একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নতুন শিক্ষা আইন প্রণয়নের খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। এই খসড়ার ওপর জনমত গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও অংশগ্রহণমূলক করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে খসড়াটি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে, আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টার মধ্যে নিজেদের মতামত ই-মেইলের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।
নতুন শিক্ষা আইন: মতামত পাঠানোর ঠিকানা
opinion_edu_act@moedu.gov.bd
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে-
- নিরক্ষরতা দূরীকরণ
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তার
- সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ
- বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- জীবনব্যাপী ও সর্বজনীন শিক্ষার ধারণা বাস্তবায়ন
এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণ সুরক্ষিত রেখে বিদ্যমান শিক্ষা আইনগুলোকে আরও সংহত, কার্যকর ও আধুনিক করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিপূরক ও সম্পূরক বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে খসড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও মানবিক, দক্ষতাভিত্তিক ও ভবিষ্যৎমুখী হয়ে উঠবে।





