌষ) | ২০ (৮ পৌষ) |
| ২১ (৯ পৌষ) | ২২ (১০ পৌষ) | ২৩ (১১ পৌষ) | ২৪ (১২ পৌষ) | ২৫ (১৩ পৌষ) | ২৬ (১৪ পৌষ) | ২৭ (১৫ পৌষ) |
| ২৮ (১৬ পৌষ) | ২৯ (১৭ পৌষ) | ৩০ (১৮ পৌষ) | ৩১ (১৯ পৌষ) |
বাংলা ছুটির ক্যালেন্ডার ২০২৬ | 2026 calendar with holidays bengali
| উৎসব/দিবস | ইংরেজি তারিখ (২০২৬) | বাংলা তারিখ (সম্ভাব্য) | তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় |
| শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | ২১ ফেব্রুয়ারি, শনিবার | ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। |
| স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস | ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার | ১২ চৈত্র, ১৪৩২ | মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতার উদযাপন। |
| ঈদ-উল-ফিতর | ২১ মার্চ, শনিবার (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) | ৬ চৈত্র, ১৪৩২ (১ শাওয়াল) | এক মাস সিয়াম সাধনার শেষে আনন্দময় ধর্মীয় উৎসব। |
| পহেলা বৈশাখ | ১৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার | ১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন, নতুনভাবে জীবন শুরু করার আনন্দ। |
| মে দিবস | ১ মে, শুক্রবার | ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ | বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের অধিকার ও তাদের অবদানের স্বীকৃতি। |
| বুদ্ধ পূর্ণিমা | ১ মে, শুক্রবার | ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ | গৌতম বুদ্ধের জন্ম, জ্ঞান লাভ ও মহাপরিনির্বাণের পবিত্র তিথি। |
| ঈদ-উল-আজহা | ২৮ মে, বৃহস্পতিবার (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) | ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ (১০ জিলহজ) | ত্যাগের মহিমা ও কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহ্র প্রতি আনুগত্য প্রকাশ। |
| আশুরা | ২৬ জুন, শুক্রবার (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) | ১২ আষাঢ়, ১৪৩৩ (১০ মুহররম) | কারবালার শোকাবহ স্মৃতি স্মরণ এবং আত্ম-অনুশোচনার দিন। |
| ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) | ২৬ আগস্ট, বুধবার (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ (১২ রবিউল আউয়াল) | মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী। |
| জন্মাষ্টমী | ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার | ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র জন্মতিথি হিসেবে এই দিনটি পালিত হয়। |
| দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী) | ২১ অক্টোবর, বুধবার | ৪ কার্তিক, ১৪৩৩ | দেবী দুর্গার মর্ত্যলোক থেকে কৈলাসে ফিরে যাওয়ার শুভ মুহূর্ত। |
| বিজয় দিবস | ১৬ ডিসেম্বর, বুধবার | ১ পৌষ, ১৪৩৩ | পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গৌরবময় বিজয়ের দিন। |
| বড়দিন | ২৫ ডিসেম্বর, শুক্রবার | ১০ পৌষ, ১৪৩৩ | যিশু খ্রিষ্টের শুভ জন্মদিন, বিশ্বজুড়ে পালন করা এক আনন্দ উৎসব। |
বাংলা ক্যালেন্ডারের গঠন
বাংলা ক্যালেন্ডার একটি সৌরভিত্তিক পঞ্জিকা ব্যবস্থা। এতে মোট বারোটি মাস রয়েছে। প্রতিটি মাসের নিজস্ব নাম ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বাংলা ক্যালেন্ডারের বছর শুরু হয় পহেলা বৈশাখ থেকে। এই পঞ্জিকায় ছয়টি ঋতুর উল্লেখ রয়েছে। প্রতি ঋতু দুই মাসের সমান। বাংলা ক্যালেন্ডারের মাসগুলো হলো: বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন এবং চৈত্র। বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রতিটি মাসে ত্রিশ বা একত্রিশ দিন থাকে। বাংলা ক্যালেন্ডারে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ারের ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পঞ্জিকা বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২০২৬ সালের বাংলা মাস ও তারিখ সমূহ
২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বাংলা বর্ষপঞ্জির ১৪৩২ ও ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অংশ বিশেষ। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের শেষ ভাগ এবং ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের পুরোটা এই সালে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী মাসগুলি হলো: বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন এবং চৈত্র। প্রতিটি মাসের নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন রয়েছে, যা সাধারণত ৩০ বা ৩১ দিনের হয়ে থাকে। ২০২৬ সালে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। ২০২৬ সালের বাংলা ক্যালেন্ডার প্রতিটি তারিখ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সাথে মিলিয়ে বোঝা প্রয়োজন, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উভয় ক্যালেন্ডারই ব্যবহৃত হয়। বাংলা ক্যালেন্ডার 2026 আজকের তারিখ দেখুন ওপরের টেবিলে।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন
১৪৩৩ বঙ্গাব্দের নববর্ষ ২০২৬/পহেলা বৈশাখ ২০২৬ সালের ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার উদযাপিত হবে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন সকাল থেকেই মানুষ নতুন পোশাক পরিধান করে ঘরে ঘরে পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ ও বিভিন্ন পিঠা-পুলি খেয়ে দিনটি উদযাপন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, যা নববর্ষের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাজারো মানুষ একত্রিত হয়ে গান গেয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানায়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।
বাংলা ক্যালেন্ডারের পঞ্জিকা সংস্কার
বাংলা ক্যালেন্ডারের ইতিহাসে বেশ কয়েকবার সংস্কার হয়েছে। প্রথম সংস্কার মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে হয়েছিল। তিনি চন্দ্রমাস ভিত্তিক পঞ্জিকাকে সৌরমাস ভিত্তিক করেন। এই সংস্কারের ফলে কৃষিকাজের সুবিধা হয়। দ্বিতীয় সংস্কার ব্রিটিশ শাসনামলে হয়। তারা বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয় করেন। তৃতীয় সংস্কার বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে করে। তারা বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সম্পর্ক আরও সুনির্দিষ্ট করেন। এই সংস্কারের ফলে বাংলা নববর্ষ ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও বাংলা ক্যালেন্ডারের সংস্কার হয়েছে। তারা বাংলা নববর্ষ ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু করে। এই সংস্কারগুলো বাংলা ক্যালেন্ডারকে আরও ব্যবহার উপযোগী করেছে।
বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ধর্মীয় উৎসব
২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুসারে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়, যা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য দুর্গাপূজা, কালীপূজা, সরস্বতী পূজা, লক্ষ্মী পূজা, জন্মাষ্টমী, রাম নবমী প্রভৃতি উৎসব বাংলা মাসের সাথে সম্পর্কিত। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, শবে বরাত, শবে কদর, ঈদে মিলাদুন্নবী প্রভৃতি ধর্মীয় উৎসব ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুসারে পালিত হলেও বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে এগুলির একটি সম্পর্ক রয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য বুদ্ধ পূর্ণিমা এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য বড়দিন ও ইস্টারও বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে সমন্বয় করে পালিত হয়। এসব ধর্মীয় উৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
বাংলা ক্যালেন্ডারের ঋতু ও উৎসব
বাংলা ক্যলেন্ডার ছয়টি ঋতুতে বিভক্ত, যা প্রতিটি দুই মাস করে স্থায়ী হয়। গ্রীষ্মকাল বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে, বর্ষাকাল আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে, শরৎকাল ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে, হেমন্তকাল কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে, শীতকাল পৌষ ও মাঘ মাসে এবং বসন্তকাল ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে বিরাজ করে। প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও উৎসব রয়েছে। গ্রীষ্মকালে নববর্ষ উদযাপন, বর্ষাকালে রাধাকৃষ্ণের রাসলীলা, শরৎকালে দুর্গাপূজা, হেমন্তকালে কার্তিক পূজা, শীতকালে সরস্বতী পূজা এবং বসন্তকালে বসন্ত উৎসব ও দোলযাত্রা পালিত হয়। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রকৃতির রূপ পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রা, পোশাক-আশাক, খাদ্যাভ্যাস ও উৎসবেও বৈচিত্র্য দেখা যায়।
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির দিন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বাংলা বর্ষপঞ্জি ২০২৬ (bangla panjika 2026) কর্তৃক ঘোষিত সরকারি ছুটির দিনগুলি বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে সম্পর্কিত। বাংলা মাস ও তারিখ ২০২৬ এর মধ্যে পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল), ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস প্রভৃতি জাতীয় দিবসগুলি সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এছাড়া ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, শবে বরাত, শবে কদর, ঈদে মিলাদুন্নবী প্রভৃতি ইসলামিক উৎসব এবং দুর্গাপূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, বড়দিন প্রভৃতি ধর্মীয় উৎসবও সরকারি ছুটির অন্তর্ভুক্ত। সরকারি ছুটির দিনগুলি সাধারণত বাংলা ও ইংরেজি উভয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ঘোষণা করা হয়, যাতে নাগরিকরা সহজেই তাদের কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে পারে। এই ছুটির দিনগুলি মানুষকে তাদের পারিবারিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ প্রদান করে।
বাংলা ক্যালেন্ডার ও কৃষিকাজ
বাংলা ক্যালেন্ডার বাংলাদেশের কৃষিকাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলা মাসগুলি কৃষি কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যা কৃষকদের ফসল রোপণ, পরিচর্যা ও কাটাইয়ের সময় নির্ধারণে সাহায্য করে। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে আমন ধান, পাট, আলু ও সবজির চাষ শুরু হয়। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে বৃষ্টিপাতের কারণে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়। ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে আমন ধানের পরিচর্যা এবং কিছু সবজি ও ফল সংগ্রহ করা হয়। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটা ও মাড়াই করা হয় এবং বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়। পৌষ ও মাঘ মাসে বোরো ধানের চারা রোপণ এবং শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে বোরো ধানের পরিচর্যা এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এভাবে বাংলা ক্যালেন্ডার কৃষিকাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে।
বাংলা ক্যালেন্ডার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
বাংলা ক্যালেন্ডার বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অপরিহার্য অংশ, যা আমাদের জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে ধারণ করে। বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের লোকসংস্কৃতি, লোকগীতি, লোকনৃত্য, লোককাহিনী এবং লোকউৎসব। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, হালখাতা, পান্তা ইলিশ খাওয়া প্রভৃতি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। বাংলা মাস অনুযায়ী আয়োজিত বিভিন্ন মেলা যেমন রাজশাহীর পূবেশ্বরী মেলা, চট্টগ্রামের বিজয়ী মেলা, সিলেটের শাহজালাল মেলা, ঢাকার বলকান মেলা প্রভৃতি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করে। বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন লোকউৎসব যেমন নবান্ন, পৌষ সংক্রান্তি, চৈত্র সংক্রান্তি, ফাল্গুনী পূর্ণিমা প্রভৃতি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে। এসব উৎসব ও অনুষ্ঠান আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় বজায় রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
বাংলা ক্যালেন্ডারের মুসলিম পঞ্জিকার সাথে সম্পর্ক
বাংলা ক্যালেন্ডার ও মুসলিম পঞ্জিকার মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে। বাংলা ক্যালেন্ডার সৌরমাস ভিত্তিক, যেখানে মুসলিম পঞ্জিকা চন্দ্রমাস ভিত্তিক। বাংলা ক্যালেন্ডারের বছর শুরু হয় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে। মুসলিম পঞ্জিকার বছর শুরু হয় মুহররম মাস থেকে। বাংলা ক্যালেন্ডারের মাসগুলো মুসলিম পঞ্জিকার মাসগুলোর সাথে মিলে যায় না। বাংলা ক্যালেন্ডারের বছরের দিনসংখ্যা ৩৬৫ বা ৩৬৬ হয়। মুসলিম পঞ্জিকার বছরের দিনসংখ্যা ৩৫৪ বা ৩৫৫ হয়। বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে মুসলিম পঞ্জিকার সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য একটি সূত্র ব্যবহার করা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, মুসলিম পঞ্জিকার বছর বাংলা ক্যালেন্ডারের তুলনায় প্রায় ১১ দিন কম হয়। এই সম্পর্কের কারণে বাংলা ক্যালেন্ডার ও মুসলিম পঞ্জিকার মধ্যে রূপান্তর করা সম্ভব হয়।
বাংলা ক্যালেন্ডারের ব্যবহার বাংলাদেশে
বাংলা ক্যালেন্ডার বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পঞ্জিকা ব্যবস্থা। বাংলাদেশ সরকার বাংলা ক্যালেন্ডারকে সরকারি স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের সরকারি কাজে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা হয়। বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও মিডিয়াতে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের উৎসব ও অনুষ্ঠানগুলো বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পালিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় ছুটির দিনগুলো বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশের কৃষকরা বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কৃষিকাজ করেন। বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাংলা ক্যালেন্ডারের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা ক্যালেন্ডার বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক।
বাংলা ক্যালেন্ডার, গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও উৎসবসমূহ ২০২৬
বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রতিটি মাসে বিভিন্ন ধরনের উৎসব ও অনুষ্ঠান পালিত হয়, যা বাঙালি সংস্কৃতির পরিচায়ক। বৈশাখ মাসে নববর্ষ, পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসে জ্যৈষ্ঠী মেলা এবং নবান্ন উৎসব পালিত হয়। আষাঢ় মাসে আষাঢ়ী পূজা এবং রাধাকৃষ্ণের রাসলীলা উদযাপিত হয়। শ্রাবণ মাসে রাখীবন্ধন এবং জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয়। ভাদ্র মাসে গণেশ পূজা এবং বিভিন্ন জমিদারি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আশ্বিন মাসে দুর্গাপূজা, লক্ষ্মী পূজা এবং কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা পালিত হয়। কার্তিক মাসে কালীপূজা, দিপাবলি এবং ভাইফোঁটা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অগ্রহায়ণ মাসে জগদ্ধাত্রী পূজা এবং ভ্রাতৃদ্বিতীয়া পালিত হয়। পৌষ মাসে পৌষ সংক্রান্তি এবং পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মাঘ মাসে সরস্বতী পূজা এবং মকর সংক্রান্তি পালিত হয়। ফাল্গুন মাসে বসন্ত উৎসব এবং শিবরাত্রি উদযাপিত হয়। চৈত্র মাসে চৈত্র সংক্রান্তি, রাম নবমী এবং গাজী উৎসব পালিত হয়।
বাংলা ক্যালেন্ডারের ভবিষ্যৎ
বাংলা ক্যালেন্ডারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। আধুনিক যুগেও বাংলা ক্যালেন্ডারের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ থাকবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির পরিচয় বহন করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির উৎসব ও অনুষ্ঠান পালনে সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির কৃষিকাজে সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির জীবনযাত্রা পরিচালনায় সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির সাহিত্য ও শিল্পকলা চর্চায় সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির জাতীয় পরিচয় বজায় রাখতে সাহায্য করবে। বাংলা ক্যালেন্ডার ভবিষ্যতেও বাঙালির ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
বাংলা ক্যালেন্ডারের আধুনিক প্রয়োগ
বাংলা ক্যালেন্ডারের (bangla calendar 2026 today) আধুনিক প্রয়োগ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায়। আধুনিক প্রযুক্তিতে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। স্মার্টফোন ও কম্পিউটারে বাংলা ক্যালেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। ওয়েবসাইটে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক ব্যবসা-বাণিজ্যে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক প্রশাসনিক কাজে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক গবেষণায় বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক পর্যটন শিল্পে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক কৃষিকাজে বাংলা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আধুনিক প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা ক্যালেন্ডার আরও জনপ্রিয় হচ্ছে।
বাংলা ক্যালেন্ডার নিয়ে প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: বাংলা ক্যালেন্ডার কবে থেকে চালু হয়?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডার মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে চালু হয়। তিনি কৃষি উৎপাদন ও রাজস্ব আদায় সহজ করার জন্য জ্যোতির্বিদ আমির ফতুল্লাহ শিরাজীর সহায়তায় এই সৌর ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেন। প্রথমে এর নাম ছিল ফসলি সন, পরে এটি বঙ্গাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
প্রশ্ন ২: বাংলা নববর্ষ/পহেলা বৈশাখ কত তারিখ ২০২৬?
উত্তর: বাংলা নববর্ষ/পহেলা বৈশাখ প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে পালিত হয়। ২০২৬ সালে বাংলা নববর্ষ/পহেলা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার পালিত হবে। এদিন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, হালখাতা প্রভৃতি।
প্রশ্ন ৩: বাংলা ক্যালেন্ডারে কয়টি মাস আছে এবং সেগুলি কী কী?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডারে মোট ১২টি মাস রয়েছে। এগুলি হলো: বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন এবং চৈত্র। প্রতিটি মাসের নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন রয়েছে, যা সাধারণত ৩০ বা ৩১ দিনের হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ৪: বাংলা ক্যালেন্ডারে কয়টি ঋতু আছে এবং সেগুলি কী কী?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডারে বাংলাদেশে বর্তমান ঋতু মোট ছয়টি। এগুলি হলো: গ্রীষ্মকাল (বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ), বর্ষাকাল (আষাঢ় ও শ্রাবণ), শরৎকাল (ভাদ্র ও আশ্বিন), হেমন্তকাল (কার্তিক ও অগ্রহায়ণ), শীতকাল (পৌষ ও মাঘ) এবং বসন্তকাল (ফাল্গুন ও চৈত্র)। প্রতিটি ঋতু দুই মাস করে স্থায়ী হয় এবং প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও উৎসব রয়েছে।
প্রশ্ন ৫: বাংলা মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ অনুযায়ী দুর্গাপূজা কবে হবে?
উত্তর: বাংলা মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ অনুযায়ী দুর্গাপূজা আশ্বিন মাসে অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত দুর্গাপূজা পালিত হয়। ২০২৬ সালে দুর্গাপূজা সম্ভবত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণের জন্য বাংলা পঞ্জিকা দেখতে হবে, কারণ এটি চন্দ্রকলার উপর নির্ভর করে।
প্রশ্ন ৬: বাংলা ক্যালেন্ডার ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডার একটি সৌর ক্যালেন্ডার, যা সূর্যের গতিপথের উপর ভিত্তি করে তৈরি, অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারও একটি সৌর ক্যালেন্ডার কিন্তু এর গণনা পদ্ধতি ভিন্ন। বাংলা ক্যালেন্ডারে বছর শুরু হয় পহেলা বৈশাখে (এপ্রিল মাসে), যেখানে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে বছর শুরু হয় ১ জানুয়ারিতে। বাংলা ক্যালেন্ডারের মাসগুলি ঋতুর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যা কৃষিকাজ ও প্রাকৃতিক চক্রের সাথে মানুষের জীবনযাত্রার সংযোগ স্থাপন করে।
প্রশ্ন ৭: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নবান্ন উৎসব কবে পালিত হয়?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নবান্ন উৎসব সাধারণত আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে পালিত হয়। এই উৎসব নতুন ফসল ঘরে তোলার সুখের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়। কৃষকেরা নতুন ধান, গম, পাট প্রভৃতি ফসল কাটার পর আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠে। বিভিন্ন অঞ্চলে নবান্ন উৎসব ভিন্ন ভিন্ন নামে ও ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পালিত হলেও মূলত বর্ষা মৌসুমে এই উৎসব বেশি দেখা যায়।
প্রশ্ন ৮: বাংলা ক্যালেন্ডারে কোন মাসে কোন ধরনের ফসল উৎপাদন করা হয়?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডারের বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করা হয়। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে আমন ধান, পাট, আলু ও সবজির চাষ শুরু হয়। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে বৃষ্টিপাতের কারণে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়। ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে আমন ধানের পরিচর্যা এবং কিছু সবজি ও ফল সংগ্রহ করা হয়। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটা ও মাড়াই করা হয় এবং বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করা হয়। পৌষ ও মাঘ মাসে বোরো ধানের চারা রোপণ এবং শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে বোরো ধানের পরিচর্যা এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৯: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পৌষ সংক্রান্তি কী?
উত্তর: পৌষ সংক্রান্তি বাংলা ক্যালেন্ডারের পৌষ মাসের শেষ দিন, যা পৌষ মাসের শেষে এবং মাঘ মাসের শুরুতে পালিত হয়। এই দিনে বিভিন্ন অঞ্চলে মেলার আয়োজন করা হয়, যা পৌষ মেলা নামে পরিচিত। পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মানুষ বিশেষ খাবার তৈরি করে এবং বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গ্রামাঞ্চলে এই দিনে গান, নাটক, যাত্রা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়, যা মানুষকে শীতের কনকনে ঠাণ্ডা থেকে কিছুটা স্বস্তি দেয়।
প্রশ্ন ১০: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চৈত্র সংক্রান্তি কী?
উত্তর: চৈত্র সংক্রান্তি বাংলা ক্যালেন্ডারের চৈত্র মাসের শেষ দিন, যা চৈত্র মাসের শেষে এবং বৈশাখ মাসের শুরুতে পালিত হয়। এই দিনে বিভিন্ন অঞ্চলে মেলার আয়োজন করা হয়, যা চৈত্র সংক্রান্তি মেলা নামে পরিচিত। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে মানুষ বিশেষ খাবার তৈরি করে এবং বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গ্রামাঞ্চলে এই দিনে গান, নাটক, যাত্রা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়, যা মানুষকে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। এই দিনে অনেকে বিশেষ পূজা ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।
প্রশ্ন ১১: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাংলা বছরের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাংলা বছরের দৈর্ঘ্য ৩৬৫ দিন, যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সাধারণ বছরের সমান। তবে অধিবর্ষে (লিপ ইয়ার) বাংলা বছরের দৈর্ঘ্য ৩৬৬ দিন হয়। বাংলা ক্যালেন্ডারে অধিবর্ষের ধারণা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের অনুরূপ, কিন্তু এর গণনা পদ্ধতি ভিন্ন। বাংলা ক্যালেন্ডারে ফাল্গুন মাসে একদিন বেশি যোগ করা হয়, যাকে অধিমাস বলা হয়। এই অধিমাসের মাধ্যমে বাংলা ক্যালেন্ডারকে সৌর বছরের সাথে সমন্বয় করা হয়।
প্রশ্ন ১২: বাংলা ক্যালেন্ডারের সাথে মুসলিম পঞ্জিকার সম্পর্ক কী?
উত্তর: বাংলা ক্যালেন্ডার সৌরমাস ভিত্তিক, যেখানে মুসলিম পঞ্জিকা চন্দ্রমাস ভিত্তিক। মুসলিম পঞ্জিকার বছর বাংলা ক্যালেন্ডারের তুলনায় প্রায় ১১ দিন কম হয়।
আপনার প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
প্রশ্ন ১৩: মহরম কত তারিখ ২০২৬?
উত্তর: ২০২৬ সালে পবিত্র মহরম বা আশুরা পালিত হতে পারে ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার)। তবে এটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন ১৪: জানুয়ারি মাসে পূর্ণিমা কবে ২০২৬?
উত্তর: ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের পূর্ণিমা হবে ৩ জানুয়ারি (শনিবার)।
প্রশ্ন ১৫: ১লা বৈশাখ ২০২৬ এর ইংরেজি তারিখ কত?
উত্তর: ২০২৬ সালের ১লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ হবে ইংরেজি ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার)।
প্রশ্ন ১৬: বাংলায় ১২ মাসের নাম কি?
উত্তর: বাংলা ১২ মাসের নাম হলো: ১. বৈশাখ ২. জ্যৈষ্ঠ ৩. আষাঢ় ৪. শ্রাবণ ৫. ভাদ্র ৬. আশ্বিন ৭. কার্তিক ৮. অগ্রহায়ণ ৯. পৌষ ১০. মাঘ ১১. ফাল্গুন ১২. চৈত্র।
প্রশ্ন ১৭: ২০২৫ সালে মহরম কত তারিখে?
উত্তর: ২০২৫ সালে পবিত্র মহরম বা আশুরা পালিত হবে ৬ জুলাই (রবিবার)। এটিও চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ১ দিন কম-বেশি হতে পারে।